<?xml version='1.0' encoding='UTF-8'?><?xml-stylesheet href="http://www.blogger.com/styles/atom.css" type="text/css"?><feed xmlns='http://www.w3.org/2005/Atom' xmlns:openSearch='http://a9.com/-/spec/opensearchrss/1.0/' xmlns:georss='http://www.georss.org/georss' xmlns:gd='http://schemas.google.com/g/2005' xmlns:thr='http://purl.org/syndication/thread/1.0'><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966</id><updated>2012-02-11T08:52:59.059-08:00</updated><category term='Myth'/><category term='History'/><title type='text'>বাংলাদেশের হিন্দু</title><subtitle type='html'>বাংলাদেশের হিন্দুদের যাপিত জীবন</subtitle><link rel='http://schemas.google.com/g/2005#feed' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/posts/default'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default?max-results=100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/'/><link rel='hub' href='http://pubsubhubbub.appspot.com/'/><link rel='next' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default?start-index=101&amp;max-results=100'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><generator version='7.00' uri='http://www.blogger.com'>Blogger</generator><openSearch:totalResults>269</openSearch:totalResults><openSearch:startIndex>1</openSearch:startIndex><openSearch:itemsPerPage>100</openSearch:itemsPerPage><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-6789682188564492805</id><published>2012-02-11T08:51:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T08:52:59.074-08:00</updated><title type='text'>হাটহাজারীতে ভাংচুর ও অবরোধের ঘটনায় দু’টি মামলা</title><content type='html'>মোহাম্মদ হোসেন হাটহাজারী, (সিএইচটিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম):- হাটহাজারীতে গত শক্রবারের সড়ক অবরোধ ও ভাংচুরের ঘটনায় পরিস্থিতি শান্ত হয়েছে। এ ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে ২ হাজার ৭ শ’ অজ্ঞাত ব্যাক্তিকে আসামী করা হয়। হাটহাজারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন শক্রবার এ দুটি মামলা দায়ের করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারী মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ সামিউল আলম পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানান, অগ্নিসংযোগ ভাংচুর ও বিস্পোরণ আইন এবং সড়ক অবরোধের ঘটনায় পৃথক পৃথক দু’টি মামলার হয়েছে বলে জানান তিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে গতকাল শক্রবার থেকে এলাকায় র‌্যাব পুলিশ ও বিজিপি স্ট্রাইকার ফোর্স এর বিপুল সংখ্যক সদস্য রাস্তায় টহল দিতে দেখা গেছে । ১৪৪ ধারা জারীর পর থেকে পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলে জানিয়েছে হাটহাজারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সেখ ফরিদ আহমেদ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরের নন্দীহাটস্থ শ্রী শ্রী লোকনাথ সেবাশ্রম মন্দিরের বৃহস্পতি ও শক্রবার ২ দিন ব্যাপী অনুষ্টানে যোগদানের সময় লোকনাথ বক্তরা উত্তর ফতেয়াবাদ কাজী পাড়া হাজী  জামে মসজিদ পাশে শোভাযাত্রাটি ঢোল বাজিয়ে যাওয়ার পথে দুপুরের নামাজ পড়তে যাওয়া মুসল্লিরা ঢোল বাজানো নিষেধ করতে গেলে এ ঘটনার সুত্রপাত হয়। এতে শোভাযাত্রা থেকে মসজিদে জানালা দিয়ে ঢিল ছোড়ে জানালা ভাংচুর করা হয়। পরে মুসল্লিরা মসজিদ থেকে বের হয়ে এলে উভয় পক্ষে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনায় তিন মুসল্লি আহত হয়। এর পর রাতেই ফের মসজিদ হামলায় ভাংচুরের ঘটনায় হয়েছে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় উত্তেজনা দেখা দেয়। এ দিকে লোকজন লোকনাথ মন্দির কর্তৃপক্ষ রাতেই মন্দিরে হামলা চালিয়েছে বলে জানান। শক্রবার ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে মসজিদের ভাংচুরের ঘটনায় দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ শুরু হয়। এক পর্যায়ে  বিক্ষোভকারীরা সকাল ১০ টা থেকে চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়ক অবরোধ করে রাখে। তারা রাস্তায় রাস্তা ব্যারিকেট ও মহাসড়কে জু’আ নামাজ আদায় করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ও স্থানীয় সংসদ সদস্য জনসাধারণের রেশানলে পড়ে ঘটনাস্থল থেকে চলে আসেন। এবং উপজেলা প্রশাসনের কার্যালয়ে পরিস্থিতি শান্ত করা ও ভুলবুঝি অবসান করা জোর চেষ্টা চালিয়ে যান তারা। গতকাল শক্রবার পরিস্থিতি সামাল দিতে গিয়ে পুলিশের সাথে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ায় এ এস পি সার্কেল বাবুল আকতার(বিপিএম)সহ ৩০ জন আহত হয়েছিল। নন্দীহাট ও হাটহাজারী সদরে কয়েকটি মন্দির অগ্নিসংযোগ করে বিক্ষোভকারীরা । সকাল ১০ টা থেকে ৫ টা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়কে ব্যারিকেট থাকার কারনে রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি, রাউজান, ফটিকছড়িসহ উত্তর চট্টগ্রামের সাথে সব যানচলাচল বন্ধ ছিল। এ ঘটনায় হাটহাজারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) জসিম উদ্দিন শনিবার মামলা নং ১৯ ও ২০ তারিখ : ১০-২-২০১২ দায়ের করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.chtnews24.com/2012/02/11/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%A4%E0%A7%87-%E0%A6%AD%E0%A6%BE%E0%A6%82%E0%A6%9A%E0%A7%81%E0%A6%B0-%E0%A6%93-%E0%A6%85%E0%A6%AC%E0%A6%B0/"&gt;www.chtnews24.com&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-6789682188564492805?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/6789682188564492805/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=6789682188564492805&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6789682188564492805'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6789682188564492805'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_2046.html' title='হাটহাজারীতে ভাংচুর ও অবরোধের ঘটনায় দু’টি মামলা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-1157893184419958701</id><published>2012-02-11T08:25:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T08:27:52.848-08:00</updated><title type='text'>হাটহাজারীর ঘটনায় আট শতাধিকজনকে আসামী করে পৃথক দুটি মামলা</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://3.bp.blogspot.com/-kOeWz0_9BIA/TzaWoi-Yn7I/AAAAAAAAATQ/rxA8NiDQEHE/s1600/ctg-hathazari-temple-fire-loot-masacare-hindu.muslim-chtnews24.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 300px; height: 214px;" src="http://3.bp.blogspot.com/-kOeWz0_9BIA/TzaWoi-Yn7I/AAAAAAAAATQ/rxA8NiDQEHE/s320/ctg-hathazari-temple-fire-loot-masacare-hindu.muslim-chtnews24.jpg" alt="চট্টগ্রাম হাটহাজারীতে হিন্দু মন্দিরে মুসলমানদের হামলা সড়ক অবরোধ" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5707915201066082226" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;চট্টগ্রাম,(সিএইচটিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম):- হাটহাজারীতে মন্দির ভাংচুর ও অবরোধের ঘটনায় ১৪৪ ধারার জারির পর ‘অজ্ঞাতপরিচয়’ আটশতাধিক ব্যক্তির বিরুদ্ধে দুটি মামলা করেছে পুলিশ। হাটহাজারি থানায় উপপরিদর্শক (এসআই) জসীম উদ্দিন শনিবার সকালে এ দুটি মামলা দায়ের করেন। হাটহাজারী থানার ওসি সামিউল আলম জানান, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিস্ফোরক আইনে একটি এবং সড়ক অবরোধ করে পুলিশের ওপর হামলার অভিযোগে দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকালে নন্দীর হাট এলাকায় লোকনাথ সেবাশ্রম মন্দিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর শোভাযাত্রায় ভক্তরা ঢোল বাজালে একটি মসজিদের মুসল্লিরা তাদের নিষেধ করে। এক পর্যায়ে মিছিলের পেছন দিকে ঢিল ছোড়া হয়। তখন শোভাযাত্রা থেকে পাল্টা একটি ঢিল ছুড়লে তর্কাতর্কি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এরপর বৃহস্পতি ও শুক্রবার হাটহাজারী উপজেলা সদর ও নন্দীরহাটে কয়েকটি মন্দির ভাংচুর এবং আগুন দেওয়ার ঘটনা ঘটে। হিন্দুরা বলছেন, একটি গুজবের ওপর ভিত্তি করে মন্দিরে হামলা ও ভাংচুর চালানো হয়। স্থানীয় মুসলিমরা বলছে, হিন্দুরা বিনা উস্কানিতে প্রথমে তাদের উপর হামলা চালিয়েছে। অন্যদিকে মসজিদে হামলার জন্য দায়ীদের শাস্তির দাবিতে শুক্রবার দিনভর চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোব্ধ লোকজন। পরিস্থিতি আয়ত্তের বাইরে চলে যাওয়ার আশঙ্কায় শুক্রবার বিকেল থেকে হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারি করে স্থানীয় প্রশাসন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.chtnews24.com/2012/02/11/%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9F%E0%A6%B9%E0%A6%BE%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A6%B0%E0%A7%80%E0%A6%B0-%E0%A6%98%E0%A6%9F%E0%A6%A8%E0%A6%BE%E0%A7%9F-%E0%A6%86%E0%A6%9F-%E0%A6%B6%E0%A6%A4%E0%A6%BE%E0%A6%A7/"&gt;www.chtnews24.com&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-1157893184419958701?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/1157893184419958701/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=1157893184419958701&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1157893184419958701'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1157893184419958701'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_3126.html' title='হাটহাজারীর ঘটনায় আট শতাধিকজনকে আসামী করে পৃথক দুটি মামলা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://3.bp.blogspot.com/-kOeWz0_9BIA/TzaWoi-Yn7I/AAAAAAAAATQ/rxA8NiDQEHE/s72-c/ctg-hathazari-temple-fire-loot-masacare-hindu.muslim-chtnews24.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7840668311125286213</id><published>2012-02-11T08:20:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T08:21:38.335-08:00</updated><title type='text'>ভাঙচুর ও অবরোধের পর হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা</title><content type='html'>চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নন্দীর হাটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর হয়েছে। পরিস্থিতির অবনতি ঘটায় স্থানীয় প্রশাসন হাটহাজারী সদরে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে।&lt;br /&gt;এর আগে এক পক্ষ গতকাল শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত চট্টগ্রাম-রাঙামাটি ও খাগড়াছড়ি সড়ক সাত ঘণ্টা অবরোধ করে রাখে। এতে স্বল্প ও দূরপাল্লার যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃহস্পতিবার রাতে নন্দীর হাটে দুই পাড়া-প্রতিবেশীর মধ্যে বিরোধের জের ধরে এ ঘটনার সূত্রপাত হয়। এ নিয়ে গতকাল একাধিক স্থাপনায় ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। এ সময় পুলিশ বাধা দিতে গেলে পাঁচ পুলিশসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়। আহত ব্যক্তিদের মধ্যে হাটহাজারী সার্কেলের এএসপি বাবুল আক্তারও রয়েছেন।&lt;br /&gt;পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিকেল পাঁচটার দিকে হাটহাজারী সদরে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে সড়ক থেকে লোকজনকে হটিয়ে দেয়। এ প্রসঙ্গে জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহম্মদ বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে আমরা ১৪৪ ধারা জারি করেছি। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ নিষেধাজ্ঞা বহাল থাকবে।’ পরিস্থিতি এখন পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে বলেও তিনি জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতকাল সরেজমিনে দেখা গেছে, হাটহাজারীর নন্দীর হাটে সকাল থেকে এক পক্ষ অবস্থান নিয়ে রাস্তার গাছ ফেলে অবরোধ সৃষ্টি করে। এ সময় তারা নন্দীর হাট থেকে হাটহাজারী সদর পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে টায়ার জ্বালিয়ে দেয়। এতে সড়কের দুই পাশে শত শত যানবাহন আটকা পড়লে যাত্রীরা চরম ভোগান্তিতে পড়ে। পরিস্থিতি শান্ত করতে পুলিশ বারবার চেষ্টা চালিয়েও ব্যর্থ হয়। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে অবরোধকারীর সংখ্যা বাড়তে থাকে। জুমার নামাজের পর হাটহাজারী সদরে সড়কের ওপর মাদ্রাসাছাত্র ও স্থানীয় কিছু লোকজন অবস্থান নেয়। এর পরই কয়েকটি স্থানে অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিকেল সাড়ে চারটার দিকে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফছারুল আমীন ও নগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা নন্দীর হাট এলাকায় পৌঁছান। এ সময় তাঁরা সেখান থেকে হেঁটে হাটহাজারীর দিকে রওনা দেন। পথে পথে দাঁড়ানো লোকজনকে তিনি শান্ত থাকার অনুরোধ জানান। এর পরপর নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মহিউদ্দিন চৌধুরী ও অন্যান্য নেতা হাটহাজারীতে পৌঁছে প্রশাসনের লোকজনের সঙ্গে বৈঠক করেন। ঘটনাস্থলে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহম্মদ, চট্টগ্রাম রেঞ্জের ডিআইজি নওশের আলী, পুলিশ সুপার জেড আই মোরশেদসহ পুলিশ ও চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত থাকলেও এ বিষয়ে কেউ কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরে পাঁচটার দিকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এর পরপর মাইকিং করে ও পুলিশ দিয়ে সদরের অবরোধকারীদের হটিয়ে দেওয়া হয়। মন্ত্রীর আগে সকালে স্থানীয় সাংসদ ও জাতীয় পার্টির কেন্দ্রীয় প্রেসিডিয়াম সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সেখানে গেলে স্থানীয় ব্যক্তিদের রোষানলে পড়েন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্ত্রী আফছারুল আমীন বলেন, পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। একটা ভুল-বোঝাবুঝি থেকে এ অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে গেছে। এখন যাতে আর কোনো ধরনের ঘটনা না ঘটে, সে জন্য পাড়া ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। একাধিক পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, এর সঙ্গে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দুই শিবিরকর্মীর হত্যার ঘটনার সম্পৃক্ততা থাকতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2012-02-11/news/223787"&gt;প্রথম আলো&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7840668311125286213?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7840668311125286213/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7840668311125286213&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7840668311125286213'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7840668311125286213'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_305.html' title='ভাঙচুর ও অবরোধের পর হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7779955135474485400</id><published>2012-02-11T07:58:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T07:59:31.003-08:00</updated><title type='text'>মন্দির ভাঙচুর, উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি</title><content type='html'>শ্যামল সিলেট ডেস্ক :&lt;br /&gt;কয়েকটি মন্দির ভাঙচুরের পর উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা থেকে শুক্রবার দুপুর পর্যন্ত হাটহাজারী উপজেলা সদর ও নন্দীরহাটে কয়েকটি মন্দির ভাঙচুর এবং আগুন দেওয়ায় জামাত-শিবিরের ইন্ধন রয়েছে বলে স্থানীয়রা দাবি করেছেন। (সূত্র : বিডিনিউজটুয়েন্টিফোর.কম)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃহস্পতিবার সকালের একটি ঘটনা থেকে এই উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। মন্দিরের পাশাপাশি স্থানীয় হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানেও হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতারা পরিস্থিতি এত দূর গড়ানোর জন্য প্রশাসনের উদাসীনতাকে দায়ি করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হিন্দুরা বলছেন, একটি গুজবের ওপর ভিত্তি করে মন্দিরে হামলা ও ভাঙচুর চালানো হয়। অন্যদিকে মসজিদে হামলার অভিযোগ তুলে এর জন্য দায়িদের শাস্তির দাবিতে দিনভর হাটহাজারীতে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়ক অবরোধ করে রাখে এক দল লোক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দিনভর উত্তেজনার পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফসারুল আমীন, নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুছ ছালাম, নগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ইব্রাহীম হোসেন চৌধুরী বাবুল শুক্রবার দুপুরের পর হাটহাজারী গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আফসারুল আমীন সাংবাদিকদের বলেন, একটা ভুল বোঝাবুঝির কারণে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। হাটহাজারীর বিভিন্ন পাড়ায় মন্দির-মসজিদে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহম্মদ বলেন, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। ১৪৪ ধারা জারির ফলে কোথাও বেশি মানুষ জড়ো হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। ঘটনার শুরু হয় বৃহস্পতিবার। সকালে নন্দীর হাট এলাকায় লোকনাথ সেবাশ্রম মন্দিরের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ছিল। এই উপলক্ষে হিন্দু স¤প্রদায়ের লোকজন ও মন্দিরের ভক্তরা একটি শোভাযাত্রা বের করে। এতে উৎসবের অংশ হিসেবে মাইকের পাশাপাশি ঢোলও বাঁজানো হচ্ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয়রা জানায়, শোভাযাত্রা স্থানীয় একটি মসজিদ অতিক্রমের সময় মসজিদের মুসল্লিরা ঢোল বাঁজাতে নিষেধ করে। এক পর্যায়ে মিছিলের পেছন দিকে ঢিল ছোঁড়া হয়। তখন শোভাযাত্রা থেকে পাল্টা একটি ঢিল ছুড়লে তর্কাতর্কি ও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এরপর সমস্যা সমাধানে পুলিশ দুই সম্প্রদায়ের নেতৃস্থানীয়দের নিয়ে বৈঠক বসে। তবে ওই বৈঠক শুরু করতে উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে কালক্ষেপণ করা হয় বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর। মুসলমান সম্প্রদায়ের এক দল বলে, বৈঠকের স্থান হবে মসজিদ। হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এতে রাজি হলে সন্ধ্যায় এই বৈঠক শুরু হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৈঠকে অংশ নেওয়া কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, বৈঠক চলাকালেই একদল দুবৃর্ত্ত লোকনাথ মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। মন্দিরে আসা বিভিন্ন দর্শণার্থীর সাত-আটটি গাড়িও ভাঙচুর করে তারা।