র্যাবের একটি রিপোর্টের জের: সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ে আতঙ্ক, সচেতন মহলে বিস্ময়
চট্টগ্রামের পটিয়ার আলামপুরের নন্দারামপাড়ার সংখ্যালঘু জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে দেয়া র্যাবের একটি রিপোর্টে বিরুপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে সচেতন নাগরিক মহলে। আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে। বিশেষ করে বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. দিলীপ দে'কে দোষী সাব্যস্ত করে যে রিপোর্ট দেয়া হয়েছে তাতে হতবাক হয়েছেন চট্টগ্রামের অনেক বিশিষ্ট নাগরিক। শনিবার চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে রিপোর্টটি পুনর্বিবেচনার জন্য দাবি জানানো হয়। সাংবাদিক সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিজ্ঞানী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. জামাল নজরুল ইসলাম, প্রিমিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. অনুপম সেন, আওয়ামী লীগ নেতা আতাউর রহমান খান কায়সার, সাংবাদিক কবি অরুণ দাশগুপ্ত, সাংবাদিক আবুল মোমেন, এ্যাডভোকেট অরুণ দত্ত, এ্যাডবোকেট মফিজুর রহমান, এ্যাডভোকেট অরুণ দত্ত, এ্যাডভোকেট শৈবাল সেন, পূজা উদযাপন পরিষদ নেতা এ্যাডভোকেট চন্দন তালুকদার, রাখাল দাশগুপ্ত প্রমুখ। লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন আলামপুর নান্দারাম সমিতির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি বাদল দে।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, জায়গা-জমিসংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মামলা বিচারাধীন থাকা অবস্থায় র্যাব সদস্য এ এস আই শাহজাহান যে রিপোর্ট দিয়েছে, তাতে ক্ষমতার অপব্যবহার হয়েছে। তাঁরা বলেন, এতে অহেতুক অপরাধমূলক ভীতি ও চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে। সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রিপোর্টে আলামপুরের নন্দারামপাড়ার হিন্দু মহিলাদের ডাক্তার দিলীপ দে'র নির্দেশে এএসআই শাহজাহানের পিতা বদিউল আলমের ওপর আকমণ চেষ্টার অভিযোগ আনা হয়েছে এবং ডা. দিলীপ দে'র বিরুদ্ধে হিন্দু সম্প্রদায়কে ইন্ধন দেয়া এবং উস্কানিমূলক কর্মকাণ্ডে সহযোগিতা করার অভিযোগ আনা হয়েছে। রিপের্টে আনীত এ অভিযোগ মোটেও সঠিক নয় বলে সাংবাদিক সম্মেলনে দাবি করা হয়।
জনাকীর্ণ এ সংবাদ সম্মেলনে ড. জামাল নজরুল ইসলাম বলেন, ডা. দিলীপ দে'কে আমি যে রকম মানুষ হিসেবে জানি, তাতে তাঁর বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ অবিশ্বাস্য তাছাড়া যে কোন অঞ্চলে কারোরই আতঙ্কে থাকা উচিত নয়। যদি তেমন হয়, তবে তা হবে দুঃখজনক। সাংবাদিক আবুল মোমেন বলেন, ডা. দিলীপ দে'র জন্য বিষয়টি অসহনীয় পর্যায়ে পৌছে গেছে বলেই তিনি নিরুপায় হয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আহ্বান করেছেন।
জনকণ্ঠ, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
নরসিংদীর মাধবদীতে দুর্গাপ্রতিমা ভাংচুর
নরসিংদীর সদর উপজেলার মাধবদীর নওপাড়া সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে সব মূর্তি ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। স্থানীয় লোকজন গতকাল রোববার ভোরে মন্দিরে গিয়ে দুর্গাপ্রতিমা, লক্ষ্মী, সরস্বতী, কার্তিক, গণেশ, অসুরসহ সব মূর্তি ভাংচুর অবস্থায় দেখতে পান। দুর্গাপ্রতিমার মাথা মন্দিরের বাইরে পড়ে থাকতে দেখা যায়।
মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি লোকনাথ চন্দ্র মিত্র ও সাধারণ সম্পাদক মানিক চন্দ্র মিত্র জানান, মন্দিরে ১৫ দিন ধরে প্রতিমাশিল্পী রতন দাস তার সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছিলেন। রংয়ের কাজও প্রায় শেষ। তারা জানান, দুর্বৃত্তরা পাশের সেন্টু মিত্রের বাড়ির শীতলা মন্দিরে শীতলা দেবীর মূর্তি ভাংচুর করেছে।