&lt;br /&gt;পূজা উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক অশোক কুমার দেব বলেন, সকালের ঘটনার পর কেউ গিয়ে মসজিদে কাঁচ ভেঙে দেয়। তারপর এলাকায় গুজব ছড়ানো হয়, হিন্দু সম্প্রদায় মুসলমানদের মসজিদ ভেঙে ফেলছে। এরপর শুক্রবার সকালে হাটহাজারী এবং আশপাশের এলাকার বিভিন্ন মাদরাসার ছাত্রদের জড়ো করে মাইকে ঘোষণা দিয়ে কয়েকটি মন্দির ভাঙচুর এবং হিন্দুদের দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ ও লুটপাট চালানো হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুক্রবার নন্দীরহাট ঘুরে তিনটি মন্দিরে ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা গেছে। এগুলো হলো- শ্রী শ্রী মগদেশ্বরী মায়ের মন্দির, জগন্নাথ বিগ্রহ মন্দির ও লোকনাথ মন্দির। এর মধ্যে মগদেশ্বরী মন্দিরে আগুনও দেওয়া হয়। এছাড়া হাটহাজারী উপজেলা সদরে কালীবাড়ি মন্দিরেও ভাঙচুরের চিহ্ন দেখা গেছে। হামলা থেকে হিন্দুদের বাঁচাতে গিয়ে আহত দক্ষিণ পাহাড়তলীর সাবেক ওয়ার্ড কমিশনার জাফর আলম চৌধুরী বলেন, হামলাকারীরা কেউ এলাকার লোক নয়। প্রায় ২০ বছর ধরে কমিশনারের দায়িত্ব পালনকারী জাফরের মাথা ফাটিয়ে দেওয়া হয়েছে। হাটহাজারী বাজারে হিন্দুদের সোনার দোকানে লুটপাটকারীরাও এলাকার নয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয় অনেকেই বলছেন, সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী এই ঘটনায় ইন্ধন দিচ্ছে। এলাকাটি চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছাকাছি হওয়ায় এখানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের অনেক নেতাকর্মী মেস করে কিংবা বিভিন্ন বাসা-বাড়িতে লজিং থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্দির ভাঙচুরের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে অস্থির করতে স্থানীয় জামাত-শিবিরের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এম এ সালামও। আওয়ামী লীগের এই নেতা বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পর জামাত-শিবির পরিস্থিতি অস্থির করতে ইন্ধন যোগাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারীর নন্দীরহাট থেকে তিন কিলোমিটার দূরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে দুই ছাত্র নিহত হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। এছাড়া দেশের সবচেয়ে বড় মাদরাসাটি এই হাটহাজারী এলাকাতেই, যেখানে শিবিরের শক্ত অবস্থান রয়েছে। বৃহস্পতিবারের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় ওই এলাকায় যথেষ্ট সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি বলে মনে করেন সালাম। শুক্রবার সকাল থেকে হাটহাজারীতে সড়ক অবরোধ করে স্থানীয় মুসল্লিরা। হাটহাজারী থেকে প্রায় ৬ কিলোমিটার আগে (চট্টগ্রামের দিকে) দুপুরে সড়কের ওপর জুমার নামাজও পড়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সকালে পরিস্থিতি শান্ত করতে স্থানীয় সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আনিসুল ইসলাম মাহমুদ নন্দীর হাট গিয়েছিলেন। কিন্তু বিফল হয়ে ফেরেন তিনি। দুপুরের পর মন্ত্রী আফসারুল আমীন প্রথমে নন্দীরহাট যান। সেখান থেকে জেলা প্রশাসক ও পুলিশ কর্মকর্তাদের নিয়ে হেঁটে হাটহাজারী উপজেলা সদরে যান তিনি। পথে তিনি আশেপাশের লোকজনকে শান্ত থাকার অনুরোধ জানান। এরপর সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে অবরোধ উঠে গেলে চট্টগ্রাম-রাঙামাটি সড়কে গাড়ি চলাচল স্বাভাবিক হয়। হাটহাজারীতে ৫০০ পুলিশ, চার প্লাটুন বিজিবি সদস্য নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে। ব়্যাব সদস্যরা টহলে রয়েছে। হাটহাজারী থানা বিএনপির সভাপতি এস এম ফজলুল হক পরিস্থিতির অবনতির জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকে দায়ি করেন। তিনি বলেন, প্রশাসন শুরু থেকে তৎপরত থাকলে পরিস্থিতি এত দূর গড়াত না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এলাকায় সম্প্রীতি রক্ষায় বিএনপির সব নেতাকর্মীদের কাজ করতে বলা হয়েছে জানিয়ে ফজলুল বলেন, এখন সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে। এদিকে মন্দিরে হামলার পর লোকনাথ আশ্রমের ওই উৎসব আর হচ্ছে না। মন্দির প্রাঙ্গণে বিপুল সংখ্যক ব়্যাব ও পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.dailyshyamalsylhet.com/index.php?option=com_content&amp;amp;view=article&amp;amp;id=9897:2012-02-11-09-34-25&amp;amp;catid=21:nationalnews&amp;amp;Itemid=15"&gt;দৈনিক শ্যামল সিলেট&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7779955135474485400?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7779955135474485400/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7779955135474485400&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7779955135474485400'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7779955135474485400'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_8747.html' title='মন্দির ভাঙচুর, উত্তেজনা, ১৪৪ ধারা জারি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5221933350033463070</id><published>2012-02-11T07:48:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T08:02:22.792-08:00</updated><title type='text'>হাটহাজারীতে দফায় দফায় সংঘর্ষ : ১৪৪ ধারা জারী</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-hqp3rqLKk04/TzaQ26H2ZlI/AAAAAAAAATE/-2_UL8S94CU/s1600/hathazari-chittagong-hindu-temple-destroyed-by-muslim-inbworld-1.JPG"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 240px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-hqp3rqLKk04/TzaQ26H2ZlI/AAAAAAAAATE/-2_UL8S94CU/s320/hathazari-chittagong-hindu-temple-destroyed-by-muslim-inbworld-1.JPG" alt="চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানায় হিন্দু লোকনাথ মন্দিরে মুসলমানদের আগুন ধ্বংস" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5707908850728199762" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;প্রতিনিধি, আইএনবি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম : চট্টগ্রামের হাটহাজারিতে  দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ও ভাঙচুড়ের ঘটনায় ১৫ জনের মতো আহত হয়েছেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত চট্টগ্রাম খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি মহাসড়কে সড়ক অবরোধ করে রাখে বিক্ষুব্ধ জনতা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ ব্যাপক কাঁদানোগ্যাস ও ফাকা গুলি ছোড়ে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়ে প্রশাসন বিকেল সাড়ে ৫টা থেকে সেখানে অনির্দিকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে স্থানীয় প্রশাসন।&lt;br /&gt;এদিকে ঘটনা সমাধান করতে গিয়ে দুপুরে জাতীয় পার্টির নেতা স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যরিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ চৌধুরী এবং হাটহাজারী সার্কেলের এএসপি বাবুল আকতার বিক্ষুদ্ধ মুসল্লিদের হাতে লাঞ্চিত হয়েছেন।&lt;br /&gt;গতকাল বৃহস্পতিবার উপজেলার নন্দিরহাট এলাকায় স্থানীয় দুই দল লোকের মধ্যে সংঘটিত ঘটনার জের ধরে শুক্রবার দিনভর বিভিন্ন এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে বলে জেলা পুলিশ প্রশাসনের নাম প্রকাশ অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা ও একাধিক এলাকাবাসী জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারী উপজেলা সদরের একজন ব্যবসায়ী নাম, পরিচয় প্রকাশ না করার শর্তে জানান এখানকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক বলে মনে হচ্ছে না। কি ঘটছে তা ঠিকভাবে জানা যাচ্ছে না। তবে যা ঘটছে তার চেয়ে গুজব বেশী। বিকাল সাড়ে ৫টা মিনিট থেকে রিক্সাযোগে মাইকিং করে ১৪৪ ধারা জারির খবর প্রচার করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;তিনি আরো জানান, চট্টগ্রাম-রাঙ্গামাটি সড়কের হাটহাজারী সদর এলাকায় প্রচুর ছোট ও মাঝারি গাড়ী চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। তবে সড়কে বড় গাড়ী চলাচল তেমন একটা নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারী প্রতিনিধি জিয়া চৌধুরী জানান, উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় যে কোন অনাকাংখিত ঘটনা এড়াতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। চট্টগ্রামে অবস্থানরত প্রাথমিক ও গনশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফসারুল আমিন বিকালে হাটহাজারী যান এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে উত্তেজনা নিরসনে প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয় একটি সুত্র জানায়, হাটহাজারী এলাকার সংসদ সদস্য ও জাতীয় পার্টির প্রেসিডিয়াম মেম্বার ব্যরিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ সকাল থেকে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে গিয়ে কিছু উশৃংখল মানুষের ক্ষোভের মুখে পড়েন ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয় সুত্রে জানাগেছে, তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে নন্দীরহাট এলাকায় বৃহস্পতিবার হিন্দু সম্প্রদায়ের সাথে মুসলমানদের কয়েক দফা সংঘর্ষ, হামলা-পাল্টা হামলার ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহষ্পতিবার হাটহাজারীর ফতেপুর ইউনিয়নে মসজিদ ভাংচুরের ঘটনার জের ধরে সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে দফায় দফায় সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়েছে বলে জানা গেছে। সংঘর্ষে উভয়পক্ষের অন্তত ১৫জন আহত হয়েছে বলে জানা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনতে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ সহ জেলা পুলিশের সদস্যরা মাঠে রয়েছে। হাটহাজারী আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিষ্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা স্থাপনের চেষ্টা চালানোর সময় বিক্ষোভকারীদের হাতে লাঞ্চিত হন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুত্র জানায়, শুক্রবার সকাল থেকে স্থানীয় এলাকাবাসীরা চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাংগামাটি মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। এসময় অবরোধ কারীরা সড়কে চলমান বেশ কয়েকটি যানবাহন ভাংচুর করে বলে জানা যায়। এতে করে মহাসড়কের শতশত যানবাহন আটকা পড়ে। হিন্দুরা মুসলমানদের মসজিদ ভাংচুর করেছে এই খবর প্রচার হলে হাটহাজারীর অন্যান্য ইউনিয়নেও উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। এসময় বিক্ষোভকারীরা নন্দীর হাটসহ হাটহাজারী সদরের বিভিন্ন জায়গায় ভাংচুর চালায়। সংঘর্ষ চলাকালে সংখ্যালঘুদের বেশ কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীরা বিভিন্ন হিন্দু সম্প্রদায়ের যুবকরা কয়েকটি মসজিদে ভাংচুর চালায় বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সুত্র জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটহাজারী উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়নের নন্দীরহাটস্থ লোকনাথ মন্দির এর বর্ষর্পুতি উপলক্ষে মন্দিরের পূর্নাথীদের একটা র‌্যালী এলাকা প্রদক্ষিনে বের হয়। র‌্যালীটি স্থানীয় কাজীপাড়া জামে মসজিদ এলাকায় পৌছলে মসজিদের মুসল্লীরা নামাজ চলাকালে ঢোল বাদ্য বাজাতে নিষেধ করে। এ নিয়ে মুসল্লিদের সাথে হিন্দু পূর্নাথীদের বাদানুববাদের একপর্যায়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে উভয়পক্ষ হাতাহাতিতে লিপ্ত হয়। এসময় র‌্যালীতে থাকা হিন্দুদের বিভিন্ন প্রতিমা এবং মসজিদের জানালার কাচ ভাংচুর করা হয়। এক পর্যায়ে হাটহাজারী মডেল থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে নিয়ে আসে এবং উভয়পক্ষকে নিয়ে একটি সমঝোতা বৈঠকের প্রস্তাব দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;লোকনাথ মন্দির যুবসংঘের সাধারণ সম্পাদক রুপক দাশ জানান স্থানীয় প্রভাবশালী মহলের উস্কানীতে মন্দিরে হামলা চালানো হয়েছে।&lt;br /&gt;হাটহাজারী ইসলামী ঐক্যজোটের নেতা মাওলানা নাছির উদ্দিন মুনিরী জানান, মসজিদ ভাংচুরের ঘটনায় জড়িতদের গ্রেফতার করা না হলে আরো অবরোধ অব্যাহত থাকবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.inbworld.net/details.php?cid=23&amp;amp;id=18786"&gt;inbworld.net&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5221933350033463070?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5221933350033463070/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5221933350033463070&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5221933350033463070'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5221933350033463070'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_9160.html' title='হাটহাজারীতে দফায় দফায় সংঘর্ষ : ১৪৪ ধারা জারী'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-hqp3rqLKk04/TzaQ26H2ZlI/AAAAAAAAATE/-2_UL8S94CU/s72-c/hathazari-chittagong-hindu-temple-destroyed-by-muslim-inbworld-1.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-6599528454777642913</id><published>2012-02-11T07:46:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T07:48:18.760-08:00</updated><title type='text'>হাটহাজারীতে মসজিদ ভাঙচুর, ১৪৪ ধারা জারি</title><content type='html'>হাটহাজারী সংবাদদাতা :: তুচ্ছ ঘটনার রেশ ধরে ফতেয়াবাদের নন্দির হাট এলাকার কাজি পাড়া জামে মসজিদে ঢিল মারা ও মন্দির ভাঙচুর করাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষে চট্টগ্রামের হাটহাজারী রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়ায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। সংঘর্ষে হাটহাজারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপারসহ আহত হয়েছে প্রায় ৩৫ জন। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। এই সময় উশৃংখল জনতা বেশ কয়েকটি মন্দিরে ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি রুটের বিভিন্ন স্পটে ব্যারিকেট দেয়।  তবে এই বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের কেউই মুখ খুলছে না&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, শুক্রবার উপজেলার ফতেয়াবাদের সনাতন ধর্মাবলম্বীরা তুচ্ছ ঘটনার রেশ ধরে নামাজের সময় ফতেয়াবাদের নন্দির হাট এলাকার কাজি পাড়া জামে মসজিদে ঢিল মারা ও মসজিদ ভাঙচুর করাকে কেন্দ্র করে পুলিশ-জনতার সংঘর্ষ বাধে। দুপুর থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত চলে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় জনতার ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া। আর এই ধাওয়া পাল্টা ধাওয়া এক পর্যায়ে সংঘর্ষে রূপ নেয়। আর এই সংঘর্ষে হাটহাজারী সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ (বিপিএম) আহত হয়েছেন প্রায় ৩৫ জন। ঘটনা নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় এক শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। এর আগে স্থানীয় উশৃংখল জনতা জুমার নামাজ শেষ করে উপজেলার হাটহাজারী বাজার, বাসষ্টেশন, মদনহাট, ইসলামীয়া হাট, নন্দির হাট ও ধোপার দীঘির পাড়া এলাকায় জড়ো হয়ে এই ঘটনার প্রতিবাদে চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি সড়ক অবরোধ করে উক্ত ঘটনার জন্য প্রতিবাদ করতে শুরু করে। এরমধ্যে এক পর্যায়ে উশৃংখল জনতা নন্দিরহাট এলাকা ও হাটহাজারী সদর এলাকার বেশ কয়েকটি মন্দিরে ভাঙচুর, লুটপাট, অগ্নিসংযোগর মত ঘটনা ঘটে। এই সময় চট্টগ্রাম-খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামটি সড়কে যান চলাচল প্রায় আট ঘন্টা বন্ধ ছিল। এতে দুর্ভোগে পড়তে হয় শত শত পর্যটকসহ কয়েক হাজার সাধারণ জনগণকে। তবে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে উদ্ভুদ্ধ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে উক্ত এলাকা গুলোতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়। এ ছাড়া এলাকাগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়ন করা হয়। তবে এই রির্পোট লেখা পর্যন্ত এলাকার থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://ukbdnews.com/chittagongdivision/50489-2012-02-10-17-03-06.html"&gt;ইউকে বিডি নিউজ&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-6599528454777642913?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/6599528454777642913/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=6599528454777642913&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6599528454777642913'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6599528454777642913'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_5136.html' title='হাটহাজারীতে মসজিদ ভাঙচুর, ১৪৪ ধারা জারি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5693204042961565859</id><published>2012-02-11T07:00:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T07:03:52.283-08:00</updated><title type='text'>জামায়াত শিবির জঙ্গীদের নতুন চাল ॥ সাম্প্রদায়িক উস্কানি</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;যুদ্ধাপরাধী বিচার ঠেকাতে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শংকর কুমার দে ॥ যুদ্ধাপরাধীর বিচার ঠেকাতে এবার সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও সংঘাত সৃষ্টির পরিকল্পনা নিয়েছে জামায়াত শিবির ও জঙ্গীরা। সারাদেশে সাম্প্রদায়িক সংঘাত ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টার অংশ হিসাবে চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকাকে বেছে নিয়েছে তারা। পাকিস্তানী আমলের ধর্মীয় উন্মাদনার সাম্প্রদায়িক সংঘাতের সেই পুরানো কৌশলকে বেছে নিয়েছে জামায়াত শিবির ও জঙ্গীরা। গোয়েন্দা সংস্থা ও পুলিশের উচ্চ পর্যায় সূত্রে এ খবর জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র জানিয়েছে, গ্রেনেড, বোমা হামলা, নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড, আইনশৃক্সখলা বাহিনীর ওপর হামলা করাসহ সকল চেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পর সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টির পথ বেছে নিয়েছে জামায়াত শিবির ও জঙ্গীরা। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সঙ্গে ছাত্র শিবিরের রক্তক্ষয়ী সহিংসতার পর জামায়াত শিবির চট্টগ্রামে হরতাল দিয়ে জনগণের কাছ থেকে কোনরূপ সাড়া না পেয়ে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও সংঘাত সৃষ্টির পথ বেছে নিয়েছে। চট্রগ্রামের হাটহাজারীর নন্দিরহাটে জামায়াত শিবির ও জঙ্গীরা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা, মন্দির ও মূর্তি ভাংচুর করে সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক ব়্যাব ও পুলিশ নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়েছে বলে জানা গেছে। পুলিশের আইজি হাছান মাহমুদ খন্দকারের সঙ্গে শুক্রবার সন্ধ্যায় যোগাযোগ করে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নন্দিরহাটের ঘটনা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা কিনা জানতে চাইলে তিনি জানান, এই মুহ’র্তে কোন মন্তব্য করবেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ সদর দফতরের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চট্টগ্রাম ও আশপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক র‌্যাব ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে। শুক্রবার সন্ধ্যায় পরিস্থিতি তাদের নিয়ন্ত্রণে এসেছে বলে জানানো হয়েছে।&lt;br /&gt;গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা বলেছেন, জামায়াত শিবিরের ক্যাডার ও জঙ্গীরা একটি মসজিদে জড়ো হয়েছিল। মসজিদ থেকে বের হয়ে সংখ্যালঘুদের একটি মহোৎসবের মিছিলে প্রথমে হামলা করে। তারপর লোকনাথ ব্রহ্মচারীর আশ্রমসহ বিভিন্ন মন্দিরে আক্রমণ করে মূর্তি ভাংচুর করেছে। জামায়াত শিবির সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর জন্য পূর্ব পরিকল্পিতভাবে চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নন্দিরহাটের ঘটনা ঘটিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, পাকিস্তান আমলে ভিন্ন খাতে দৃষ্টি প্রবাহিত করার জন্য সরকার সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, নির্যাতন, ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান, মন্দির ও মূর্তি ভাংচুর করার কৌশল বেছে নিত। এখন আবার জামায়াত শিবির সেই পাকিস্তানী আমলের কায়দায় যুদ্ধাপরাধীর বিচারের প্রক্রিয়ার দৃষ্টিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভেঙে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর কৌশল বেছে নিয়েছে। এ জন্য তারা বেছে নিয়েছে শুক্রবার জুমার দিনটিকে। জুমার দিনে একটি মসজিদ জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীরা আগে থেকে ওঁৎ পেতে ছিল। চট্টগ্রামের হাটহাজারী থানা এলাকার নন্দির হাটের মসজিদ থেকে বের হয়ে তারা সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা করে সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা বাধানোর চেষ্টা করেছে।&lt;br /&gt;সারাদেশে জামায়াত-শিবিরের নেতৃত্বে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠনের জঙ্গীদের সংগঠিত করে নাশকতার চেষ্টা অব্যাহত আছে। যুদ্ধাপরাধীর বিচার বানচাল করতে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাহ্্রীর, জেএমবি, হুজির পলাতক জঙ্গীদের সংগঠিত করছে জামায়াত-শিবির। তাদের তৎপরতা সম্প্রতি বেড়ে গেছে। তারা নাশকতা, ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড, বিশৃক্সখলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টির চেষ্টা করার পর এখন সাম্প্রদায়িক সংঘাতের পথ বেছে নিয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ও ছাত্র শিবিরের মধ্যকার রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গীরা ছাত্র শিবিরের পক্ষে ব্যবহৃত হয়েছে। ছাত্র শিবিরের ক্যাডাররা নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠনের জঙ্গীদের সঙ্গে নিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি হলে হামলা চালিয়ে ছাত্রলীগের কর্মীদের বের করে দেয়ার সময়ে নির্মমভাবে পিটিয়েছে। ছাত্রলীগের কর্মীরা খবর পেয়ে পাল্টা হামলা চালালে ছাত্র শিবিরসহ জঙ্গীরা পিছু হটে যায়। দুই পক্ষেই হতাহত হওয়ার পর দিন জামায়াত-শিবির চট্টগ্রামে হরতালের ডাক দেয়। হরতালে জনগণের সাড়া না পেয়ে এবার চট্টগ্রামেই সাম্প্রদায়িক সংঘাত সৃষ্টির পরিকল্পনা অনুযায়ী সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগামের হামলার আগে গত সোমবার খোদ রাজধানীর মিরপুরে মিছিল করে নাশকতার চেষ্টা করেছে জামায়াত-শিবির। রাজধানীর মিরপুরে মিছিল করার সময় ১৫ শিবির কর্মীকে গ্রেফতার করে রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গী সংগঠন হিযবুত তাহরীর, জেএমবি ও হুজির জঙ্গীরা জামায়াত-শিবিরের ব্যানারে মিটিং-মিছিল করছে। রাজধানী ছাড়াও সারাদেশে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গীদের জামায়াত-শিবির সংগঠিত করছে বলে তারা জিজ্ঞাসাবাদে জানিয়েছে। জামায়াতÑশিবির ও জঙ্গিরা সংগঠিত হয়ে অস্ত্র ও গোলাবারুদ মজুদ করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরে বাতিল করা গণমিছিলের ভেতর থেকে আইনশৃংখলা বাহিনীর ওপর হামলা করেছে জামায়াত-শিবিরের ক্যাডার ও জঙ্গীরা। চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুরের ঘটনার একদিন পর রাজশাহীতে ছাত্র শিবিরের ব্যানারে জঙ্গীরা পুলিশের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। এতে রাজশাহী, লক্ষীপুর, চাঁদপুরে পাঁচজন নিহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ সদর দফতরের নির্দেশে গঠিত ৪টি তদন্ত কমিটি বর্তমানে এসব ঘটনা তদন্ত করছে। তদন্ত সম্পন্ন না হতেই জামায়াত-শিবির চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নন্দিরহাটের সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ওপর হামলা করে সাম্প্রদায়িক উত্তেজনা ও সংঘাত সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। পুলিশ, ব়্যাব, গোয়েন্দা সংস্থাসহ আইনশৃংখলা বাহিনী পরিস্থিতি কঠোর হস্তে দমন করায় জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীদের সেই চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গোয়েন্দা সংস্থার এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, চট্টগ্রামের হাটহাজারীর নন্দিরহাটের সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা এবং তাদের মন্দির ও মূর্তি ভাঙার ব্যাপারে সরকারের উচ্চ পর্যায়ে প্রাথমিক প্রতিবেদন দেয়া হয়েছে। প্রাথমিক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, নন্দিরহাটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পূর্ব ঘোষিত একটি মিছিল যাচ্ছিল। এ সময়ে মসজিদের ভেতরে ওঁৎ পেতে থাকা জামায়াত-শিবির ও জঙ্গিরা মসজিদের ভেতর থেকে বের হয়ে সংখ্যা লঘু সম্প্রদায়ের মিছিলে হামলা করে। জামায়াতী ও জঙ্গীরা ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে নন্দিরহাটে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বাড়িতে, মন্দিরে হামলা করেছে। মন্দিরের মূর্তি ও ছবি ভাংচুর করেছে তারা। তাৎক্ষণিক কোন ঘটনা হলে ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে আক্রমণ-হামলা করতো না। জামায়াত-শিবির ও জঙ্গিদের পূর্ব পরিকল্পনা বলেই ঘণ্টার পর ঘণ্টা ধরে আক্রমণ ও হামলার ঘটনা ঘটেছে। তবে জামায়াত-শিবির ও জঙ্গীরা যত চেষ্টাই করুক না কেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট হতে দেয়া হবে না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2012-02-11&amp;amp;ni=86252"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5693204042961565859?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5693204042961565859/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5693204042961565859&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5693204042961565859'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5693204042961565859'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_6604.html' title='জামায়াত শিবির জঙ্গীদের নতুন চাল ॥ সাম্প্রদায়িক উস্কানি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5558436502442994447</id><published>2012-02-11T06:53:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T07:00:27.857-08:00</updated><title type='text'>তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারি, বিজিবি মোতায়েন ॥ জামায়াতী ইন্ধনের অভিযোগ, পুরো পরিস্থিতি উস্কে দেয় একটি কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ নিজস্ব সংবাদদাতা, ফটিকছড়ি ॥ চট্টগ্রামের হাটহাজারী উপজেলার নন্দিরহাট এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুই সম্প্রদায়ের উগ্র একশ্রেণীর মানুষের কারণে এলাকায় মসজিদে ইটপাটকেল নিক্ষেপ ও মন্দিরে হামলার ঘটনা ঘটেছে। ভাংচুর হয়েছে প্রতিমা। এ ঘটনায় পুলিশসহ ১২ জন আহত হয়েছে। শুক্রবার জুমার নামাজের পর পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটার অবস্থা সৃষ্টি হলে বিকেল থেকে হাটহাজারী সদর এলাকায় জেলা প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে। এর আগে সকালের পর থেকে নন্দিরহাটের আগের স্থান ইসলামিয়াহাট থেকে মহাসড়কের তিনটি স্থানে অবরোধ সৃষ্টি করা হয়।&lt;br /&gt;হাটহাজারীর নন্দিরহাটে দুই সম্প্রদায়ের লোকজনের মাঝে সৃষ্ট উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে সন্ধ্যা থেকে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। এর পর থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে সৃষ্ট ব্যারিকেড। ফলে চট্টগ্রামের সঙ্গে দুই পার্বত্য জেলার পুনরায় যোগাযোগ শুরু হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অপরদিকে মন্ত্রী আফসারুল আমীনের নেতৃত্বে প্রশাসনের শীর্ষ কর্মকর্তারা বিকেলে হাটহাজারী বড় মাদ্রাসায় বৈঠক করেন। এর পরে রাতে লোকনাথ আশ্রমের নেতৃবৃন্দের সঙ্গে বৈঠক শুরু করেন। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বৈঠক চলছিল। বৈঠকে চট্টগ্রামের জেলা প্রশাসক, সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, জেলা পরিষদ প্রশাসক এমএ সালাম, পুলিশ সুপার জেডএ মোরশেদসহ প্রশাসনের উর্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে পরিস্থিতি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে ও শান্ত রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে শুক্রবার বিকেলে উচ্ছৃক্সখল জনতা হাটহাজারীর বিভিন্ন এলাকায় ৩টি মন্দির, ১টি খাবার দোকান, ৪টি স্বর্ণের দোকানে হামলা চালিয়ে ভাংচুর এবং লুটতরাজ চালায়। মন্দিরগুলো হচ্ছে মুদ্দেস্বরী মন্দির, কালীবাড়ি মন্দির এবং জগন্নাথ মন্দির। অপরদিকে ব্রাহ্মণপাড়ায় ৪টি বসতঘরে আগ্নিসংযোগ করার খবর পাওয়া গেছে। গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী আফছারুল আমীন, ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ এমপি, জেলা, উপজেলা ও পুলিশ প্রশাসন স্থানীয় নেতৃবৃন্দের নিয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় এ ব্যাপারে বৈঠক করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম জানায়, স্থানীয় অনেকেই বলছেন, জামায়াতে ইসলামী এই ঘটনায় ইন্ধন দিচ্ছে।&lt;br /&gt;মন্দির ভাংচুরের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে অস্থির করতে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ সালাম। আওয়ামী লীগের এ নেতা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পর জামায়াত-শিবির পরিস্থিতি অস্থির করতে ইন্ধন যোগাচ্ছে।’&lt;br /&gt;হাটহাজারীর নন্দীরহাট থেকে তিন কিলোমিটার দূরের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে দুই ছাত্র নিহত হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবারের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবেলায় হাটহাজারী এলাকায় যথেষ্ট সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি বলে মনে করেন সালাম। হাটহাজারী থানা বিএনপির সভাপতি এসএম ফজলুল হক পরিস্থিতির অবনতির জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, প্রশাসন শুরু থেকে তৎপর থাকলে পরিস্থিতি এত দূর গড়াত না। এলাকায় সম্প্রীতি রক্ষায় বিএনপির সব নেতাকর্মীকে কাজ করতে বলা হয়েছে জানিয়ে ফজলুল বলেন, এখন সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয় ও প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্রে জানানো হয়, ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার দুপুরে। স্থানীয় শ্রী শ্রী লোকনাথ আশ্রমের বার্ষিক মহোৎসব উপলক্ষে একটি ব়্যালি বের করে আশ্রমেরভক্তরা। এ র‌্যালিটি হাজীপাড়া এলাকার একটি মসজিদের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় ধুলোবালি উড়া এবং ঢোল বাজানোকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে কথা কাটাকাটি ও হাতাহাতি হয়। এ ঘটনার পর বিকেলে পুলিশের উপস্থিতিতে একটি সমঝোতা বৈঠক হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। কিন্তু সন্ধ্যা সাতটার পর এলাকার একদল যুবক লোকনাথ আশ্রমে গিয়ে হামলা চালায়। সেখানে মহোৎসবের জন্য তৈরি করা মঞ্চ, মূর্তি এবং মন্দিরের ভিতরে ভাংচুর করে দুর্বৃত্তরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবর পেয়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ যায় ঘটনাস্থলে। পুলিশ দু’প¶কেই শান্ত থাকার নির্দেশ দিলে রাতে আর কোন ঘটনা ঘটেনি। পরে শুক্রবার সকালে স্থানীয় মুসল্লিরা অভিযোগ করেন, লোকনাথ আশ্রমেরভক্তরা মসজিদের দেয়াল ভেঙ্গে দিয়েছে। এ অভিযোগ তুলে তারা সকাল এগারোটার দিকে চট্টগ্রাম-নাজিরহাট সড়কে ব্যারিকেড দেয়। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চালালেও সফল হননি। পরে পুলিশ গিয়ে ব্যারিকেড তুলে দিলেও জুমার নামাজের পর তারা আবার রাস্তায় নেমে আসে। একপর্যায়ে বেলা আড়াইটার দিকে তারা হামলা চালায় নন্দিরহাট এলাকার একটি মন্দিরে। এ সময় পাশের একটি মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয় উগ্র যুবকরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ খবর ছড়িয়ে পড়লে পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। নন্দিরহাট, ছড়ারকুল, ফতেয়াবাদ, ইসলামিয়াহাট এলাকায় দু’পক্ষের শত শত মানুষ জড়ো হতে থাকে। চলতে থাকে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া। এ ঘটনায় পুলিশের হাটহাজারী সার্কেলের এএসপি বাবুল আখতার এবং ৫ পুলিশসহ অন্তত ১২ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এদিকে, এ ঘটনার জের ধরে হাটহাজারী সদরে বড় মাদ্রাসার পাশে একটি মন্দিরে হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। পরে বিকেলে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সামান্য ব়্যালি নিয়ে ঘটনা ঘটেছে বলে বলা হলেও এ ঘটনার পিছনে অন্য কোন পক্ষের ইন্ধন আছে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কেননা, যে মসজিদকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটেছে তার আশাপাশে একটি মৌলবাদী সংগঠনের লোকজনের বসবাস আছে। এলাকার লোকজন বলেছে, লোকনাথ আশ্রমে অনেকদিন ধরে মহোৎসব হয়ে আসলেও কখনই এমন ঘটনা ঘটেনি। তাছাড়া মুসল্লি হিসেবে যারা হামলায় অংশ নিয়েছে তার মধ্যে এলাকার বাইরের অনেক লোকজন ছিল বলে প্রত্য¶দর্শীরা জানিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারী উপজেলার নন্দীরহাটে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতির একপর্যায়ে মসজিদে ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং বৃহস্পতিবার রাতের আঁধারে শ্রী শ্রী লোকনাথ আশ্রমে হামলা ও প্রতিমা ভাঙ্গার ঘটনা ঘটলে চরম উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। মসজিদে ইটপাটকেল নিক্ষেপের প্রতিবাদে শুক্রবার সকাল ১০টা থেকে নন্দীরহাট ধোপারদীঘি এবং ইসলামিয়াহাট এলাকার উগ্রবাদীরা মহাসড়কে অবরোধ সৃষ্টি করে। উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার থেকে লোকনাথ আশ্রমে দু’দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। বৃহস্পতিবার দুপুর দেড়টার দিকে বাদ্যযন্ত্রসহকারে মহোৎসবের র‌্যালি নিয়ে যাওয়ার সময় স্থানীয় কাজীপাড়া মসজিদে জোহরের নামাজ চলছিল। এ অবস্থায় কয়েক মুসল্লি বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখার অনুরোধ জানালেও তা উপস্থিত হওয়ায় উত্তেজনার সূত্রপাত হয়। এতে দু’পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি শুরু হলে আবুল কালাম, আজিজুল ইসলাম ও মামুন নামের তিন যুবক আহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। আশ্রমের অনুষ্ঠান কার্যক্রমও স্বাভাবিক রাখার প্রয়াস নেয়া হয়। কিন্তু শুক্রবার মুসলিম সম্প্রদায়ের উগ্র কিছু যুবক আবারও বিভিন্ন মন্দিরে হামলার উদ্যোগ নিলে পরিস্থিতি অবনতি ঘটে। হাটহাজারী সদর এলাকার একটি মন্দিরেও হামলা চালায় কিছু যুবক। এছাড়া সদর এলাকার একটি মার্কেটের দোকানপাটও লুট হয়। এ অবস্থায় সন্ধ্যা থেকে মাইকিং করে হাটহাজারী সদর এলাকায় অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করে প্রশাসন। শুক্রবার বিকেল ৫টা থেকে ১৪৪ ধারা বলবত রয়েছে। জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহমেদ তাঁর নিজ ক্ষমতাবলে ১৪৪ ধারা জারি করেছেন বলে জনকণ্ঠকে জানান। এলাকায় পরিস্থিতি থমথমে রয়েছে। দুপুরের পর প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ডা. আফছারুল আমীন এমপি ঘটনাস্থলে গিয়ে সেখানে অবস্থান করছিলেন। এছাড়া চট্টগ্রাম শহর এলাকার বিভিন্ন নেতৃবৃন্দ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সচেষ্ট হন। ঘটনার ব্যাপারে কয়েকটি সূত্রে জানানো হয়েছে, এলাকার মৌলবাদী সংগঠন সমর্থক কিছু যুবক পরিস্থিতির অবনতি ঘটাতে বিভিন্ন মন্দিরে হামলা চালিয়েছে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নেতৃবৃন্দের একটি সূত্র জানায়, স্থানীয় একটি কওমী মাদ্রাসার ছাত্ররা লোকনাথ আশ্রমের মহোৎসবের মিছিলের ধুলোবালি এবং বাদ্যবাজনা মসজিদের পবিত্রতা নষ্ট করেছে দাবি করে পুরো পরিস্থিতিকে উস্কে দিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে সোনারগাঁ বারুদী ব্রহ্মচারী আশ্রমের সেক্রেটারি সাংবাদিক শংকর কুমার দে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং দোষী ব্যক্তিদের শাস্তির দাবি করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;প্রতিবাদে ঢাকায় মানববন্ধন&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;পূজা উদ্যাপন পরিষদের&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;এ ঘটনার প্রতিবাদে শুক্রবার বিকেলে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে বাংলাদেশ পূজা উদ্যাপন পরিষদের উদ্যোগে এক মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। কাজল দেবনাথের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সেক্টর কমান্ডার মেজর জেনারেল (অব) সিআর দত্ত বীরউত্তম, লে. কর্নেল সি কে দাস, মঙ্গল চন্দ্র ঘোষ, বীরেশ চন্দ্র সাহা, সুকুমার চৌধুরী, এ্যাডভোকেট তাপস পাল, নির্মল চ্যাটার্জী, দ্বীপেন চ্যাটার্জী, উৎপল রায়, ভাস্কর চৌধুরী, বিধুভূষণ গোস্বামী, প্রদীপ দাস প্রমুখ। তারা অবিলম্বে মন্দির ভাংচুরের ঘটনায় উগ্র সাম্প্রদায়িক শক্তিকে প্রতিহত করার জন্য দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান এবং সন্ত্রাসীদের শাস্তি দাবি করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়া বাংলাদেশ সনাতন ধর্মীয় সম্মিলিত পরিষদের আহ্বায়ক ব্রিগেডিয়ার জয়ন্ত কুমার সেনের সভাপতিত্বে এক প্রতিবাদসভা শুক্রবার সংগঠনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সভায় সাম্প্রদায়িকগোষ্ঠী কর্তৃক চট্টগ্রামের ফতেয়াবাদের লোকনাথ মন্দিরসহ বিভিন্নস্থানে মন্দিরে হামলা-ভাংচুর-অগ্নিসংযোগ ও সংখ্যালঘুদের বাসায় বাসায় হামলার তীব্র নিন্দা জানানো হয়। সাম্প্রদায়িকগোষ্ঠীর আশীর্বাদপুষ্ট দুষ্কৃতকারীদের অবিলম্বে গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করার জোর দাবি জানানো হয়। বলা হয়, প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে আমাদের দাবি- অবিলম্বে দুষ্কৃতকারীদের গ্রেফতার করে অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার বিরোধীদের শাস্তির ব্যবস্থা করুন। বক্তারা আরও বলেন, মানবতাবিরোধী যুদ্ধাপরাধীদের বিচার প্রক্রিয়া চলাকালে তা বাধাগ্রস্ত করার অশুভ উদ্দেশ্যে দেশে নানা অজুহাতে বিশৃংখলা ও নৈরাজ্য সৃষ্টি করার পাঁয়তারার বিরুদ্ধে সরকার তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ গ্রহণ না করলে দেশে খারাপ পরিস্থিতির সৃষ্টি হতে পারে। তাই চট্টগ্রামের এই নারকীয় হামলা-ভাংচুর, মন্দির ও হিন্দুদের আবাসিক এলাকায় চরম নৈরাজ্যকর ও আতঙ্কজনক পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রশাসন তথা সরকারকে দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানানো হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন অধ্যাপক হীরানাথ বিশ্বাস, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব অরুণ সরকার রানা, সংগঠনের সদস্য সচিব দিলীপ ভদ্র, এ্যাডভোকেট জে.কে. পাল, উত্তম দাস, দেবোপ্রত দেবু, এ্যাডভোকেট তপন রায়চৌধুরী, এ্যাডভোকেট প্রবাস তন্ত্রী, দিলীপ দাশগুপ্ত, সুভাষ বড়াল, বিজন ভৌমিক প্রমুখ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2012-02-11&amp;amp;ni=86255"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5558436502442994447?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5558436502442994447/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5558436502442994447&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5558436502442994447'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5558436502442994447'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_5033.html' title='তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্টের চেষ্টা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2306034759288303962</id><published>2012-02-11T06:39:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T06:50:45.258-08:00</updated><title type='text'>হাটহাজারীতে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের পর ১৪৪ ধারা</title><content type='html'>ভোরের কাগজ / প্রথম পাতা : ১১/০২/২০১২&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম অফিস ও হাটহাজারী প্রতিনিধি : চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতকাল শুক্রবার দুই গ্রামবাসীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উপজেলার নন্দিরহাট ও আশপাশের অন্তত এক কিলোমিটার এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় ১৪৪ ধারা জারি করেছে প্রশাসন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে দুপক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলাকালে একটি অংশ রাস্তার ওপর ব্যারিকেড দিয়ে নামাজ আদায় করলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়। এতে হাটহাজারী, রাউজান, ফটিকছড়ি, রাঙ্গামাটি ও খাগড়াছড়ি সড়কের হাজারো যাত্রীকে অবর্ণনীয় দুর্ভোগ পোহাতে হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকায় বিপুল সংখ্যক র‌্যাব-পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় এখনো উত্তেজনা বিরাজ করছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত বিকালের পর চট্টগ্রাম-হাটহাজারী সড়কের ব্যারিকেড তুলে দিলে যানচলাচল স্বাভাবিক হয়। দুপক্ষের মধ্যে সমঝোতা করতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আফসারুল আমীন ও মহানগর আওয়ামী লীগ সভাপতি এ বি এম মহিউদ্দিন চৌধুরী এলাকায় অবস্থান করছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান এম এ সালাম বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পর পরিস্থিতি ঘোলাটে করতে তৃতীয় একটি পক্ষ এই ঘটনা ঘটাতে পারে। এতে জামাত-শিবিরের হাত থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উভয় পক্ষের সংঘাতে অন্তত ২০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ প্রায় শতাধিক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জেলা প্রশাসক ফয়েজ আহমদ সাংবাদিকদের বলেছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতিতে হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। কোথাও বেশি মানুষ জড়ো হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.bhorerkagoj.net/new/2012/02/11/40200.php"&gt;ভোরের কাগজ&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2306034759288303962?