খবর পেয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলী মিয়া, অ্যাডিশনাল এসপি আবুল বাশার ও সদর থানার ওসি জসিম উদ্দিন সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন বলে তারা জানিয়েছেন। এ ঘটনার পর জেলার সব পূজামণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পূজা কমিটির জেলা সভাপতি অহিভূষণ চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত কুমার সাহা এবং কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র ঘোষ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সমকাল, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
মন্দির পূজা কমিটির সভাপতি লোকনাথ চন্দ্র মিত্র ও সাধারণ সম্পাদক মানিক চন্দ্র মিত্র জানান, মন্দিরে ১৫ দিন ধরে প্রতিমাশিল্পী রতন দাস তার সঙ্গী-সাথীদের নিয়ে প্রতিমা তৈরির কাজ প্রায় শেষ করে ফেলেছিলেন। রংয়ের কাজও প্রায় শেষ। তারা জানান, দুর্বৃত্তরা পাশের সেন্টু মিত্রের বাড়ির শীতলা মন্দিরে শীতলা দেবীর মূর্তি ভাংচুর করেছে।
খবর পেয়ে নরসিংদীর পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আলী মিয়া, অ্যাডিশনাল এসপি আবুল বাশার ও সদর থানার ওসি জসিম উদ্দিন সরকার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন বলে তারা জানিয়েছেন। এ ঘটনার পর জেলার সব পূজামণ্ডপে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। পূজা কমিটির জেলা সভাপতি অহিভূষণ চক্রবর্তী ও সাধারণ সম্পাদক রঞ্জিত কুমার সাহা এবং কাউন্সিলর পরিমল চন্দ্র ঘোষ শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
সমকাল, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
গোপালগঞ্জে মন্দিরে মূর্তি ভাঙচুর
গোপালগঞ্জ শহরের সাহাপাড়া সর্বজনীন দুর্গামন্দিরে গত শুক্রবার রাতে মূর্তি ভাঙচুর করা হয়েছে। আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে মন্দিরে তৈরি গণেশ, কার্তিক, সরস্বতীর হাঁস, মহিষাসুর ও সাপ গতকাল শনিবার সকালে ভাঙা অবস্থায় দেখা যায়।
স্থানীয় বাসিন্দা ভজন সাহা জানান, শুক্রবার রাতে বৃষ্টির সময় লোকজনের আনাগোনা কমে গেলে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাহাপাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সাহা টুটুল জানান, গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পূজামন্ডপের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করেছেন।
প্রবীর কুমার রায় বলেন, দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে সব পূজামন্ডপে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রথম আলো, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
স্থানীয় বাসিন্দা ভজন সাহা জানান, শুক্রবার রাতে বৃষ্টির সময় লোকজনের আনাগোনা কমে গেলে দুর্বৃত্তরা এ ঘটনা ঘটায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।
সাহাপাড়া পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ সাহা টুটুল জানান, গোপালগঞ্জের সহকারী পুলিশ সুপার প্রবীর কুমার রায় ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে পূজামন্ডপের স্বাভাবিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার অনুরোধ করেছেন।
প্রবীর কুমার রায় বলেন, দুর্বৃত্তদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে। ইতিমধ্যে সব পূজামন্ডপে ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
প্রথম আলো, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
বৈষম্যমূলক দানপত্র রেজিস্ট্রেশন ফি
দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮ সংখ্যার সম্পাদক সমীপে বিভাগে প্রকাশিত চিঠি।