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2306034759288303962/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2306034759288303962&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2306034759288303962'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2306034759288303962'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_3373.html' title='হাটহাজারীতে দুই গ্রামবাসীর সংঘর্ষের পর ১৪৪ ধারা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-8218949915577422977</id><published>2012-02-11T06:35:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T06:39:05.621-08:00</updated><title type='text'>হাটহাজারীতে ভাংচুরের ঘটনায় উত্তেজনা :১৪৪ ধারা জারি</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-QyPpeG_iTBM/TzZ9QzMmcHI/AAAAAAAAAS4/5Rf0VBdr0U4/s1600/hathajari-hindu-riot-meeting-mp-minister11feb12.jpeg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 250px; height: 127px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-QyPpeG_iTBM/TzZ9QzMmcHI/AAAAAAAAAS4/5Rf0VBdr0U4/s320/hathajari-hindu-riot-meeting-mp-minister11feb12.jpeg" alt="চট্টগ্রাম হাটহাজারি হিন্দু লোকনাথ মন্দির ভাংচুর আগুন এমপি মন্ত্রী মিটিং" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5707887305313120370" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;শুক্রবার রাতে বৈঠকে বসেন মন্ত্রী, এমপি ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;সমকাল চট্টগ্রাম ব্যুরো/হাটহাজারী প্রতিনিধি&lt;br /&gt;তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে শুক্রবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে তুলকালাম কাণ্ড ঘটেছে। হাজারো লোক ভাংচুর, হামলা ও লুটপাট চালিয়েছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে প্রশাসন অনির্দিষ্টকালের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করেছে হাটহাজারী সদর এলাকায়। শুক্রবার রাতে ঘটনাস্থলে চট্টগ্রামের রাজনৈতিক নেতা, ব়্যাব, পুলিশ, স্থানীয় সাংসদ ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে বৈঠক করেন। গত রাতে সিদ্ধান্ত হয়, আগামী ১৫ দিন পর্যন্ত হাটহাজারীর ঘটনায় সংশ্লিষ্ট এলাকায় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ মোতায়েন থাকবে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়ানোর জন্য সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে অনেকে বলেছেন, উদ্ভূত পরিস্থিতির পেছনে জামায়াত-শিবিরের ইন্ধন রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার সূত্রপাত হয় বৃহস্পতিবার দুপুরে হাটহাজারীর নন্দীরহাট এলাকায়। নন্দীরহাটের লোকনাথ আশ্রমে উৎসব চলছিল। উৎসব চলাকালে কে বা কারা ওই এলাকায় থাকা একটি মসজিদে দুটি পাথর ছুড়ে মারে। পাথর ছোড়াকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে এলাকার কতিপয় লোক সংঘবদ্ধ হয়ে মন্দির ও প্রতিমা ভাংচুর করে। ফলে এলাকায় গোলযোগ ছড়িয়ে পড়ে। উত্তেজিত উভয়পক্ষের লোকজনের মধ্যে সংঘর্ষ বাধলে পুলিশ এসে তা নিয়ন্ত্রণ করে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকের পর এলাকা শান্ত হয়ে আসে। কিন্তু শুক্রবার সকালে এলাকার কিছু লোক গুজব ছড়িয়ে নন্দীরহাট এলাকায় রাস্তায় ব্যারিকেড দেয়। ফলে আটকে যায় শত শত গাড়ি। ব্যারিকেড দেওয়ার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়। পুলিশের হস্তক্ষেপে ব্যারিকেড তোলার জন্য যখন তৎপরতা চলছিল তখন হাটহাজারী সদরে ঘটে যায় অপ্রীতিকর ঘটনা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগের ঘটনার জের ধরে জুমার নামাজের পর হাজারো মানুষ জড়ো হয়ে হাটহাজারী অবরোধে যোগ দেয় এবং ভাংচুর চালায়। এ সময় বিভিন্ন দিক থেকে অচেনা লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে ভাংচুর করে। একপর্যায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। অজ্ঞাতপরিচয় যুবকের তাণ্ডবের কারণে কেউ এগুলো রক্ষা করতে এগিয়ে আসেনি। প্রায় ছয় ঘণ্টা ধরে তাণ্ডব চলে। একপর্যায়ে হাটহাজারী বাজারে এসে দোকানপাট লুটপাট করে। অনেক দোকানে আগুনও ধরিয়ে দেয়। আতঙ্কে লোকজন এলাকা ছেড়ে দূরে চলে যেতে বাধ্য হয়। রাতে বিজিবি, র‌্যাব উপস্থিত হলে এলাকা ছেড়ে যায় অজ্ঞাতপরিচয় লোকজন। বিডিনিউজ জানায়, উদ্ভূত পরিস্থিতিকে অস্থির করতে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ সালাম।&lt;br /&gt;এরই মধ্যে অভিযোগ ওঠে, হাটহাজারীতে অবস্থিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার সংঘটিত ঘটনায় দুই শিবির কর্মী নিহত হওয়ার প্রতিশোধ নিতে জামায়াত-শিবির পরিকল্পিতভাবে এ ঘটনা ঘটিয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ থাকার কারণে ইসলামী ছাত্রশিবিরের শত শত নেতাকর্মী বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের গ্রামগুলোতে অবস্থান করছে। তারাই এলাকার সম্প্রীতি নষ্ট করতে গ্রামবাসীকে নেপথ্যে থেকে উসকে দিতে পারে বলে ধারণা করছে পুলিশ। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে প্রশাসন। কারণ হাটহাজারীর ফতেয়াবাদ এলাকায় কোনো দিন সম্প্রীতি বিনষ্টের ঘটনা ঘটেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তবে ঘটনার সঙ্গে জামায়াত কোনোভাবে জড়িত নয় বলে দাবি করেন নগর জামায়াতের আমির মাওলানা সামশুল ইসলাম এমপি। তিনি সমকালকে বলেন, মিথ্যা-ভিত্তিহীন অভিযোগ করে বিষয়টিকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা চলছে। এ ঘটনার পেছনে জড়িত কারা, তাদের খুঁজে বের করার দায়িত্ব সরকারের। তবে সবচেয়ে বড় কাজ, এর জের ধরে যাতে অন্যত্র অপ্রীতিকর ঘটনা ছড়িয়ে না পড়ে, সে ব্যবস্থা করা। এ ধরনের ঘটনায় তিনি নিজেও উদ্বিগ্ন বলে সমকালের কাছে উল্লেখ করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনাস্থল থেকে সমকালের হাটহাজারী প্রতিনিধি জানান, শুক্রবার সকালে চারদিকে গুজব ছড়িয়ে পড়ে। সেই গুজবকে কেন্দ্র করে সকাল সাড়ে ১০টায় নন্দীরহাট ডোপার দীঘিরপাড় এলাকায় রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে ব্যারিকেড দেয় শত শত মানুষ। বন্ধ হয়ে যায় যান চলাচল। দুর্ভোগে পড়েন খাগড়াছড়ি, রাঙামাটি পার্বত্য এলাকার শত শত যাত্রী। জুমার নামাজের পর বিভিন্ন স্থান থেকে মিছিল নিয়ে লোকজন নন্দীরহাটসহ হাটহাজারী সদরে জড়ো হতে থাকে। তারা হাটহাজারী বাজারে অবস্থিত সেবাশ্রমে আগুন লাগিয়ে দেয়। আগুন নেভাতে দমকল বাহিনীর গাড়ি এলেও বাধা দেয় তারা। এ সময় স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, উপজেলা চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মোহাম্মদ ইসমাঈল, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ ফরিদ আহমেদসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের শান্ত করার চেষ্টা করে ব্যর্থ হন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম সমকালকে বলেন, হাটহাজারীর ঘটনার সঙ্গে জড়িতরা বাইরের লোক। তাদের কেউ কখনও এলাকায় দেখেনি। তারা হঠাৎ করে জ্বালাও-পোড়াও স্লোগান দিয়ে একটি গোলযোগ বাধায়। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।&lt;br /&gt;স্থানীয় বিএনপি নেতা মাহাবুল আলম সমকালকে বলেন, এ ঘটনার সঙ্গে বিএনপি নেতাকর্মীরা জড়িত নয়। কারণ এলাকার সুনাম নষ্ট হবে_ এমন কাজ বিএনপি করবে না। তিনি বলেন, ঘটনায় যারা জড়িত ছিল তাদের সবাই বাইরের লোক। তাদের কে এনেছে বা কীভাবে এসেছে, আমরা জানি না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারী থানা বিএনপির সভাপতি এসএম ফজলুল হক পরিস্থিতির অবনতির জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন। তিনি বিডিনিউজকে বলেন, প্রশাসন শুরু থেকে তৎপর থাকলে পরিস্থিতি এতদূর গড়াত না। এলাকায় সম্প্রীতি রক্ষায় বিএনপির সব নেতাকর্মীকে কাজ করতে বলা হয়েছে জানিয়ে ফজলুল হক বলেন, এখন সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃহস্পতিবার ঘটনার পরও প্রশাসনের পক্ষ থেকে আগাম কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। শুক্রবার ঘটনাস্থলে পুলিশ ও র‌্যাব উপস্থিত থাকলেও তাদের নিষ্ক্রিয় ভূমিকা লক্ষ্য করা যায়। হাটহাজারীর ঘটনা জুমার নামাজের পর শুরু হলেও সন্ধ্যা পর্যন্ত কোনো পুলিশ দেখা যায়নি। ফলে নির্বাহী কর্মকর্তা উদ্যোগী হয়ে ১৪৪ ধারা জারির ঘোষণা দেন। সন্ধ্যায় ১৪৪ ধারা ঘোষণার পরও হাটহাজারী বাজারের বিভিন্ন দোকানে লুটপাট চলতে থাকে। সন্ধ্যা ৭টার দিকে আওয়ামী লীগ নেতা এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, মন্ত্রী আফছারুল আমীন, সিডিএ চেয়ারম্যান আবদুস সালাম, স্থানীয় সাংসদ ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ প্রশাসনের কর্মকর্তাদের নিয়ে হাটহাজারী মাদ্রাসায় বৈঠক করেন। রাত ৮টায় বর্ডার গার্ড সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছার পর হামলাকারীরা সরে যায়। রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ১৪৪ ধারা বলবৎ ছিল। পরিস্থিতি প্রশাসনের নিয়ন্ত্রণে আছে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://samakal.com.bd/details.php?news=13&amp;amp;action=main&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=234341&amp;amp;pub_no=958"&gt;দৈনিক সমকাল&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-8218949915577422977?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/8218949915577422977/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=8218949915577422977&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8218949915577422977'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8218949915577422977'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post_11.html' title='হাটহাজারীতে ভাংচুরের ঘটনায় উত্তেজনা :১৪৪ ধারা জারি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-QyPpeG_iTBM/TzZ9QzMmcHI/AAAAAAAAAS4/5Rf0VBdr0U4/s72-c/hathajari-hindu-riot-meeting-mp-minister11feb12.jpeg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2696194499156689138</id><published>2012-02-11T06:28:00.000-08:00</published><updated>2012-02-11T06:34:15.320-08:00</updated><title type='text'>মসজিদ-মন্দিরে হামলা</title><content type='html'>﻿লেখক: হাটহাজারী(চট্টগ্রাম)সংবাদদাতা  |  শনি, ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১২, ২৯ মাঘ ১৪১৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;হাটহাজারীতে ১৪৪ ধারা জারি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারীতে ভাংচুর, সড়ক অবরোধ ও অগ্নিসংযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গোটা উপজেলায় ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উপজেলা নির্বাহী অফিসার শেখ ফরিদ আহমদ গতকাল শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত উপজেলায় সকল প্রকার সভা, সমাবেশ ও জমায়েত নিষিদ্ধ ঘোষণা করে ১৪৪ ধারা জারি করেন। প্রশাসনের এই পদক্ষেপের পর চট্টগ্রাম-হাটহাজারী ও রাঙ্গামাটি সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার নন্দীরহাটে নামাজ চলাকালে একটি মসজিদের সামনে লোকনাথ ব্রক্ষ্মচারী সেবাশ্রমের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ঢোল বাদ্য বাজানোকে কেন্দ্র করে ওই দিন দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনার এক পর্যায়ে মসজিদে ইটপাটকেল ছোঁড়ার ঘটনা ঘটে। পরে পুলিশ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিষয়টি উভয় পক্ষের ধর্মীয় নেতাদের মধ্যস্থতায় মীমাংসার জন্য শুক্রবার বাদ জুমা সময় নির্ধারণ করা হয়। গতকাল এলাকায় গিয়ে জানা যায়, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কে বা কারা ফের মসজিদে হামলা চালায়। এই ঘটনার জের ধরে জুমার নামাজের পর হাটহাজারী সদরসহ বেশ কয়েকটি এলাকার কয়েকটি মন্দিরে ভাংচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে।  জানা যায়, নন্দীরহাট কালীমন্দির, হাটহাজারী কালীবাড়ি, জগন্নাথবাড়ি মন্দিরেও হামলা ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এসময় সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানপাটে অগ্নিসংযোগ ও হামলা চালানো হয় বলেও জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই সময়ে উত্তেজিত জনতা হাটহাজারী-রাঙামাটি সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়। তাদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে হামলায় হাটহাজারী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারসহ ৩ পুলিশ এবং আরো ৫ জন গ্রামবাসী আহত হন। এসময় পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উদ্ভূত পরিস্থিতিতে সেখানে ছুটে যান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ডা. আফসারুল আমীন ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আনিসুল ইসলাম মাহমুদ। এসময় তারাও উত্তেজিত জনতার তোপের মুখে পড়েন। রাতে তারা স্থানীয় ধর্মীয় নেতাদের সাথে বৈঠকে বসেন বলে জানান জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার সহকারী পুলিশ সুপার ফারুক আহমদ। এদিকে স্থানীয় বাসিন্দাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বার্তা সংস্থা বিডিনিউজ জানায়, জামায়াতে ইসলামী এই ঘটনায় ইন্ধন দিচ্ছে। তবে এই বিষয়ে হিন্দু সম্প্রদায়ের কেউই মুখ খুলছেন না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্যদিকে মন্দির ভাংচুরের মাধ্যমে পরিস্থিতিকে অস্থির করতে স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের ইন্ধন রয়েছে বলে মনে করছেন চট্টগ্রাম জেলা পরিষদের প্রশাসক এমএ সালাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আওয়ামী লীগের এই নেতা বিডিনিউজকে বলেন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হওয়ার পর জামায়াত-শিবির পরিস্থিতি অস্থির করতে ইন্ধন যোগাচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাটহাজারীর নন্দীরহাট থেকে তিন কিলোমিটার দূরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বুধবার ছাত্রলীগ ও ছাত্রশিবিরের সংঘর্ষে দুই ছাত্র নিহত হয়। এরপর বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যায়। বৃহস্পতিবারের পর উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলায় ওই এলাকায় যথেষ্ট সংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়নি বলেও মনে করেন তিনি। তবে হাটহাজারী থানা বিএনপির সভাপতি এসএম ফজলুল হক পরিস্থিতির অবনতির জন্য প্রশাসনিক ব্যর্থতাকেই দায়ী করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এলাকায় সম্প্রীতি রক্ষায় বিএনপির সব নেতা-কর্মীকে কাজ করতে বলা হয়েছে জানিয়ে ফজলুল হক বলেন, এখন সবাইকে এক হয়ে কাজ করতে হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দোষীদের বিচারদাবি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মুফতি আমিনীর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ইত্তেফাক রিপোর্ট ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান ও ইসলামী আইন বাস্তবায়ন কমিটির আমির মুফতী ফজলুল হক আমিনী হাটহাজারীর মসজিদে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাংচুরের ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেন, সরকারের ইসলাম বিরোধী অবস্থানের কারণেই হিন্দুরা মসজিদ ভাঙ্গার সাহস পেয়েছে। তিনি অবিলম্বে দোষীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গতকাল বাদ জুমা লালবাগস্থ দলীয় কার্যালয়ে রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ ও সুধী সমাজের প্রতিনিধিরা মুফতী আমিনীর সঙ্গে সাক্ষাত্ করতে গেলে তিনি তাদের উদ্দেশ্যে এসব কথা বলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://new.ittefaq.com.bd/news/view/75430/2012-02-11/1"&gt;দৈনিক ইত্তেফাক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2696194499156689138?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2696194499156689138/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2696194499156689138&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2696194499156689138'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2696194499156689138'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/02/blog-post.html' title='মসজিদ-মন্দিরে হামলা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-3029709491161902929</id><published>2012-01-27T09:56:00.000-08:00</published><updated>2012-01-27T09:57:12.233-08:00</updated><title type='text'>ভোলায় মন্দিরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, ভোলা, ২৫ জানুয়ারি।।&lt;br /&gt;ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার প্রায় শত বছরের পুরাতন বাটামারা কবিরাজ বাড়ির দরজায় রাধাগোবিন্দ সমাধিমন্দিরে মঙ্গলবার রাতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার পর পরই স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভালেও তার আগেই সবকিছু ভস্মীভূত হয়ে যায়। বুধবার বোরহানউদ্দিন থানার ওসি ঘটনার তদন্তে সরেজমিনে গিয়েছেন। মন্দিরের জমিদাতা পরিবারের সদস্য বোরহানউদ্দিন আব্দুল জব্বার কলেজের অধ্যাপক নীলকমল জানান, তাদের এ মন্দির আজ থেকে প্রায় এক শ বছর আগে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। ১৯৯২ সালের দাঙ্গায় ওই মন্দিরটি ভাঙচুর ও লুটপাট করে আগুন লাগিয়ে দেয়া হয়। ওই মন্দিরে কোন পূজা না হলেও অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা পালন করা হয়। মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে মন্দিরে এলাকাবাসী আগুন জ্বলতে দেখে তারা নিয়ন্ত্রণে আনলেও তার আগেই সবকিছু পুড়ে ছাই হয়ে যায়। অধ্যাপক নীল কমল আরও জানান, তাদের ধারণা কোন কুচক্রী মহল রাতের অন্ধকারে আগুন লাগিয়ে দিতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৬ জানুয়ারি, ২০১২&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-3029709491161902929?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/3029709491161902929/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=3029709491161902929&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3029709491161902929'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3029709491161902929'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/01/blog-post_27.html' title='ভোলায় মন্দিরে অগ্নিসংযোগের অভিযোগ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-8253897879997070718</id><published>2012-01-19T09:42:00.000-08:00</published><updated>2012-01-19T09:46:00.755-08:00</updated><title type='text'>গৌরনদীতে দফায় দফায় হামলা অগ্নিসংযোগ সম্পত্তি দখলের চেষ্টা</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, গৌরনদী, ১৮ জানুয়ারি ॥ বরিশালের উজিরপুর উপজেলার প্রত্যন্ত পশ্চিম সাতলা গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক দিনমজুরের সম্পত্তি দখলকে কেন্দ্র করে বুধবার দফায় দফায় হামলা ও সংঘর্ষে উভয় গ্রুপের কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় ব্যাপক ভাংচুর, লুটপাট ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। গুরুতর আহতদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।&lt;br /&gt;বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নবকুমার বিশ্বাসের পুত্র শান্ত বিশ্বাসের পৈত্রিক সম্পত্তি একই গ্রামের প্রভাবশালী খালেক বিশ্বাসের পুত্ররা দখল করার জন্য দীর্ঘদিন থেকে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় মঙ্গলবার বিকেলে প্রভাবশালী ইউনুস ও জামালের নেতৃত্বে ৩০/৪০ জনের একটি গ্রুপ শান্ত বিশ্বাসের পৈত্রিক সম্পত্তি জোরপূর্বক দখল করতে যায়। এ সময় শানত্ম বিশ্বাস তাদের বাধা দিলে প্রভাবশালীরা তাকে বেধড়ক পিটিয়ে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় তোতা বিশ্বাসের পুত্র আবুল বিশ্বাস প্রতিবাদ করলে তাকেও উপর্যুপরি কুপিয়ে জখম করে। এক পর্যায়ে এলাকাবাসী এক হয়ে জামাল বিশ্বাস ও তাদের লোকজনকে ধাওয়া করে এবং তারা পিছু হটে। ভূমিদস্যু জামাল ও ইউনুসের বসতঘরে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাংচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয়। সংঘর্ষে গুরুতর আহত খাদিজা বেগম, আবুল বিশ্বাস, তাসলিমা বেগম, সোহান বিশ্বাস ও শান্ত বিশ্বাসকে উজিরপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জামাল বিশ্বাস অভিযোগ করেন, তাঁর ঘরের মূল্যবান মালামাল, স্বর্ণালঙ্কার, নগদ টাকা প্রতিপক্ষের লোকজনে লুটপাট করে নিয়ে ঘরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ আবু তালেবের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে আমি নিজেই ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=27&amp;amp;dd=2012-01-19&amp;amp;ni=83809"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-8253897879997070718?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/8253897879997070718/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=8253897879997070718&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8253897879997070718'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8253897879997070718'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/01/blog-post_19.html' title='গৌরনদীতে দফায় দফায় হামলা অগ্নিসংযোগ সম্পত্তি দখলের চেষ্টা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2352462231802453746</id><published>2012-01-18T05:02:00.000-08:00</published><updated>2012-01-20T05:03:05.154-08:00</updated><title type='text'>পটিয়ায় নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে হামলা; ৫ দিনেও পুলিশ রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, পটিয়া, ১৭ জানুয়ারি।।  চট্টগ্রামের পটিয়ায় মুখোশপরিহিত সন্ত্রাসীরা হিন্দু সম্প্রদায়ের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ভাঙচুরের ৫ দিন অতিবাহিত হলেও পুলিশ রহস্য উদ্ঘাটন করতে পারেনি। মঞ্চ, তোরণ ও ভাঙ্গাচোরা প্যান্ডেলের মধ্য দিয়ে মঙ্গলবার নামযজ্ঞ অনুষ্ঠান শেষ হয়েছে। সকালে সহকারী পুলিশ সুপার (পটিয়া সার্কেল) আবদুল আউয়াল ও পটিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ আবদুস সবুর ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে হামলাকারী সন্ত্রাসীদের চিহ্নিত করে গ্রেফতারের ব্যাপারে এলাকাবাসীকে আশ্বাস দেন। জানা গেছে, পৌষসংক্রান্তি উপলক্ষে উপজেলার হাইদগাঁও মুক্তালতা পাঠাগারের উদ্যোগে প্রতিবছরের ন্যায় গত ১৪ জানুয়ারি ৪ দিনব্যাপী অনুষ্ঠান শুরু হয়। অনুষ্ঠান শুরুর আগের দিন মুখোশপরিহিত সন্ত্রাসীরা চাপাতি, দা, কুড়াল নিয়ে উৎসবের তোরণ, প্যান্ডেল, ব্যানার, বৈদ্যুতিক বাল্ব ভাঙচুর করে নামযজ্ঞ অনুষ্ঠান মুখোশপরিহিত সন্ত্রাসীরা যেভাবে ভাঙচুর করেছে তা খুবই ন্যাক্কারজনক। ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ। ১৮ জানুয়ারি ২০১২&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2352462231802453746?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2352462231802453746/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2352462231802453746&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2352462231802453746'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2352462231802453746'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/01/blog-post_18.html' title='পটিয়ায় নামযজ্ঞ অনুষ্ঠানে হামলা; ৫ দিনেও পুলিশ রহস্য উদঘাটন করতে পারেনি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7170741280978097778</id><published>2012-01-16T04:24:00.000-08:00</published><updated>2012-01-16T04:27:23.438-08:00</updated><title type='text'>কুমিল্লায় ধর্মান্তরিত হতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ</title><content type='html'>নিজস্ব প্রতিবেদক, কুমিল্লা : ধর্মান্তরিত হতে কুমিল্লায় হিন্দু সম্প্রদায়ের শতাধিক ব্যক্তিকে মুসলমান দুব্যক্তি চাপ প্রয়োগ করছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। অতিষ্ঠ হয়ে ওই হিন্দু পরিবারের এক সদস্য বৃহস্পতিবার রাতে কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানায় জিডি করেছেন। একই অভিযোগে ওইদিন রাতে হিন্দু সম্প্রদায়ের অর্ধশতাধিক নারী-পুরুষ সংবাদ সম্মেলন করে মুসলমান দুব্যক্তির বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সাংবাদিক সম্মেলনে জানান হয়- কুমিল্লা মহানগরীর ঝাউতলার অমরদাস পাড়ার বাসিন্দা মো. নূরুল আমিন ভূইয়া ও মো. মাহবুবুল আলম চৌধুরী পাড়ার হিন্দুকে ধর্মান্তরিত হতে চাপ প্রয়োগ করেছেন। যুবকরা ধর্মান্তরিত হলে মোটরসাইকেল ও সহায়-সম্পত্তি দেওয়া হবে বলে প্রলোভন দেখান হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নগরীর কান্দিরপাড়ে হোটেল কস্তুরীর সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন রুবেল ঘোষ, বিকাশ, সুজয়, জনি ঘোষ, রঞ্জন ঘোষাল, সঞ্জয়, শংকরী রানী দাস, শীল্পা রানী মোদন ও স্বপ্না রানী দাস প্রমুখ। তারা অভিযোগ করেন- ওই দুই মুসলিম পরিবারের সদস্যরা পূজা-অর্চনার সময় হিন্দুদের লক্ষ্য করে থুথু ও ময়লা আবর্জনা নিক্ষেপ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ব্যাপারে অভিযুক্ত মো. নূরুল আমিন ভূইয়া ও মো. মাহবুবুল আলম চৌধুরীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি। নির্ভরযোগ্য একটি সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার রাতে সংবাদ সম্মেলনের পর দুটি গোয়েন্দা সংস্থার সদস্য ওই পাড়ায় অভিযান চালায়। বিষয়টি টের পেয়ে মো. নূরুল আমিন ভূইয়া ও মো. মাহবুবুল আলম চৌধুরী গা ঢাকা দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি জানান, অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এসআই নকুল চন্দ্র বিশ্বাসকে। নকুল চন্দ্র জানান, তিনি আজ শনিবার তদন্তে যাবেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবর সূত্র: &lt;a href="http://www.amadershomoy2.com/content/2012/01/14/news0849.htm"&gt;আমাদের সময়&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7170741280978097778?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7170741280978097778/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7170741280978097778&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7170741280978097778'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7170741280978097778'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/01/blog-post.html' title='কুমিল্লায় ধর্মান্তরিত হতে চাপ প্রয়োগের অভিযোগ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-4878116984919276542</id><published>2012-01-14T04:59:00.000-08:00</published><updated>2012-01-20T05:00:36.437-08:00</updated><title type='text'>নওগাঁয় মন্দিরের জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, নওগাঁ, ১৩ জানুয়ারি।।&lt;br /&gt;নওগাঁর মান্দায় সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের কালি মন্দিরের দেবোত্তর সরকারী জায়গা জবরদখল করে রাতারাতি সেখানে বাউন্ডারি ওয়ালসহ দালান তৈরি করেছেন ওই উপজেলার বিএনপি সমর্থিত মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা ইসলাম, তার ঘনিষ্ঠজন সরকারী চাকরিজীবী রফিকুল ইসলাম ও তার স্ত্রী মরিয়ম খাতুন।&lt;br /&gt;বিকেলে পুলিশ তাদের অবৈধ নির্মাণকাজ বন্ধ করে দিলেও শুক্রবার জুমার নামাজের পর থেকে ফের তারা নির্মাণ কাজ শুরু করে।&lt;br /&gt;এতে নতুন করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। জানা গেছে, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আসমা ইসলাম বিএনপি সমর্থিত হলেও তার ধর্মপিতা রয়েছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের এক বাঘা নেতা। ওইসব নেতার প্রভাবে প্রশাসন আন্তরিকভাবে কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৪ জানুয়ারি, ২০১২&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-4878116984919276542?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/4878116984919276542/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=4878116984919276542&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4878116984919276542'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4878116984919276542'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2012/01/blog-post_14.html' title='নওগাঁয় মন্দিরের জায়গা দখল করে দালান নির্মাণ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-1551877054461507878</id><published>2011-12-28T08:53:00.000-08:00</published><updated>2011-12-28T08:57:50.468-08:00</updated><title type='text'>সিরাজগঞ্জে প্রতিমা ভাংচুর।। শিবির নেতা গ্রেফতার</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ।। সিরাজগঞ্জের এনায়েতপুরে প্রতিমা ভাংচুরের অভিযোগে এনায়েতপুর থানা ছাত্রশিবিরের সভাপতি জোবায়ের হোসেনকে আটক করেছে পুলিশ।&lt;br /&gt;জানা গেছে, এনায়েতপুর থানার বিভিন্ন এলাকায় কৌশল অবলম্বন করে গত ১০ দিনের ব্যবধানে ৫টি মন্দিরের বিভিন্ন প্রতিমা ও মূর্তি ভাংচুর করা হয়। এ ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ থাকায় এনায়েত থানা শিবিরের সভাপতি জোবায়ের হোসেন পালিয়ে বেড়াচ্ছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:85%;"&gt;(জনকণ্ঠ পত্রিকার ২৮ ডিসেম্বর ২০১১ সংখ্যায় প্রকাশিত এই খবরটি কাগজে ছাপা হলেও অনলাইনে দেয়া হয়নি। শেষ বাক্যটি অসম্পূর্ণ ছাপা হয়েছে।)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-1551877054461507878?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/1551877054461507878/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=1551877054461507878&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1551877054461507878'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1551877054461507878'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/12/blog-post_28.html' title='সিরাজগঞ্জে প্রতিমা ভাংচুর।। শিবির নেতা গ্রেফতার'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-6462884389253559273</id><published>2011-12-25T23:43:00.000-08:00</published><updated>2011-12-28T08:53:18.773-08:00</updated><title type='text'>বরিশালে জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে কালীমন্দিরে আগুন</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, গৌরনদী, ২৪ ডিসেম্বর।।&lt;br /&gt;বরিশালের উজিরপুর উপজেলার হারতা ইউনিয়নের নাথারকান্দি গ্রামের সংখ্যালঘু একটি পরিবারের জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে শুক্রবার রাতে সন্ত্রাসীরা কালী মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকালে স্থানীয়রা বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন।&lt;br /&gt;ওই গ্রামের বিজেন্দ্রনাথ রায় অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন থেকে তিনি তাঁর পৈত্রিক সম্পত্তি ভোগ দখল করে আসছেন। সম্প্রতি স্থানীয় প্রভাবশালী আনোয়ার গোমস্তা তাদের সহায় সম্পত্তি দখল করার জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। তারই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার রাতে স্থানীয় প্রভাবশালী আনোয়ার গোমস্তার নেতৃত্বে ২০/২৫ সন্ত্রসীরা ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেন্দ্রনাথ রায়ের বাড়িতে হামলা চালায়। তারা বিজেন্দ্রনাথ পরিবারের সকলের হাত-পা বেঁধে দুই পুত্রবধুকে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। এ সময় তারা চিৎকার শুরু করলে সন্ত্রাসীরা তাদের এলোপাথাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা বাড়ির ওপরের কালী মন্দিরে আগুন ধরিয়ে দেয়। বিজেন্দ্রনাথ পরিবারের লোকজনদের চিৎকার শুনে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে সন্ত্রাসীরা পালিয়ে যায়। স্থানীয় ইউপি সদস্য কিরণী রানী রায় জানান, চিৎকার শুনে তারা ঘটনাস্থলে এসে বিবস্ত্র অবস্থায় বিজেন্দ্রনাথের দু'পুত্রবধুকে উদ্ধার করে, পরিবারের অন্যান্য সদস্যের হাত-পায়ের বাঁধন খুলে দিয়েছেন।&lt;br /&gt;এ ঘটনার প্রতিবাদে ও সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারের দাবিতে নাথঅরকান্দি গ্রামবাসী শনিবার সকালে বিক্ষোভ মিছিল করে হারতা বন্দর প্রদক্ষিণ করেছেন। বিক্ষোভ শেষে নাথারকান্দি প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। খবর পেয়ে উজিরপুর থানা পুলিশ শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। উজিরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ সুকুমার রায়ের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, খবর পেয়ে থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে এখনও কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-size:85%;"&gt;(জনকণ্ঠ পত্রিকার ২৫ ডিসেম্বর সংখ্যায় প্রকাশিত এই খবরটি কাগজে ছাপা হলেও অনলাইনে দেয়া হয়নি।)&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-6462884389253559273?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/6462884389253559273/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=6462884389253559273&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6462884389253559273'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6462884389253559273'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/12/blog-post.html' title='বরিশালে জমি দখলে ব্যর্থ হয়ে কালীমন্দিরে আগুন'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-4552503234045028380</id><published>2011-11-27T02:22:00.000-08:00</published><updated>2011-12-15T02:23:31.829-08:00</updated><title type='text'>নড়াইলে সংখ্যালঘু গৃহবধূ ধর্ষিত</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, নড়াইল, ২৬ নবেম্বর ॥ নড়াইলের লোহাগড়ায় তিন সন্তানের জননী এক সংখ্যালঘু গৃহবধূ গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। উপজেলার নারান্দিয়া গ্রামের গৃহবধূ ডাঙ্গাবাতাসী গ্রামে মামাবাড়িতে বেড়াতে গিয়ে কীর্তন গান শুনতে গেলে এ ঘটনার শিকার হন।&lt;br /&gt;জানা গেছে, গত ২১ নবেম্বর গণধর্ষণের ঘটনা ঘটলেও বিচার-সালিশের নামে কালক্ষেপণ করায় শুক্রবার রাতে লোহাগড়া থানায় মামলা হয়েছে। ওই গৃহবধূর ভাই প্রশান্ত বালা বাদী হয়ে এ মামলা করেন। এলাকার লোকজন ধর্ষকদের আটক করলেও স্থানীয় ইউপি সদস্য ও অন্য মাতবররা তাদের ছেড়ে দেন। এ মামলা করার পর আতঙ্কে রয়েছে পরিবারটি। আসামিরা হলো ডাঙ্গাবাতাসী গ্রামের নান্নু মিয়া, সনেট মোল্যা, নাজমুল খান, রঘুনাথপুর গ্রামের জসিম উদ্দিন, সোহাগ, বিলাল হোসেন, ভারু মিয়া, সালাউদ্দিন ও হাজীপাড়া বাতাসী গ্রামের রাসেল ঠাকুর। ধর্ষিতার মামা সজল বিশ্বাস জানান, কীর্তন মেলায় গান শুনতে গিয়ে শেষ রাতে মেলার পাশে প্রাকৃতিক কাজ সারতে গেলে মেলার পাশের মাঠে নিয়ে গিয়ে নয় নরপশু তাকে ধর্ষণ করে। অজ্ঞান অবস্থায় এলাকার লোকজন তাকে উদ্ধার করে। পরে এলাকার লোকজন ধর্ষকদের পাঁচজনকে ধরে ফেলে। স্থানীয় মেম্বর কামরুজ্জান মোলস্না ও অন্যান্য মাতবর তাদের ছেড়ে দেন। বিচার-সালিশের নামে ইউপি মেম্বর-চেয়ারম্যান ও কয়েকজন মাতব্বর তাদের থানায় মামলা করতে নিষেধ করেন। এখন তারা হুমকি দিচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র:&lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-11-27&amp;amp;ni=78291"&gt; দৈনিক জনকণ্ঠ&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-4552503234045028380?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/4552503234045028380/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=4552503234045028380&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4552503234045028380'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4552503234045028380'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/11/blog-post_27.html' title='নড়াইলে সংখ্যালঘু গৃহবধূ ধর্ষিত'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-3436801990338589109</id><published>2011-11-03T09:50:00.000-07:00</published><updated>2011-11-03T09:53:23.764-07:00</updated><title type='text'>মন্দিরের জমি দখলের পাঁয়তারা ॥ ৫ হাজার নারী-পুরুষের সমাবেশ</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, নীলফামারী, ২ নবেম্বর ॥ নীলফামারী জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের বাদিয়ার মোড় এলাকায় হিন্দু সমপ্রদায়ের মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তি ভূমিদস্যুর কবল থেকে রক্ষা ও ভূমিদস্যুদের হুমকির প্রতিবাদে বুধবার সকালে ওই এলাকার হিন্দু সম্প্রদায়ের ৫ সহস্রাধিক নারী-পুরুষ ও শিশু শহরে বিক্ষোভ মিছিল ও স্থানীয় চৌরঙ্গি মোড়ে মানববন্ধন ও সমাবেশ করেছে। এ কর্মসূচী শেষে তারা জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করে। চৌরঙ্গি মোড়ে মানববন্ধন কর্মসূচী চলাকালীন সমাবেশে মন্দিরের সভাপতি রামকৃষ্ণ রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সুধীরচন্দ্র রায়, শরৎচন্দ্র রায়, হরলাল রায়, সুধাংশু কুমার রায় ও বিনয় কৃষ্ণ রায়। বক্তারা বলেন, সদর উপজেলার ইটাখোলা ইউনিয়নের বাদিয়ার মোড়ে ১ একর ২৫ শতক জমির বৈধ মালিকানায় হিন্দু সমপ্রদায়ের গৌড়ীয় মিশন নামে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান স্থাপন করে শতাধিক বছর ধরে বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করে আসছে এলাকার ভক্তরা। আন্দোলনকারীরা অভিযোগ করে বলেন, সদর উপজেলার টুপামারী ইউনিয়নের দলুয়া দোগাছি গ্রামের হামিদুল ইসলাম, বেলাল উদ্দিন শাহ এবং ইটাখোলা গ্রামের আইনুল খানের ছেলে শাহিনুর আলম ও আমিন আলী ওই মন্দিরের দেবোত্তর সম্পত্তির ১ দশমিক ২৫ একর জমি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে মালিকানা দাবি করে আসছে। আন্দোলনকারী গৌড়ীয় মিশনের সভাপতি রামকৃষ্ণ রায় অভিযোগ করেন, তারা জাল দলিলের মাধ্যমে এ জমি ক্রয় দেখাচ্ছে। তাদের জাল দলিল ও এসএ রেকর্ডের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা রয়েছে। তিনি আরও বলেন, হামিদুল ইসলাম ও তার লোকজন আইনগতভাবে এ জমি পাবে না নিশ্চিত হয়ে আমাকে ও মন্দিরের অন্য ভক্তদের বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে আসছে এবং যে কোন মুহূর্তে মন্দিরের জমি দখল করার ঘোষণা দিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ০৩ নভেম্বর, ২০১১ &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-11-03&amp;amp;ni=76069"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-3436801990338589109?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/3436801990338589109/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=3436801990338589109&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3436801990338589109'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3436801990338589109'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/11/blog-post.html' title='মন্দিরের জমি দখলের পাঁয়তারা ॥ ৫ হাজার নারী-পুরুষের সমাবেশ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-870265030560009833</id><published>2011-10-29T08:42:00.000-07:00</published><updated>2011-10-29T08:45:58.380-07:00</updated><title type='text'>ধর্ম ত্যাগ করেও স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই হলো না গৃহবধূর</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার, যশোর অফিস ॥ যশোরের মনিরামপুর উপজেলার পলস্নীতে সিতর সিঁদুর মুছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণের পর মুসলমান ছেলেকে বিয়ে করেও স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই হলো না ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা ঋষি সমপ্রদায়ের মেয়ে কমলার। জোরপূর্বক তার গর্ভের সন্তান নষ্ট করার জন্য হাত-পা বেঁধে প্রতিনিয়ত চালানো হচ্ছে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। ফলে অন্তঃসত্ত্বা ওই গৃহবধূ তাঁর গর্ভের সন্তানের পিতৃপরিচয়ের দাবিতে এলাকার সমাজপতিদের দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে খেদাপাড়া গ্রামের ঋষি পল্লীতে।&lt;br /&gt;মেয়ের পরিবার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, ওই গ্রামের রবিন কুমার দাসের একমাত্র মেয়ে কমলা রানী দাসকে কয়েক বছর পূর্বে ঝিকরগাছা উপজেলার বাঁকড়া গ্রামে বিয়ে দেন। বিয়ের পর তাদের সংসারে আসে সুমন নামের এক পুত্র সন্তান। সন্তান আর স্বামী আসীমকে নিয়ে ভালই কাটছিল তাদের সংসার। হঠাৎ কমলার ছেলে সুমন (৬) লিভারের সমস্যায় আক্রান্ত হয়। এরপর ২০০৯ সালে তিনি ছেলেকে চিকিৎসার জন্য নিয়ে আসেন বাবার বাড়িতে। খবর পেয়ে চিকিৎসা দিতে হাজির হন খেদাপাড়া গ্রামের আবুল কাসেমের ছেলে গ্রাম্য ডাক্তার দুই সন্তানের জনক আলমগীর হোসেন। হুমকি ধামকি দিয়ে জোরপূর্বক প্রেমের ফাঁদে ফেলে কৌশলে তাঁকে দিয়ে তালাক করান স্বামী আসীমকে। স্বামী তালাকের পর আলমগীরের বিয়ের প্রতিশ্রুতিতে কমলা ২০১০ সালের ২৬ মে যশোর নোটারি পাবলিক কার্যালয়ে হাজির হয়ে এফিডেভিটের মাধ্যমে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন। ধর্ম গ্রহণের সময় তার নাম রাখা হয় সুরাইয়া আক্তার সাথী। এর তিন দিন পর ওই বছরের ২৯ মে আলমগীর মুসলিম শরিয়ত মোতাবেক সুরাইয়া আক্তার সাথীকে ৫০ হাজার টাকা দেনমোহর ধার্য করে বিয়ে করেন। বিয়ের পর আলমগীর তাকে প্রথমে যশোরের খোলাডাঙ্গায় একটি বাসা ভাড়া করে রাখে। পরে সেখান থেকে বাসা পরিবর্তন করে রায়পাড়ায় বাসা ভাড়া নেয়। নব-বিবাহিত স্ত্রীকে সেখানে রেখে পালিয়ে যায় আলমগীর। দীর্ঘদিন স্বামীর কোন খোঁজ খবর না পেয়ে সুরাইয়া আক্তার সাথী, কমলা হয়ে আবার ও ফিরে আসেন বাবার বাড়ি খেদাপাড়া গ্রামে। গ্রামে এসেই সে আলমগীরের সন্ধান পায়। এরপর গর্ভের সন্তানের পিতৃপরিচয় নিয়ে আলমগীরের সঙ্গে সুরাইয়া আক্তার সাথীর কয়েকদফা কথাকাটাকাটি হয়। কথাকাটাকাটির একপর্যায় আলমগীর সুরাইয়া আক্তার সাথীর গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে হবে বলে হুমকি দেয়। গর্ভের সন্তান নষ্ট করতে রাজি না হওয়ায় তাকে প্রতিনিয়ত হাত-পা বেঁধে চালানো হচ্ছে মধ্যযুগীয় কায়দায় নির্যাতন। এছাড়া এই বিষয়টি নিয়ে বেশি বাড়াবাড়ি করলে সাথীসহ তাদের পরিবারের সবাইকে হত্যা করা হবে বলে হুমকি দেয়। স্বামীর অব্যাহত হুমকিতে দিশেহারা হয়ে পড়ে। কোন উপায় না পেয়ে হুমকির পর সে গ্রামবাসীকে আলমগীরের বিষয়টি জানায়। এরপর গ্রামবাসী বহুবার উদ্যোগ নিয়েও কোন ব্যবস্থা করতে পারেনি সাথীর। ওই গ্রামের ইউপি সদস্য নীলরতন দাসসহ এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে গ্রাম্য ডাক্তার আলমগীর এমন নাটক করছে যেন কমলাকে চেনেই না। সবকিছু হারিয়ে হতাশ সাথীর গর্ভের সন্তানের পিতৃপরিচয়সহ প্রতারক স্বামীর কঠোর বিচারের দাবিতে এলাকার সমাজপতিদের কাছে ধর্ণা দিচ্ছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৯ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-10-29&amp;amp;ni=75555"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-870265030560009833?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/870265030560009833/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=870265030560009833&amp;isPopup=true' title='2 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/870265030560009833'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/870265030560009833'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_29.html' title='ধর্ম ত্যাগ করেও স্বামীর বাড়িতে ঠাঁই হলো না গৃহবধূর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>2</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-601416626324134517</id><published>2011-10-25T10:16:00.000-07:00</published><updated>2011-10-25T10:18:45.266-07:00</updated><title type='text'>প্রতিমা ভাংচুর</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, মাদারীপুর, ২৪ অক্টোবর।।&lt;br /&gt;জেলার রাজৈর উপজেলার টেকেরহাট পূর্ব সরমঙ্গল হিন্দুপাড়া সর্বজনীন কালিমন্দিরের নির্মাণাধীন কালী প্রতিমা রবিবার রাতে ভাংচুর করেছে অজ্ঞাত দুষ্কৃতকারীরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানা গেছে, বুধবার দীপাবলী কালীপূজা উপলক্ষে মন্দিরের সামনে প্রতিমা তৈরির কাজ চলছিল। রবিবার রাতে কে বা কারা প্রতিমাটির বিভিন্ন অঙ্গ ভাংচুর করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ অক্টোবর, ২০১১।&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-601416626324134517?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/601416626324134517/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=601416626324134517&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/601416626324134517'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/601416626324134517'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_6794.html' title='প্রতিমা ভাংচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5534060574041599047</id><published>2011-10-25T10:10:00.000-07:00</published><updated>2011-10-25T10:16:39.602-07:00</updated><title type='text'>সিলেটে ভূমি দখলের চেষ্টায় সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার, সিলেট অফিস ॥ সিলেট নগরীর যতরপুরে সোমবার বিকেলে সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালিয়েছে ভূমিখেকোরা। হামলা ও ভাংচুর করে ভূমি দখলে ব্যর্থ হয়েছে তারা। মোটরসাইকেলে আসা ১০/১২ জনের একদল লোক মনীন্দ্র রঞ্জন দে'র বাড়িতে আকস্মিক হানা দেয়। তারা মনীন্দ্রকে খুঁজতে থাকে। তাকে না পেয়ে পরিবারের লোকবজনকে নানা হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এ ব্যাপারে মনীন্দ্রের স্ত্রী দিবা রানী দে ৪ জনের নাম উলেস্নখ করে অজ্ঞাত ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ করেছেন বলে জানিয়েছেন। দিবা রানী দে জানান, তাঁর স্বামী তাঁর স্বজনরা দীর্ঘকাল ধরে যতরপুরের নবপূষ্প ১২/৩, বাসায় বসবাস করে আসছেন। ওই ঠিকানার জমি জবরদখলের লক্ষ্যে একদল লোক দীর্ঘদিন ধরে নানা অপতৎপরতা চালাচ্ছে। ভূমিখেকোরা জনৈক কামাল আহমদ, জামাল আহমদ, সুহেল আহমদ তাদের নামে বাড়ির ভূমির ভুয়া লিজপত্র সংগ্রহ করে। পরে এ বছরের ৩০ জানুয়ারি রাতের আঁধারে সন্ত্রাসী হামলা চালিয়ে তার বৃদ্ধা শাশুড়িসহ কয়েকজনকে গুরুতর আহত করে। এ ঘটনায় সিলেট কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন তিনি। মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন ও আসামিরা জামিনে রয়েছে। পরবর্তীতে উচ্চ আদালতের রায়ে লিজ বাতিল হয়ে যায়। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে ভূমিখেকোরা তার পরিবারের লোকদের হামলা-মামলাসহ বিভিন্নভাবে নাজেহাল ও ঘায়েল করার চেষ্টা করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ২৫ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-10-25&amp;amp;ni=75090"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5534060574041599047?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5534060574041599047/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5534060574041599047&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5534060574041599047'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5534060574041599047'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_25.html' title='সিলেটে ভূমি দখলের চেষ্টায় সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-674548963105177777</id><published>2011-10-12T15:30:00.000-07:00</published><updated>2011-10-13T03:34:10.370-07:00</updated><title type='text'>চট্টগ্রাম এ হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা</title><content type='html'>বন্দর নগরী চট্টগ্রাম সব সময় শান্তি প্রিয় অঞ্চল হিসেবে প্রসিদ্ধ। কিন্তু গতকাল কে পাথর ঘাটায় যে দাঙ্গা হল তাতে শান্তির ধারা আর অব্যহত নেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খেলা নিয়ে কিছু ছেলে মেয়ের মাঝে মারামারি হয়। তখন এলাকার মুরুব্বিরা এক ছেলে কে মসজিদের পাশে বেধে রাখে। পরে সেই ছেলের পরিবারের লোকজন গিয়ে ছেলে কে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। সন্ধ্যায় লক্ষ্মী পুজা উপলক্ষে কিছু ছোট ছোট বাচ্চা বাজি ফুটিয়েছিল। যেখানে ফুটিয়েছিল সেই এলাকাটা হিন্দু প্রধান এলাকা। এর আগে ১৯৯২ এ দাঙ্গায় সেখানে কিছু ক্ষয় ক্ষতি হয়। কিন্তু গতকাল এই বাজি ফুটানো টা কাল হয়ে দাঁড়ায়। মসজিদের কিছুতা দূরে এই বাজি ফুটানো নিয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা কিছু মুসল্লি মারধোর করে সেই ছেলে গুলোকে। পরিনাম এ শুরু হয়ে যায় সেই ছেলে গুলোর পরিবারের সাথে মুসলমান দের মারা মারি।&lt;br /&gt;এবং এর পর পরই মসজিদের ইমাম ঘটনা রোধ না করে আরো উস্কে দেয়। তিনি নিজে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দেয় যে হিন্দুরা মসজিদ আক্রমন করেছে। ফলে হঠাত করে ছোট ঘটনা বড় হয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হাজার হাজার মুসলমান একত্র হয়ে আক্রমণ করে হিন্দু পরিবার গুলোর উপর। জ্বালিয়ে দেয় ৬ টি ঘরবাড়ি। আহত হয় ২ জন সাংবাদিক সহ ৬০ জন। দুই পক্ষের এই মারামারি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছু উষ্কানি দাতা আক্রমন করে পাথর ঘাঁটা লোকনাথ মন্দির ও দুইটি কালী বাড়িতে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ আর র‍্যাব ঘীরে রেখেছে সকল ধর্মীয় স্থান। দৈনিক পূর্ব কোন আর দৈনিক আজাদী ছাড়া এই বড় সংবাদটা ছাপায়নি কোন পত্রিকা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হিন্দু ধর্ম ব্লগ। &lt;a href="http://hinduismsite.ucoz.com/blog/2011-10-12-342"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-674548963105177777?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/674548963105177777/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=674548963105177777&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/674548963105177777'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/674548963105177777'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_7368.html' title='চট্টগ্রাম এ হিন্দু মুসলমান দাঙ্গা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-1681510498958143145</id><published>2011-10-12T10:18:00.000-07:00</published><updated>2011-10-13T03:26:28.502-07:00</updated><title type='text'>অদ্ভুত পুর্ণিমা দর্শন</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://4.bp.blogspot.com/-2O32lYZFJ-g/Tpa8lrbF1aI/AAAAAAAAASg/5sj3z-4payE/s1600/ctg%252Chindu-muslim-riot-october2011.jpg"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 213px;" src="http://4.bp.blogspot.com/-2O32lYZFJ-g/Tpa8lrbF1aI/AAAAAAAAASg/5sj3z-4payE/s320/ctg%252Chindu-muslim-riot-october2011.jpg" alt="চট্টগ্রাম হিন্দু পাড়ায় মুসলিম ইসলামী আক্রমণ বাড়িঘরে আগুন" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5662920936962512290" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;লিখেছেনঃ অকিঞ্চনের বৃথা আস্ফালন (তারিখঃ বৃহঃ, ১৩/১০/২০১১ - ১০:৩৪)&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খবরঃ  (১১ই অক্টোবর ২০১১) চট্টগ্রামের পাথরঘাটায় খেলা নিয়ে কিছু কিশোরের মাঝে মারামারি হয়। তখন এলাকার মুরুব্বিরা এক ছেলে কে মসজিদের পাশে বেধে রাখে। পরে সেই ছেলের পরিবারের লোকজন গিয়ে ছেলে কে ছাড়িয়ে নিয়ে আসে। সন্ধ্যায় লক্ষ্মী পুজা উপলক্ষে কিছু ছোট ছোট বাচ্চা বাজি ফুটিয়েছিল। যেখানে ফুটিয়েছিল সেই এলাকাটা হিন্দু প্রধান এলাকা। মসজিদের কিছুতা দূরে। এই বাজি ফুটানো নিয়ে মসজিদে নামাজ পড়তে আসা কিছু মুসল্লি মারধোর করে সেই ছেলে গুলোকে। পরিনাম এ শুরু হয়ে যায় সেই ছেলে গুলোর পরিবারের সাথে মুসলমানদের মারামারি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এবং এর পরপরই মসজিদের ইমাম ঘটনা রোধ না করে আরো উস্কে দেয়। তিনি নিজে মসজিদের মাইকে ঘোষনা দেয় যে হিন্দুরা মসজিদ আক্রমন করেছে। ফলে হটাৎ করে ছোট ঘটনা বড় হয়ে যায়।&lt;br /&gt;মুসলমানরা একত্র হয়ে আক্রমণ করে হিন্দু পরিবার গুলোর উপর। শুরু হয় তুমুল পাথর বৃষ্টি। টেকপাড়ায় জ্বালিয়ে দেয় ৬ টি ঘরবাড়ি। আহত হয় ২ জন সাংবাদিক সহ ৬০ জন। আহতদের মধ্যে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান সাজিবের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আহত অপর সাংবাদিক হচ্ছেন বাংলানিউজ এর উজ্জল ধর। একজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। দুই পক্ষের এই মারামারি ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। কিছু উষ্কানি দাতা আক্রমন করে পাথরঘাঁটা লোকনাথ মন্দির ও দুইটি কালী বাড়িতে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত এলাকায় পুলিশ আর র‍্যাব ঘিরে রেখেছে সকল ধর্মীয় স্থান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আমার ব্লগ. &lt;a href="http://amarblog.com/debchy/posts/138129"&gt;লিংক &lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-1681510498958143145?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/1681510498958143145/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=1681510498958143145&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1681510498958143145'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1681510498958143145'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_2809.html' title='অদ্ভুত পুর্ণিমা দর্শন'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://4.bp.blogspot.com/-2O32lYZFJ-g/Tpa8lrbF1aI/AAAAAAAAASg/5sj3z-4payE/s72-c/ctg%252Chindu-muslim-riot-october2011.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5683544871962807683</id><published>2011-10-12T08:15:00.000-07:00</published><updated>2011-10-13T03:18:07.535-07:00</updated><title type='text'>উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহবান ।। পাথরঘাটায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত</title><content type='html'>&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/--EZaHX1MKI4/Tpa6rl3Xg7I/AAAAAAAAASU/n2-1765h9I8/s1600/chittogong-muslim-attack-hindu-jelepara.JPG"&gt;&lt;img style="display: block; margin: 0px auto 10px; text-align: center; cursor: pointer; width: 320px; height: 214px;" src="http://2.bp.blogspot.com/--EZaHX1MKI4/Tpa6rl3Xg7I/AAAAAAAAASU/n2-1765h9I8/s320/chittogong-muslim-attack-hindu-jelepara.JPG" alt="চট্টগ্রামে হিন্দু জেলে পাড়ার উপর মুসলমানদের সাম্প্রদায়িক আক্রমণ" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5662918839526458290" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;আজাদী প্রতিবেদন ॥&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নগরীর পাথরঘাটা জলিলগঞ্জ এলাকায় তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুইপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ সংঘর্ষের ঘটনায় দুই সাংবাদিকসহ অর্ধশতাধিক আহত হয়েছে। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। তাদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ নগরীর অন্যান্য ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায় গতকাল দুপুরে দুইদল কিশোরের মধ্যে কথা কাটাকাটির জের রাতে বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। দুই পক্ষই লাঠিসোটা নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়।কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনাও ঘটে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এলাকায় পুলিশ ও র‌্যাব মোতায়েন করা হয়েছে। দীর্ঘক্ষণ থেমে থেমে উভয়পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ চলতে থাকলেও পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ব্যাপারে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কেউ কেউ বিশেষ মহল ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে হামলা চালিয়ে ফায়দা লুটার চেষ্টা করেছে বলে অভিযোগ করলেও এ ব্যাপারে পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার বিবরণে জানা গেছে, সংঘর্ষ শুরু হওয়ার পর বৃষ্টির মতো ইট পাথর নিক্ষেপ চলতে থাকে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে। উভয়পক্ষ হামলা চালায় আশপাশের দোকানপাট ও বাসা বাড়িতে। এ সময় ইট পাটকেলের আঘাতে আহত হন অর্ধশতাধিক। আহতদের মধ্যে ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের ক্যামেরাম্যান সাজিবের অবস্থা গুরুতর বলে জানা গেছে। আহত অপর সাংবাদিক হচ্ছেন বাংলানিউজ এর উজ্জল ধর। একজন পুলিশ সদস্যও আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে ঘটনা সামাল দিতে প্রথম দিকে পুলিশের কোন তৎপরতা দেখা যায়নি বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শীরা। তবে এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত (রাত দেড়টা) পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে বলে জানা যায়। ঘটনার সময় গতরাতে এলাকায় উপস্থিত হন সাবেক মেয়র এবিএম মহিউদ্দিন চৌধুরী, স্থানীয় কাউন্সিলরসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ। তারা দুই পক্ষকে শান্ত থাকার আহ্বান জানান। এদিকে কোতোয়ালী আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম বিএসসি উভয় পক্ষকে সর্বোচ্চ ধৈর্য্য ধারণের ও শান্ত থাকার আহবান জানান এবং পুলিশ প্রশাসনকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সর্বাত্মক পদক্ষেপ গ্রহণের অনুরোধ জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক আজাদী, ১২/১০/১১। &lt;a href="http://www.dainikazadi.org/first_details.php?news_id=3890"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5683544871962807683?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5683544871962807683/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5683544871962807683&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5683544871962807683'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5683544871962807683'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_721.html' title='উভয় পক্ষকে শান্ত থাকার আহবান ।। পাথরঘাটায় দু’পক্ষের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক আহত'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/--EZaHX1MKI4/Tpa6rl3Xg7I/AAAAAAAAASU/n2-1765h9I8/s72-c/chittogong-muslim-attack-hindu-jelepara.JPG' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5541724418198334674</id><published>2011-10-12T06:14:00.000-07:00</published><updated>2011-10-13T03:13:45.634-07:00</updated><title type='text'>পাথরঘাটায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০</title><content type='html'>নিজস্ব প্রতিবেদক : তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে গতরাতে নগরীর পাথরঘাটার বংশাল রোড এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। এসময় স্থানীয় বাসিন্দাদের দু'পক্ষের মাঝে রাত ৮টা হতে সংঘর্ষ শুরু হয় এবং রাত বারোটা পর্যন্ত চলে। গভীর রাতে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছিল। ঘটনার জের ধরে টেকপাড়ায় দুস্কৃতকারীরা কয়েকটি বস্তি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়ায় লোকজনের মধ্যে আতংক ছড়িয়ে পড়ে। ঘটনাটিকে সামপ্রদায়িক রুপ দেয়ার অপচেষ্টা চলছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকশ' পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন করা হয়। এঘটনায় দু'জন সাংবাদিকসহ উভয়পক্ষের অন্তত ৫০ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষ নিয়ে প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরণে দুই ধরনের বক্তব্য পাওয়া গেছে। রাত ৯টায় বংশাল রোড ও জেলে পাড়া সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বংশাল রোড পাঁচ পাড়ার মুখে পুলিশ ও কয়েকজন ওয়ার্ড কাউন্সিলর অবস্থান নিয়েছেন। তাদের উভয় পাশে লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে দু'পক্ষ মুখোমুখি অবস্থানে। ঘটনাকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার জন্য দুস্কৃতকারীরা রাত ১০টায় টেকপাড়ায় কয়েকটি বস্তি ঘরে আগুন ধরিয়ে দেয়। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের চারটি গাড়ি অকুস্থলে ছুটে যায় এবং দ্রুত আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। বংশাল রোড জামে মসজিদের মুসল্লি শাহ আলম মণি জানান,এশার নামাজ পড়ার সময় জেলে পাড়ায় বাজি ফাটানো হচ্ছিল। নামাজের সময় বাজি না ফাটানোর জন্য অনুরোধ করা হলে তাতে তারা ক্ষেপে যায়। এতে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। জেলে পাড়ার বাসিন্দা বিমল দাশ জানান, বিকালে শিশু-কিশোরদের ক্রিকেট খেলার সময় কয়েকজন ছেলের মধ্যে ঝগড়া লাগে। ওই ঝগড়ার জের ধরে এয়াকুব নগর এলাকার কিছু যুবক জেলে পাড়ার এক কিশোরকে ধরে নিয়ে বংশাল রোড জামে মসজিদ সংলগ্ন স্থানে বেধে রাখে। সন্ধ্যার সময় জেলে পাড়ার কয়েকজন গিয়ে তাকে ছাড়িয়ে আনে। শিশুদের এই ঘটনা এক পর্যায়ে বড়দের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে। এলাকায় চরম উত্তেজনা দেখা দেয়। দু'পক্ষ দুই দিক থেকে লাঠিসোটা ও ইটপাটকেল নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় বিভিন্ন পত্রিকা ও স্যাটালাইট চ্যানেলের সাংবাদিক ঘটনাস্থলে গেলে সংঘর্ষকারীদের নিক্ষিপ্ত ইটের আঘাতে সাংবাদিক উজ্জল ও সাজিবের মাথা ফেটে যায়। খবর পেয়ে স্থানীয় ওয়ার্ড কাউন্সিলর বেবী দোভাষ, ইসমাইল বালি, সাবেক ওয়ার্ড কাউন্সিলর প্রার্থী আশফাক, সুচরিত চৌধুরী মিন্টুসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত হন। তারা উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছিলেন। কাউন্সিলর ইসমাইল বালি পূর্বকোণকে জানান, তিনি ঘটনার খবর পাওয়ার সাথে সাথেই সেখানে হাজির হন। তবে ঘটনাটি কেন ঘটেছে তার সুনির্দিষ্ট কোন কারণ তিনি জানতে পারেননি। স্থানীয় সুচরিত চৌধুরী মিন্টু জানান, ৮টার দিকে তিনি খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান। উভয় পক্ষকে শান্ত করার চেষ্টা করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক পূর্বকোণ, ১২/১০/১১। &lt;a href="http://www.dainikpurbokone.net/index.php?option=com_content&amp;amp;view=article&amp;amp;id=11689:2011-10-11-23-40-43&amp;amp;catid=6:2011-05-26-03-32-28&amp;amp;Itemid=1"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5541724418198334674?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5541724418198334674/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5541724418198334674&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5541724418198334674'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5541724418198334674'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_9178.html' title='পাথরঘাটায় তুচ্ছ ঘটনা নিয়ে দু&apos;পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৫০'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-277470631805868356</id><published>2011-10-12T05:53:00.000-07:00</published><updated>2011-10-12T05:58:54.698-07:00</updated><title type='text'>চট্টগ্রামে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০</title><content type='html'>লেখক: ইত্তেফাক রিপোর্ট  |  বুধ, ১২ অক্টোবর ২০১১, ২৭ আশ্বিন ১৪১৮&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম শহরের পাথরঘাটা এলাকায় তুচ্ছ ঘটনার জের ধরে গতকাল মঙ্গলবার রাতে সংঘর্ষে সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। এ সময় কয়েকটি বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। দুই পক্ষের ধাওয়া পাল্টা-ধাওয়ায় আশপাশের এলাকায় আতংক ছড়িয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ জানিয়েছে রাত সাড়ে ৮টার দিকে পাথরঘাটার জলিলগঞ্জে গঙ্গাবাড়ির মোড়ে স্থানীয় দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। পরে রাত ১১টার দিকে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয়রা জানান, বিকেলে জেলেপাড়া ও বংলাশ রোডের দুইদল কিশোরের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয়। এনিয়ে রাতে উভয় পাড়ার বয়োজ্যেষ্ঠরাও সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তারা লাঠিসোঠা ও ইটপাটকেল নেয়ে পরস্পরের ওপর হামলা চালায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ সময় ইটের আঘাতে একটি সংবাদ সংস্থার সাংবাদিক এবং একটি টিভি চ্যানেলের ক্যামেরাম্যানসহ অন্তত ২০ জন আহত হন। সংঘর্ষে পর থেকে এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সেখানে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক ইত্তেফাক, ১২ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://new.ittefaq.com.bd/news/view/48498/2011-10-12/2"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আরও জানতে দেখুন। &lt;a href="http://hinduismsite.ucoz.com/blog/2011-10-12-342"&gt;http://hinduismsite.ucoz.com/blog/2011-10-12-342&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-277470631805868356?