মির্জাপুর ও বোয়ালমারীতে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানের বুকে ছুরি চালিয়ে অনেক পরিবর্তন আনলেও আরটিক্যাল ১৭ এখনও অক্ষত এবং অপরিবর্তিত। আরটিক্যাল ১৭ এর মতে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা লেখা আছে যা ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতার অধিকারটি এখনও সমুন্নত আছে। বিগত জামায়াত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে আইনমন্ত্রী ইতিহাসখ্যাত হওয়ার জন্য নিজের ইচ্ছামতো যখন যে কোন আইনকে পরিবর্তন, পরিশোধন এবং পরিবর্ধন করেছেন। ২০০৫ সালের ১ জুলাইয়ের পূর্বে মুসলিম সম্প্রদায়ের বা ধর্মাবলম্বীদের দান বা হেবা দলিল রেজিস্ট্রি না করেও কার্যকর করা হতো কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের দানপত্র রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক যেমন ছিল বর্তমানেও তেমনি আছে। ২০০৫ সালের ১ জুলাই হতে কার্যকর হয়েছে অন্যান্য আইনের সংশোধনীসহ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী করে The Registration Act 1908 (Act No. XVI of 1908)-এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইনে Registration Act 78 A স্থাপন করে Registration fee for Contract for sale heba and mortgage নির্দিষ্ট করে দেয়ায় ২০০৫ সালের ১ জুন হতে কার্যকরা করা হয়েছে, তাতে হিন্দু সম্প্রদায় বা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দানপত্র রেজিস্ট্রেশন করার ব্যাপারে কোন সংশোধনী আনা হয়নি। মুসলিম সম্প্রদায়ের দানপত্র বা হেবার বেলায় রেজিস্ট্রেশন ফী নির্দিষ্ট করে দেয়াকে স্বাগত জানালেও হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বৈষম্যমূলক আইনটিকে বৈষম্যহীন করার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রেশন করার ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা রাখার দাবি জানাই। পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হেবা দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হলে পাঁচশ টাকা, পাঁচ লাখ টাকার অধিক হলে কিন্তু পনেরো লাখ টাকা পর্যন্ত এক হাজার টাকা, পনেরো লাখ টাকার অধিক হলে দুই হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফঢ প্রদান করতে হবে। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সহোদর বোন, ভাই, পিতামাতা এবং সন্তান, দাদা-নাতির মধ্যে হেবা দলিলের ঘোষণার জন্য মাত্র এক শ' টাকা রেজিস্ট্রেশন ফী প্রদান করতে হবে, জমির মূল্য যাই থাকুক না কেন। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের বেলায় দানপত্র রেজিস্ট্রে করতে হলে বিক্রি দলিল এর মতোই রেজিস্ট্রি ফী প্রদান বাধ্যতামূলক যার ফলে প্রয়োজনে দানের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে দানের অধিকার হতে নিজেকে বঞ্চিত করছেন এবং আত্মীয়স্বজন দান গ্রহণে সৌভাগ্যবান হতে পারছেন না।
মির্জাপুর ও বোয়ালমারীতে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি
লাখো শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশের পবিত্র সংবিধানের বুকে ছুরি চালিয়ে অনেক পরিবর্তন আনলেও আরটিক্যাল ১৭ এখনও অক্ষত এবং অপরিবর্তিত। আরটিক্যাল ১৭ এর মতে আইনের দৃষ্টিতে সমতার কথা লেখা আছে যা ধর্ম, বর্ণ, সম্প্রদায় নির্বিশেষে প্রতিটি নাগরিকের আইনের দৃষ্টিতে সমতার অধিকারটি এখনও সমুন্নত আছে। বিগত জামায়াত-বিএনপি জোট সরকারের আমলে আইনমন্ত্রী ইতিহাসখ্যাত হওয়ার জন্য নিজের ইচ্ছামতো যখন যে কোন আইনকে পরিবর্তন, পরিশোধন এবং পরিবর্ধন করেছেন। ২০০৫ সালের ১ জুলাইয়ের পূর্বে মুসলিম সম্প্রদায়ের বা ধর্মাবলম্বীদের দান বা হেবা দলিল রেজিস্ট্রি না করেও কার্যকর করা হতো কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের দানপত্র রেজিস্ট্রি করা বাধ্যতামূলক যেমন ছিল বর্তমানেও তেমনি আছে। ২০০৫ সালের ১ জুলাই হতে কার্যকর হয়েছে অন্যান্য আইনের সংশোধনীসহ সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনী করে The Registration Act 1908 (Act No. XVI of 1908)-এর অধিকতর সংশোধনকল্পে প্রণীত আইনে Registration Act 78 A স্থাপন করে Registration fee for Contract for sale heba and mortgage নির্দিষ্ট করে দেয়ায় ২০০৫ সালের ১ জুন হতে কার্যকরা করা হয়েছে, তাতে হিন্দু সম্প্রদায় বা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের দানপত্র রেজিস্ট্রেশন করার ব্যাপারে কোন সংশোধনী আনা হয়নি। মুসলিম সম্প্রদায়ের দানপত্র বা হেবার বেলায় রেজিস্ট্রেশন ফী নির্দিষ্ট করে দেয়াকে স্বাগত জানালেও হিন্দু সম্প্রদায়ের জন্য বৈষম্যমূলক আইনটিকে বৈষম্যহীন করার জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের দানপত্র দলিল রেজিস্ট্রেশন করার ব্যাপারে কার্যকর ভূমিকা রাখার দাবি জানাই। পাঁচ লাখ টাকা পর্যন্ত হেবা দলিল রেজিস্ট্রেশন করতে হলে পাঁচশ টাকা, পাঁচ লাখ টাকার অধিক হলে কিন্তু পনেরো লাখ টাকা পর্যন্ত এক হাজার টাকা, পনেরো লাখ টাকার অধিক হলে দুই হাজার টাকা রেজিস্ট্রেশন ফঢ প্রদান করতে হবে। মুসলিম ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে সহোদর বোন, ভাই, পিতামাতা এবং সন্তান, দাদা-নাতির মধ্যে হেবা দলিলের ঘোষণার জন্য মাত্র এক শ' টাকা রেজিস্ট্রেশন ফী প্রদান করতে হবে, জমির মূল্য যাই থাকুক না কেন। কিন্তু হিন্দু সম্প্রদায়ের বেলায় দানপত্র রেজিস্ট্রে করতে হলে বিক্রি দলিল এর মতোই রেজিস্ট্রি ফী প্রদান বাধ্যতামূলক যার ফলে প্রয়োজনে দানের ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও অনেকে দানের অধিকার হতে নিজেকে বঞ্চিত করছেন এবং আত্মীয়স্বজন দান গ্রহণে সৌভাগ্যবান হতে পারছেন না।
বিকাশ চন্দ্র রায়
এ্যাডভোকেট
সাবেক সাধারণ সম্পাদক
ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতি
ময়মনসিংহ
এ্যাডভোকেট
সাবেক সাধারণ সম্পাদক
ময়মনসিংহ জেলা আইনজীবী সমিতি
ময়মনসিংহ
মির্জাপুর ও বোয়ালমারীতে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি
ভিজিএফের চাল বিতরণ
মির্জাপুর ও বোয়ালমারীতে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি
নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর।।
সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে ভিজিএফের চাল বিতরণের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে মির্জাপুরসহ টাঙ্গাইলের সব উপজেলাতেই চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কমিশনারগণ একই নিয়মে গরিব ও দুস্থদের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিএফের চাল বিতরণের তালিকা জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় থেকে মাহে রমজান উপলক্ষে বরাদ্দ উল্লেখ থাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের গরিব ও দুস্থদের নাম বাদ দিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের দুস্থদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এদিকে দুস্থদের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফ তালিকা থেকে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ রাখার নির্দেশে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কমিশনারগণ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। এ নিয়মের জন্য অনেক চেয়ারম্যান ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।
সংবাদদাতা, বোয়ালমারী থেকে জানান, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১১ নং গুণবহা ইউনিয়নে চলতি মাসে সরকার থেকে বরাদ্দকৃত দুস্থদের জন্য ভিজিএফ কার্ডের তালিকা থেকে দুস্থদের জন্য ভিজিএফ কার্ডের তালিকা থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবারদের বাদ দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, ঈদ ও পুজোকে সামনে রেখে সরকার দুস্থ জনগোষ্ঠীর জন্য ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে জনপ্রতি ১৫ কেজি চাল বরাদ্দের অনুমোদন দেয়। উপজেলার গুণবহা ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডে ১৫শ' ভিজিএফ কার্ডের তালিকা তৈরি করা হলেও ঐ তালিকায় কোন দুস্থ হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবারের সদস্যদের নাম রাখা হয়নি।
দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
মির্জাপুর ও বোয়ালমারীতে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে তালিকা তৈরি
নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর, ২৪ সেপ্টেম্বর।।
সংখ্যালঘুদের নাম বাদ দিয়ে ভিজিএফের চাল বিতরণের তালিকা তৈরি করা হয়েছে। প্রশাসনের নির্দেশে মির্জাপুরসহ টাঙ্গাইলের সব উপজেলাতেই চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কমিশনারগণ একই নিয়মে গরিব ও দুস্থদের মধ্যে বিনামূল্যে ভিজিএফের চাল বিতরণের তালিকা জমা দিয়েছেন বলে জানা গেছে।
মন্ত্রণালয় থেকে মাহে রমজান উপলক্ষে বরাদ্দ উল্লেখ থাকায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের গরিব ও দুস্থদের নাম বাদ দিয়ে মুসলিম সম্প্রদায়ের দুস্থদের মধ্যে ভিজিএফের চাল বিতরণ করা হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে। এদিকে দুস্থদের জন্য বরাদ্দ ভিজিএফ তালিকা থেকে সংখ্যালঘুদের নাম বাদ রাখার নির্দেশে স্থানীয় চেয়ারম্যান, মেম্বার ও কমিশনারগণ বিব্রতকর অবস্থায় পড়েছেন। এ নিয়মের জন্য অনেক চেয়ারম্যান ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন।
সংবাদদাতা, বোয়ালমারী থেকে জানান, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার ১১ নং গুণবহা ইউনিয়নে চলতি মাসে সরকার থেকে বরাদ্দকৃত দুস্থদের জন্য ভিজিএফ কার্ডের তালিকা থেকে দুস্থদের জন্য ভিজিএফ কার্ডের তালিকা থেকে হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবারদের বাদ দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। জানা যায়, ঈদ ও পুজোকে সামনে রেখে সরকার দুস্থ জনগোষ্ঠীর জন্য ভিজিএফ কার্ডের মাধ্যমে জনপ্রতি ১৫ কেজি চাল বরাদ্দের অনুমোদন দেয়। উপজেলার গুণবহা ইউনিয়নে ৯টি ওয়ার্ডে ১৫শ' ভিজিএফ কার্ডের তালিকা তৈরি করা হলেও ঐ তালিকায় কোন দুস্থ হিন্দু সম্প্রদায়ের পরিবারের সদস্যদের নাম রাখা হয়নি।
দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
লালপুরের অপহৃত সুনিতাকে ফিরে চান তার পিতা
নিজস্ব সংবাদদাতা, নাটোর, ২৪ সেপ্টেম্বর।।
লালপুর থানার নাগশোষা গ্রামের শ্যামল কুমার মণ্ডল তাঁর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে সুনিতা রানী মণ্ডলকে ফিরে চান। বুধবার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে শ্যামল কুমার এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সুনিতার বান্ধবী পপি খাতুনের সহযোগিতায় কলেজ শিক্ষক আবদুল মান্নান গত ২২ আগস্ট তাকে অপহরণ করে। এ ঘটনায় মান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করার পর থেকে তারা নাগশোষা গ্রামের সংখ্যালঘুদের হুমকি-ধামকি দিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছে।
জনকণ্ঠ, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
লালপুর থানার নাগশোষা গ্রামের শ্যামল কুমার মণ্ডল তাঁর কলেজ পড়ুয়া মেয়ে সুনিতা রানী মণ্ডলকে ফিরে চান। বুধবার স্থানীয় একটি হোটেলে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে শ্যামল কুমার এ দাবি জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করেন, সুনিতার বান্ধবী পপি খাতুনের সহযোগিতায় কলেজ শিক্ষক আবদুল মান্নান গত ২২ আগস্ট তাকে অপহরণ করে। এ ঘটনায় মান্নানসহ তিনজনের বিরুদ্ধে মামলা করার পর থেকে তারা নাগশোষা গ্রামের সংখ্যালঘুদের হুমকি-ধামকি দিয়ে এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করছে।
জনকণ্ঠ, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০০৮
প্রতিমা ভাঙচুর
যশোর শহরতলির আরবপুর মাঠপাড়া ঋষিপল্লীর মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুরের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শনিবার রাতে কে বা কারা প্রতিমাটি ভেঙে ফেলে। খবর পেয়ে জেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাধারণ সম্পাদক দীপংকর দাস মন্দিরে যান এবং পুলিশকে বিষয়টি জানান। এ ব্যাপারে মন্দিরের সেবায়েত রঞ্জন ঋষি গত রোববার কোতোয়ালি থানায় অভিযোগ করেছেন।−নিজস্ব প্রতিবেদক, যশোর
Subscribe to:
Posts (Atom)