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/277470631805868356/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=277470631805868356&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/277470631805868356'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/277470631805868356'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_3632.html' title='চট্টগ্রামে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষে আহত ২০'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2700151229731537083</id><published>2011-10-12T05:48:00.000-07:00</published><updated>2011-10-12T06:08:30.052-07:00</updated><title type='text'>চট্টগ্রামে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২০</title><content type='html'>স্টাফ করেসপন্ডেন্ট&lt;br /&gt;বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম&lt;a onblur="try {parent.deselectBloggerImageGracefully();} catch(e) {}" href="http://2.bp.blogspot.com/-B0--Hc6QA7Q/TpWQom18VuI/AAAAAAAAASI/DkgSBuMr0L8/s1600/ctg-hindu-jele-para-muslim-attack.jpg"&gt;&lt;img style="float: right; margin: 0pt 0pt 10px 10px; cursor: pointer; width: 155px; height: 320px;" src="http://2.bp.blogspot.com/-B0--Hc6QA7Q/TpWQom18VuI/AAAAAAAAASI/DkgSBuMr0L8/s320/ctg-hindu-jele-para-muslim-attack.jpg" alt="চট্টগ্রাম হিন্দু মুসলিম সংঘর্ষ, হিন্দুদের উপর মুসলিম আক্রমণ" id="BLOGGER_PHOTO_ID_5662591133784233698" border="0" /&gt;&lt;/a&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রাম: চট্টগ্রামের পাথরঘাটার জলিলগঞ্জে পূর্ব দ্বন্দ্বের জের ধরে সংঘর্ষে দুই সাংবাদিকসহ কমপক্ষে ২০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার রাতে এ ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত সংঘর্ষ থামলেও এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিলো।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তেজিত উভয় পক্ষ একে অপরের ওপর চড়াও হয়। পাথরঘাটার দুটি জেলে পাড়ায় কয়েকটি বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় পুরো এলাকায় সংঘাত ছড়িয়ে পড়ে। চারিদিক থেকে চিৎকার আর কান্নার শব্দ ভেসে আসতে থাকে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে জলিলগঞ্জের গঙ্গাবাড়ির মুখ এলাকায় শুরু হওয়া এই সংঘর্ষ রাত ১০টা পর্যন্ত চলছিলো। সংঘর্ষে এক পক্ষ অপর পক্ষের ওপর লাঠি সোটা নিয়ে আক্রমণ চালায়। এর পাশাপাশি বৃষ্টির মতো ছোঁড়া হয় ইট-পাটকেল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাত ১০ টা পনেরো মিনিটে পরিস্থিতি কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসলেও সার্বিক পরিস্থিতির উন্নতি ঘটেনি। সিএমপি’র উপ-কমিশনার অামেনা বেগমের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম ঘটনাস্থলে পৌছে হামলাকারীদের সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা চালান। আহতদের স্থানীয় বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংঘর্ষ চলাকালে ওই এলাকায় ব্যাপক আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভয়ে অনেক নারী  কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে ইটে’র আঘাতে আহত হয়েছেন  বাংলানিউজের চট্টগ্রাম অফিসের স্টাফ ফটোগ্রাফার উজ্জ্বল ধর ও ইন্ডিপেন্ডেন্ট টেলিভিশনের চট্টগ্রাম অফিসের ক্যামেরাম্যান সাজীব । দুইজনই মাথায় আঘাত পেয়েছেন ।  উজ্জ্বল ধরকে স্থানীয় সেন্টার পয়েন্ট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্থানীয়রা  জানান, একটি মোবাইল ফোন নিয়ে দুই বন্ধুর মধ্যে বিবাদের জের ধরে দুটি পাড়ায় এই সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে কোতয়ালী থানার কর্তব্যরত ডিউটি অফিসার এসআই মাহমুদ বাংলানিউজকে জানান, গন্ডগোলের খবর পেয়ে কোতয়ালী থানা পুলিশের একাধিক টিম ঘটনাস্থলে পৌছেছে। তবে কি কারনে এই সংঘর্ষ শুরু হয়েছে সেটা তিনি জানাতে পারেন নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশ সময়: ২১৩১ ঘণ্টা, অক্টোবর ১১, ২০১১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলানিউজ২৪ &lt;a href="http://www.banglanews24.com/detailsnews.php?nssl=ac8064c510ccb020abcf060830fbf1c6&amp;amp;nttl=2011101262568"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2700151229731537083?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2700151229731537083/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2700151229731537083&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2700151229731537083'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2700151229731537083'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_7687.html' title='চট্টগ্রামে দুই পাড়ার মধ্যে সংঘর্ষ, সাংবাদিকসহ আহত ২০'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><media:thumbnail xmlns:media='http://search.yahoo.com/mrss/' url='http://2.bp.blogspot.com/-B0--Hc6QA7Q/TpWQom18VuI/AAAAAAAAASI/DkgSBuMr0L8/s72-c/ctg-hindu-jele-para-muslim-attack.jpg' height='72' width='72'/><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5910401462645097580</id><published>2011-10-12T05:46:00.000-07:00</published><updated>2011-10-12T05:48:23.177-07:00</updated><title type='text'>বদরগঞ্জে মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, রংপুর, ১১ অক্টোবর ॥&lt;br /&gt;রংপুরের বদরগঞ্জে দুর্বৃত্তরা মন্দিরে হামলা চালিয়ে প্রতিমা ভাংচুর করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার গভীর রাতে বদরগঞ্জ পৌরশহরের জামুবাড়ি পকিহানা দুর্গা মন্দিরে। এ নিয়ে এলাকার হিন্দু সমপ্রদায়ের লোকজনদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বদরগঞ্জ পৌর শহরের জামুবাড়ি পকিহানা দুর্গা মন্দিরের সভাপতি খোকন কুমার দাস বলেন, দুর্গা পুজোর মহাঅষ্টমীর দিন একই এলাকার গদা মিয়ার ছেলে আনারুল হক (২০) ও তার সহযোগী কয়েক জন নেশাগ্রস্ত অবস্থায় ওই পুজো মন্দির চত্বরে এসে দর্শনার্থী কয়েকজন হিন্দু নারীকে উত্ত্যক্ত করে। এ ঘটনায় তাকে পুলিশে দেয়া হয়। গত সোমবার আনারুল কোর্ট থেকে জামিন নিয়ে এসে মূর্তি ভাংচুর করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১২ অক্টোবর, ২০১১, &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-10-12&amp;amp;ni=73692"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5910401462645097580?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5910401462645097580/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5910401462645097580&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5910401462645097580'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5910401462645097580'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_12.html' title='বদরগঞ্জে মন্দিরে হামলা, প্রতিমা ভাংচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7641348416462377776</id><published>2011-10-12T04:12:00.000-07:00</published><updated>2011-10-13T02:14:04.874-07:00</updated><title type='text'>পাথরঘাটায় সংঘর্ষ ভাংচুর ও লুট আহত ১২ লাঠিচার্জ, ফাঁকা গুলি</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম অফিস ॥ মঙ্গলবার রাতে নগরীর পাথরঘাটা জলিলগঞ্জ এলাকায় দুই গ্রুপ যুবকের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় দুই ফটো সাংবাদিকসহ ১০/১২ জন আহত হয়েছেন। সংঘবদ্ধ একদল যুবক নানা ধরনের গুজব ছড়িয়ে সংঘর্ষ পুরো পাথরঘাটা এলাকায় ছড়িয়ে দেয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ রাতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েকদফা লাঠিচার্জ এবং ফাঁকা গুলিবর্ষণ করে। এ ঘটনায় ওই এলাকায় কিছু দোকানপাট ভাংচুর ও লুটতরাজের ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা থেকেই এলাকার কতিপয় বখাটে যুবক দুই পাড়ার আধিপত্যকে কেন্দ্র করে দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে। রাত সাড়ে ৮টায় ১০/১২ যুবক প্রথমে হাতাহাতি ও পরে ধাওয়া পাল্টাধাওয়ায় রূপ নিলে পরিস্থিতির অবনতি ঘটতে থাকে। সংঘর্ষে জড়িত যুবকদের ইটপাটকেল নিক্ষেপে ওই এলাকার মসজিদ ও মন্দিরের ক্ষতি সাধিত হলে সর্বস্তরের লোকজন বিক্ষুব্ধ হয়ে যায়। এর আগে দুই পাড়ার যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষে পুরো পাথরঘাটা এলাকায় বিস্তৃতি ঘটতে থাকে। কোতোয়ালি থানা থেকে কয়েক শ' গজ দূরে এ ঘটনা ঘটতে থাকলেও পুলিশ যথাসময়ে কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেনি। কিন্তু বিক্ষুব্ধ যুবকদের মধ্যে সংঘর্ষ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়লে পুলিশের তৎপরতা শুরু হয়। এর আগেই বিক্ষুব্ধ যুবকরা পাথরঘাটার জলিলগঞ্জ, বা-েল রোড, বংশাল রোড, ক্যাথলিক ক্লাব এলাকার কিছু দোকানপাট ভাংচুর ও লুটতরাজের ঘটনা ঘটায়। এ সময় পাশে ঘটনার খবর পেয়ে টিভি মিডিয়ার ক্যামেরাম্যান ও ফটো সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে বিক্ষুব্ধ যুবকরা তাদের ওপরও এলোপাতাড়ি হামলা করে। এতে ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি মিডিয়ার ক্যামেরাম্যান সাজিদ হাসান ও বাংলা নিউজের ফটো সাংবাদিক উজ্জ্বল ধর ইটের আঘাতে আহত হন। এ ছাড়া আরও ১০/১২ যুবক আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়। পরিস্থিতির অবনতি ঘটলে এলাকার বিদ্যুত সরবরাহও বন্ধ করে দেয়া হয়। সংঘর্ষ নিয়ে সামপ্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট ও গুজবের আশঙ্কায় রাত ১০টায় এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত বিপুলসংখ্যক র্যাব-পুলিশ মোতায়েন করা হয়। দাঙ্গা পুলিশও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কয়েক রাউন্ড ফাঁকা গুলি এবং লাঠিচার্জ করে।&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১২/১০/১১। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=27&amp;amp;dd=2011-10-12&amp;amp;ni=73700"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7641348416462377776?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7641348416462377776/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7641348416462377776&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7641348416462377776'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7641348416462377776'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_6658.html' title='পাথরঘাটায় সংঘর্ষ ভাংচুর ও লুট আহত ১২ লাঠিচার্জ, ফাঁকা গুলি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-1115964923313977660</id><published>2011-10-07T08:43:00.000-07:00</published><updated>2011-10-07T08:49:58.432-07:00</updated><title type='text'>নেত্রকোনা ও বন্দরে পূজামণ্ডপে হামলা</title><content type='html'>যুগান্তর ডেস্ক&lt;br /&gt;শারদীয় দুর্গা পূজায় নারায়ণগঞ্জের বন্দর ও নেত্রকোনায় পূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরোহিতসহ ৪ জন আহত হয়েছেন। বিস্তারিত জানাচ্ছেন যুগান্তরের নেত্রকোনা ও বন্দর প্রতিনিধি--&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বন্দর: দুটি মণ্ডপে বৃহস্পতিবার হামলা, সংঘর্ষ ও মারামারি হয়েছে। এতে পূজামণ্ডপের দুই পুরোহিতসহ চারজন ভক্ত ধারালো অস্ত্রের আঘাতে আহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার ভোরে বন্দরের র্যালি লেজারার্স মণ্ডপে দেবী দর্শনের নামে একদল যুবক মদ খেয়ে হৈহল্লা শুরু করে। এ সময় ওই মণ্ডপের পুরোহিত শংকর চক্রবর্তী ও অনিল চক্রবর্তী তাদের বাধা দিলে ক্ষিপ্ত হয়ে ৮-১০ জন বখাটে যুবক পুরোহিতদ্বয়কে পিটিয়ে আহত করে। অপরদিকে উচ্চ শব্দে গান বাজিয়ে নৃত্য করার সময় বৃহস্পতিবার ভোরে বন্দরের লাল জিউর আখড়া পূজামণ্ডপে দর্শনার্থী দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নেত্রকোনা: শারদীয় দুর্গোৎসবের চতুর্থ দিনে বুধবার রাতে জেলা শহরের সাতপাই এলাকার (গাড়া রোডে) সার্বজনীন পূজা উদযাপন কমিটির পূজামণ্ডপের সামনে আয়োজিত সংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে একদল উচ্ছৃঙ্খল যুবক হামলা চালিয়ে অনুষ্ঠান পণ্ড করে দিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুগান্তর, ০৭ অক্টোবর, ২০১১। পৃষ্ঠা-১৬&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-1115964923313977660?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/1115964923313977660/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=1115964923313977660&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1115964923313977660'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1115964923313977660'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_2105.html' title='নেত্রকোনা ও বন্দরে পূজামণ্ডপে হামলা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2811777000890831100</id><published>2011-10-07T08:26:00.000-07:00</published><updated>2011-10-07T08:42:55.464-07:00</updated><title type='text'>প্রতিমার নিচে চাপা পড়ে ও সংঘর্ষে নিহত ৩ আহত ২৯</title><content type='html'>যুগান্তর ডেস্ক&lt;br /&gt;সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে বিসর্জনের সময় প্রতিমার নিচে চাপা পড়ে দু’যুবক মারা গেছে। মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে পূজার কনসার্টে সংঘর্ষে একজন নিহত এবং ৪ জন আহত হয়েছে। কক্সবাজারে গ্রামবাসী ও পূজারিদের মধ্যে সংঘর্ষে আহত হয়েছে ২৫ জন। যুগান্তর প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শাহজাদপুর : &lt;/span&gt;শাহজাদপুর উপজেলার করতোয়া নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে বৃহস্পতিবার পানিতে ডুবে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এই দুই যুবক হলেন পৌরসদর এলাকার মণিরামপুর গ্রামের বিনয় বসাকের ছেলে গৌতম বসাক ও রাম বসাকের ছেলে সুমন বসাক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রত্যক্ষদর্শী ও এলাকাবাসী জানায়, বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীতে থানারঘাট এলাকার করতোয়া নদীতে দুর্গা প্রতিমা বিসর্জন দিতে গিয়ে প্রতিমার নিচে চাপা পড়ে ওই দুই যুবক নিখোঁজ হয়। একঘণ্টা খোঁজাখুঁজির পর প্রথমে গৌতমের লাশ এবং পরে সুমনের লাশ উদ্ধার করে স্থানীয় চিকিৎসকের কাছে নেয়া হলে ডাক্তার তাদের মৃত ঘোষণা করে। এই মৃত্যুর খবর শহরে ছড়িয়ে পড়লে সবার মাঝে শোকের ছায়া নেমে আসে। মুহূর্তে আনন্দ-উল্লাস শোকে পরিণত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) :&lt;/span&gt; মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখানে শারদীয় দুর্গা পূজার কনসার্টে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু’গ্র“পের সংঘর্ষে ধারালো ছোরার এলোপাতাড়ি আঘাতে রায়হান-উল-ইসলাম (১৭) নামের এক তরুণ নিহত ও ৪ জন আহত হয়েছে। বুধবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে জেলার সিরাজদিখান উপজেলার রাজানগর সৈয়দপুর আবদুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে কনসার্ট চলাকালে স্থানীয় রজ্জব ও সজিবের নেতৃত্বাধীন গ্র“পের সঙ্গে এক গ্র“প ও একই উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর কুচিয়ামোড়া থেকে আসা রায়হান-জনির গ্র“পের মধ্যে ওই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। রায়হান একই উপজেলার জাহাঙ্গীরনগর কুচিয়ামোড়া এলাকার মৃত আজগর আলীর ছেলে। সিরাজদিখান থানার ওসি মাহবুবুর রহমান জানান, সৈয়দপুর কৃষ্ণকলি মন্দিরের শারদীয় পূজা উদযাপন কমিটি স্কুল মাঠে ওই কনসার্টের আয়োজন করে। কনসার্টে ক্লোজআপ ওয়ান তারকা বাউল শিল্পী রিংকুর গান পরিবশেনকালে নাচানাচি ও পানি ছিটানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষে রায়হানের গলায় ছোরা দিয়ে আঘাত করা হয়। রাত ১২টার দিকে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হয়। পরে সেখানকার কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন। রায়হানের বন্ধু সাকিন, জনি ও স্থানীয় গ্রুপের বায়েজিত ও সুজিতকে আহত অবস্থায় সিরাজদিখান উপজেলার ইছাপুরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কক্সবাজার : &lt;/span&gt;কক্সবাজারে প্রতিমা বিসর্জন দিতে আসার সময় গ্রামবাসীর সঙ্গে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সংঘর্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় প্রতিমাবাহী ট্রাক, প্রতিমা ভাংচুর ও দু’পক্ষের মাঝে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ, ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বৃহস্পতিবার বেলা ৩টায় রামু থেকে প্রতিমাবাহী ট্রাক সমুদ্র সৈকতে আসার পথে খরুলিয়া দরগাহ এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা উৎসুক মহিলা ও শিশুদের ওপর রং ছিটায় পূজারিরা। শিশুরা তখন ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। ইটের আঘাতে ১১ পূজারির মাথা ফেটে যায়। এক পর্যায়ে প্রতিমাবাহী ট্রাক দাঁড়ালে উচ্ছৃংখল এক দল যুবক প্রতিমা ও গাড়িতে হামলা চালায়। ইতিমধ্যে বিভিন্ন এলাকা থেকে পেছন থেকে আসা প্রতিমাবাহী ১৫টির মতো ট্রাক সেখানে দাঁড়িয়ে সড়কে ব্যারিকেড দেয় ও পার্শ্ববর্তী বাড়িতে পূজারিরা হামলা ও ভাংচুর করে। এতে এলাকাবাসীর পক্ষে ১৪ জন আহত হয়। পুলিশ ও স্থানীয় নেতারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। কক্সবাজার পুলিশ সুপার সেলিম মোঃ জাহাঙ্গীর জানান, ইতিমধ্যে ২ জন দুর্বৃত্তকে আটক করা হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। আহতদের মধ্যে ছোটন পাল, নিপু ধর, তপন দাশ, কিরণ ধর, নান্টু ধর, নিপু দে, সুমন দে, তরুণ ধর, গ্রামবাসীর পক্ষে শাহা আলম, আবদুস ছালাম, জাফর আলমের নাম পাওয়া গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;যুগান্তর, ০৭ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://jugantor.us/enews/issue/2011/10/07/news0135.htm"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2811777000890831100?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2811777000890831100/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2811777000890831100&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2811777000890831100'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2811777000890831100'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_1961.html' title='প্রতিমার নিচে চাপা পড়ে ও সংঘর্ষে নিহত ৩ আহত ২৯'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-3122731260929206678</id><published>2011-10-07T08:23:00.000-07:00</published><updated>2011-10-07T08:25:30.118-07:00</updated><title type='text'>চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৪</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;চট্টগ্রাম ব্যুরো&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চট্টগ্রামের দুটি পূজামণ্ডপে পৃথক সংঘর্ষের ঘটনায় চার যুবক ছুরিকাহত হয়েছেন। বুধবার রাতে নগরীর জামাল খান ও দেওয়ান বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ জানায়, নগরীর কোতোয়ালি থানাধীন জামালখান বাইলেনে স্থাপিত একটি পূজামণ্ডপে গান গাওয়া ও নৃত্য করাকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের মধ্যে কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে সংঘর্ষ বাধলে, প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে এক যুবক আহত হন। এর এক কিলোমিটার দূরে দেওয়ান বাজারে স্থাপিত অন্য একটি পূজামণ্ডপে একইভাবে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে প্রতিপক্ষের ছুরিকাঘাতে আহত হন তিন যুবক। পরে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। কোতোয়ালি থানা পুলিশ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করলেও আহতদের নাম তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তাদের চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সমকাল, ০৭ অক্টোবর, ২০১১।&lt;a href="http://samakal.com.bd/details.php?news=17&amp;amp;action=main&amp;amp;menu_type=&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=198330&amp;amp;pub_no=835&amp;amp;type="&gt; লিংক &lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-3122731260929206678?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/3122731260929206678/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=3122731260929206678&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3122731260929206678'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3122731260929206678'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_1399.html' title='চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপে পৃথক সংঘর্ষে আহত ৪'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-8247800996191114215</id><published>2011-10-07T07:52:00.000-07:00</published><updated>2011-10-07T07:58:06.127-07:00</updated><title type='text'>কক্সবাজারে প্রতিমা ভাংচুর আহত ৫</title><content type='html'>কক্সবাজার অফিস&lt;br /&gt;কক্সবাজারে প্রতিমা বহনকারী গাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় ৫ জন আহত হয়। পুলিশ ২ জনকে আটক করেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে এ ঘটনা ঘটে। ওই গাড়িতে করে সমুদ্রসৈকতে বিসর্জনের জন্য প্রতিমা নেওয়া হচ্ছিল।&lt;br /&gt;জানা গেছে, কক্সবাজার সদর উপজেলার ঈদগাঁও চৌধুরীপাড়া, পালপাড়া, হাসিনাপাড়ার ৩টি মণ্ডপের প্রতিমা বহরের গাড়ি কক্সবাজার সদরের বাংলাবাজার পেঁৗছলে একদল যুবক এতে হামলা চালায়। এ সময় প্রতিমা ভাংচুর করা হয়।&lt;br /&gt;অপরদিকে রামু উপজেলার রাজারকুল ইউনিয়নের পালপাড়া এলাকার মণ্ডপের প্রতিমা নিয়ে গাড়িবহর দরগাহ নামক এলাকায় পেঁৗছলে শিবিরের একদল চিহ্নিত ক্যাডার সড়কে ব্যারিকেড দিয়ে প্রতিমা ভাংচুর করে। এ সময় সৈকত পাল, উত্তম পাল, শিমুলসহ ৫ জন আহত হয়। আহতদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।&lt;br /&gt;খবর পেয়ে রামুর রাজারকুলের চেয়ারম্যান আবদুর রহিম এবং রামু থানার ওসির নেতৃত্বে পুলিশ ঘটনাস্থলে গেলে চেয়ারম্যানের গাড়িও ভাংচুর করা হয়। এ সময় একদল যুবক ৪টি বসতবাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাংচুরের ঘটনা ঘটায়।&lt;br /&gt;জেলার পুলিশ সুপার সেলিম মোঃ জাহাঙ্গীর ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, এ ঘটনায় পুলিশ এ পর্যন্ত ২ জনকে আটক করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সমকাল, ০৭ অক্টোবর, ২০১১। লিংকhttp://samakal.com.bd/details.php?news=17&amp;amp;action=main&amp;amp;menu_type=&amp;amp;option=single&amp;amp;news_id=198308&amp;amp;pub_no=835&amp;amp;type=&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-8247800996191114215?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/8247800996191114215/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=8247800996191114215&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8247800996191114215'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8247800996191114215'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_8897.html' title='কক্সবাজারে প্রতিমা ভাংচুর আহত ৫'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-8233114178430573271</id><published>2011-10-07T07:49:00.000-07:00</published><updated>2011-10-07T07:52:19.965-07:00</updated><title type='text'>চুয়াডাঙ্গায় পূজামণ্ডপ থেকে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ</title><content type='html'>﻿&lt;span style="font-style: italic;"&gt;চুয়াডাঙ্গা প্রতিনিধি | তারিখ: ০৭-১০-২০১১&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার সরিষাডাঙ্গা গ্রামে এক স্কুলছাত্রী গণধর্ষণের শিকার হয়েছে। গত বুধবার রাতে চার যুবক স্থানীয় মুচিপাড়া পূজামণ্ডপ থেকে ওই ছাত্রীকে কৌশলে একটি পানের বরজে নিয়ে মধ্যরাত পর্যন্ত পাশবিক নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় দুই যুবককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধর্ষণের শিকার ওই মেয়েটি সরিষাডাঙ্গা ব্র্যাক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণীর ছাত্রী।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এলাকাবাসী জানান, গত বুধবার রাতে ওই ধর্ষণের ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেল পাঁচটায় উপজেলার মোমিনপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) কার্যালয়ে সালিসের আয়োজন করা হয়। বিষয়টি জানাজানি হলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামীম মুসার নেতৃত্বে একদল পুলিশ সালিস থেকে অভিযুক্তদের মধ্যে মিলন হোসেন ও হুমায়ুন নামের দুই ধর্ষণকারীকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যায়। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে চার যুবককে আসামি করে একটি মামলা করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তাঁরা আরও জানান, ধর্ষণের ঘটনা নিয়ে সালিসের আয়োজনের খবর এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে (ওসি) জানানো হয়। পরে ওসি শামীম মুসা বিকেল পাঁচটায় ঘটনাস্থলে যান এবং মিলন ও হুমায়ুনকে গ্রেপ্তার করেন। এ ছাড়া ধর্ষণের শিকার ওই স্কুলছাত্রীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সদর থানার ওসি শামীম মুসা বলেন, বাকি দুজনকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ০৭ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-07/news/191896"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-8233114178430573271?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/8233114178430573271/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=8233114178430573271&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8233114178430573271'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8233114178430573271'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_2614.html' title='চুয়াডাঙ্গায় পূজামণ্ডপ থেকে স্কুলছাত্রীকে তুলে নিয়ে ধর্ষণ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-1820522858768980801</id><published>2011-10-07T07:46:00.000-07:00</published><updated>2011-10-07T07:49:04.817-07:00</updated><title type='text'>পূজামণ্ডপে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;গৌরনদী (বরিশাল) প্রতিনিধি | তারিখ: ০৭-১০-২০১১&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বরিশালের গৌরনদীতে আরতি করাকে কেন্দ্র করে দুর্গাপূজামণ্ডপে হামলার ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় এক মহিলাসহ ১০ জন আহত হয়েছে। এতে পূজা অর্চনা ও আরতি পণ্ড হয়ে যায়। আগৈলঝাড়া উপজেলার মোল্লাপাড়া গ্রামে দুটি সর্বজনীন মন্দিরের প্রতিমা ভাঙচুর করেছে দুষ্কৃতকারীরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, গৌরনদী উপজেলার তাঁরাকুপি গ্রামের সুমন খান (২১) কয়েকজন সহযোগীকে নিয়ে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে পশ্চিম বার্থী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় চত্বরে পূজামণ্ডপে অনুষ্ঠান দেখতে যায়। রাত সাড়ে ১০টার দিকে সুমন খান ও তাঁর দুই বন্ধু মঞ্চের কাছে গিয়ে তাৎক্ষণিক আরতি করতে ইচ্ছা প্রকাশ করে। অনুষ্ঠানের দায়িত্বে থাকা রনি দত্ত (২২) কিছুক্ষণ পর তাঁদের সুযোগ দেওয়ার কথা বলেন। এতে সুমন ও তাঁর বন্ধু রেগে গিয়ে কমিটির লোকজনকে গালিগালাজ করতে থাকে। এ নিয়ে বাগবিতণ্ডার একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ক্ষিপ্ত হয়ে সুমন ও তাঁর সহযোগীরা মণ্ডপের আরতি অনুষ্ঠানে হামলা চালায়। এ সময় দর্শক শিপ্রা রানী (২৪), রনি দত্ত (২২), সঞ্জয় দাস (২০), প্রসঞ্জিত তপাদার (২২), ননী গোপাল কর (২০), খোকন দাসসহ (২৪) ১০ জন আহত হন। গৌরনদী থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। গৌরনদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নুরুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, থানায় একটি মামলা হয়েছে। হামলাকারীদের গ্রেপ্তারের জোর চেষ্টা চলছে ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই দিন গভীর রাতে মোল্লাপাড়া গ্রামের সর্বজনীন কালীমন্দিরের শীতলা প্রতিমা ও রায়বাড়ির কালীমন্দিরের শীতলা প্রতিমা ভাঙচুর করে দুষ্কৃতকারীরা। আগৈলঝাড়া থানার ওসি অশোক কুমার নন্দীসহ একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে ওসি অশোক কুমার নন্দী বলেন, দুর্গাপূজা দেখে গভীর রাতে বাড়ি ফেরার পথে উশৃঙ্খল যুবকেরা এ কাজ করে থাকতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ০৭ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-07/news/191859"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-1820522858768980801?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/1820522858768980801/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=1820522858768980801&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1820522858768980801'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1820522858768980801'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_07.html' title='পূজামণ্ডপে হামলা, প্রতিমা ভাঙচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7066710718591706728</id><published>2011-10-06T10:04:00.001-07:00</published><updated>2011-10-06T10:04:52.253-07:00</updated><title type='text'>ধুনটে পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুর, দুই যুবকের দণ্ড</title><content type='html'>ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি | তারিখ: ০৬-১০-২০১১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বগুড়ার ধুনটে পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুর করার অপরাধে ভ্রাম্যমাণ আদালত দুই তরুণকে তিন মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। তোরণ ভাঙচুরের ঘটনায় পূজা কমিটির সভাপতি বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেছেন।&lt;br /&gt;ধুনট থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে উপজেলার গোসাইবাড়ী ইউনিয়নের চুনিয়াপাড়া চৌধুরীবাড়ী পূজামণ্ডপে পূজা চলাকালীন স্থানীয় ১০-১২ জন তরুণ সেখানে গিয়ে বসতে চান। এ সময় পূজা কমিটির লোকজন তাঁদের বসতে দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় তাঁরা ক্ষিপ্ত হয়ে বেরিয়ে এসে মণ্ডপের সামনের তোরণ ভাঙচুর করতে থাকেন। খবর পেয়ে উপজেলা ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আতাউল গনি পুলিশের সহযোগিতায় শিমুলবাড়ী গ্রামের দুলাল মিয়া (২২) ও গোসাইবাড়ী গ্রামের সয়বর রহমান (২১) নামের দুই তরুণকে আটক করেন। আদালত তাৎক্ষণিকভাবে তাঁদের তিন মাস করে কারাদণ্ড দেন।&lt;br /&gt;এ সময় ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়া বেলাল হোসেন, আপেল মাহমুদ, রকিব নামের তিন যুবকসহ অজ্ঞাত আরও ছয়-সাতজনের বিরুদ্ধে পূজা কমিটির সভাপতি হরিয়া চৌধুরী থানায় মামলা দায়ের করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ধুনট থানার পরিদর্শক (ওসি) তোজাম্মেল হক জানান, পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুরের ঘটনায় ওই দুই তরুণকে ভ্রাম্যমাণ আদালত তিন মাস করে কারাদণ্ড দিয়েছেন। এ ছাড়া পূজা কমিটির সভাপতি তিনজনসহ অজ্ঞাত ছয়-সাতজন যুবকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। দণ্ডপ্রাপ্ত দুজনকে বুধবার (গতকাল) সকালে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। অন্যদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ০৬ অক্টোবর, ২০১১ । &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-06/news/191619"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7066710718591706728?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7066710718591706728/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7066710718591706728&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7066710718591706728'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7066710718591706728'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_4889.html' title='ধুনটে পূজামণ্ডপের তোরণ ভাঙচুর, দুই যুবকের দণ্ড'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-875675182798797428</id><published>2011-10-06T10:00:00.000-07:00</published><updated>2011-10-06T10:02:29.951-07:00</updated><title type='text'>সুনামগঞ্জে দুটি পূজা মণ্ডপে উচ্ছৃঙ্খলতা চার যুবক আটক</title><content type='html'>সুনামগঞ্জ অফিস | তারিখ: ০৬-১০-২০১১&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পূজামণ্ডপে গিয়ে উচ্ছৃঙ্খল আচরণ ও পূজারিদের মারধরের ঘটনায় সুনামগঞ্জ সদর ও জামালগঞ্জ থানা পুলিশ মঙ্গলবার রাতে পাঁচ যুবককে আটক করেছে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন এক যুবক।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ ও পূজারিরা জানান, মঙ্গলবার রাত নয়টার দিকে সুনামগঞ্জ শহরের নতুনপাড়া এলাকার একটি পূজামণ্ডপে গিয়ে একদল যুবক উচ্ছৃঙ্খল আচরণ করে। তাৎক্ষণিক আয়োজক কমিটির লোকজন বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়ার পরও রাত সাড়ে ১১টায় শহরের স্টেডিয়ামের পার্শ্ববর্তী এলাকায় একা পেয়ে পূজা কমিটির সদস্য সুজিতকে মারধর করে ওই যুবকেরা। তাঁকে আহত অবস্থায় সুনামগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় শহরের সব পূজামণ্ডপের পূজারিরা একত্র হয়ে গভীর রাতে প্রতিবাদ জানান। পরে পৌরসভার মেয়র আয়ূব বখত জগলুল ও সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল আউয়াল ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। এ সময় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন যুবককে আটক করে পুলিশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ০৬ অক্টোবর, ২০১১ । &lt;a href="http://www.prothom-alo.com/detail/date/2011-10-06/news/191612"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-875675182798797428?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/875675182798797428/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=875675182798797428&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/875675182798797428'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/875675182798797428'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_06.html' title='সুনামগঞ্জে দুটি পূজা মণ্ডপে উচ্ছৃঙ্খলতা চার যুবক আটক'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2058071261020542366</id><published>2011-10-03T09:34:00.000-07:00</published><updated>2011-10-03T09:39:49.817-07:00</updated><title type='text'>কয়রায় প্রতিমা ভাংচুর, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ খুলনার কয়রা উপজেলার আমাদী বাজার ৭টি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। দুর্গাপুজো শুরুর প্রাক্কালে শনিবার রাতের আঁধারে কে বা কারা এসব প্রতিমা ভাংচুর করে। এতে হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের মাঝে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ ঘটনার প্রতিবাদে স্থানীয় পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষুব্ধ জনতা রবিবার প্রায় ৫ ঘণ্টা পাইকগাছা-কয়রা সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানা গেছে, কয়রার আমাদী বাজার সর্বজনীন পুজোমণ্ডপের দুর্গা, গণেশ, মহিষাসূরসহ ৭টি মূর্তি শনিবার রাতে কে বা কারা ভাংচুর করে। এ ঘটনার প্রতিবাদে পূজা উদযাপন পরিষদের উদ্যোগে বিক্ষুব্ধ জনগণ রবিবার সকাল ৬টা থেকে বেলা ১টা পর্যন্ত পাইকগাছা-কয়রা সড়ক অবরোধ করে। এ সময় অবরোধকারীরা টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন এবং ১টি বাস ভাংচুর করে। বেলা ১টার দিকে উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপে অবরোধ তুলে নেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে প্রতিমা ভাংচুরের খবর পেয়ে কয়রা উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিএম মহসীন রেজা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আবুল বশার, কয়রা থানার ওসি আলী আজম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিমাগুলো পুজো শুরুর আগেই দ্রুত মেরামত করার জন্য উপজেলা প্রশাসন থেকে তাৎক্ষণিক ১১ হাজার টাকা প্রদান করা হয় বলে জানা গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ০৩ অক্টোবর, ২০১১। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-10-03&amp;amp;ni=72739"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2058071261020542366?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2058071261020542366/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2058071261020542366&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2058071261020542366'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2058071261020542366'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post_03.html' title='কয়রায় প্রতিমা ভাংচুর, প্রতিবাদে সড়ক অবরোধ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-1436698718117251298</id><published>2011-10-02T01:55:00.000-07:00</published><updated>2011-10-02T02:03:38.782-07:00</updated><title type='text'>পুজোমণ্ডপে আগুন প্রতিমা ভাংচুর, জামায়াত নেতাসহ গ্রেফতার ১০</title><content type='html'>জনকণ্ঠ ডেস্ক ॥ পুজোমণ্ডপে অগ্নিসংযোগ ও ভাংচুর এবং নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে জামায়াত নেতাসহ ছাত্রশিবির ও হিযবুত তাওহীদের ১০ সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ ও ব়্যাব। শুক্রবার শনিবার রাতে তাদের গ্রেফতার করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টাফ রিপোর্টার রাজশাহী থেকে জানান, চারঘাট উপজেলা সদরের একটি পুজোমণ্ডপে অগ্নিসংযোগের ঘটনায় জামায়াত শিবির ও হিযবুত তাওহীদের চার সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে। শনিবার দুপুরে রাজশাহী ব়্যাবের রেলওয়ে কলোনি ক্যাম্পের সদস্যরা উপজেলা সদরের বিভিন্ন এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গ্রেফতারকৃতরা হলো, চারঘাট উপজেলা হিযবুত তাওহীদের আমীর মানিক ওরফে রতন, সদস্য আব্দুল বাছেদ, পৌর শাখা জামায়াতের সাবেক সভাপতি মমতাজ হোসেন ও ছাত্রশিবির কর্মী কাউসার আলী। র্যাব সূত্র জানায় উপজেলা সদর, মেরামতপুর, ঝিকড়া ও নন্দনগাছি এলাকা থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানা যায়, শুক্রবার গভীর রাতে চারঘাট উপজেলা সদরের কেন্দ্রীয় পুজামণ্ডপে অগ্নিসংযোগ ও প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় শনিবার সকালে চারঘাট থানায় মামলা দায়েরের পর ব়্যাব সদস্যরা অভিযানে নামে। ব়্যাব সদস্যরা পুজোমণ্ডপে অগ্নিসংযোগ ও প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় জড়িত থাকার সন্দেহে তাদের গ্রেফতার করে। তাদের চারঘাট থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্টাফ রিপোর্টার, সিরাজগঞ্জ থেকে জানান, এনায়েতপুরের গোপীনাথপুর গ্রামের দুর্গা মন্দিরের ৫টি প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় জামায়াত নেতাসহ ২ জনকে পুলিশ আটক করেছে। এরা হচ্ছে বেলকুচি উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জামায়াত নেতা আলহাজ খন্দকার রফিক উল্লাহ এবং গোপীনাথপুর গ্রামের সোহরাব আলী (৫৫)। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে এনায়েতপুর থানার গোপীনাথপুর গ্রামের পুজোমণ্ডপে মৌলবাদী সন্ত্রাসীরা ৫টি প্রতিমা ভাংচুর করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্দির পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক সুধারাম রায় জানান, বৃহস্পতিবার রাত ১টা পর্যন্ত মন্দিরে প্রতিমা সাজসজ্জার কাজ করে তারা সবাই বাড়িতে যান। গভীর রাতে মন্দিরে ঢুকে দুর্গা, কার্তিক, সরস্বতী, লক্ষ্মী ও শ্রী হরিশ চন্দ্র প্রতিমার মাথা ভেঙ্গে রেখে যায়। শুক্রবার সকালে মন্দিরে এসে তারা প্রতিমাগুলো ভাঙ্গা অবস্থায় দেখতে পান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সংবাদ পেয়ে শুক্রবার সকাল ৯টার দিকে সিরাজগঞ্জ পুজো উদযাপন পরিষদের সন্তোষ কুমার কানু ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এ সময় তিনি প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে দ্রুত ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেফতারের দাবি জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জেলা প্রশাসক মোঃ আমিনুল ইসলাম, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পঙ্কজ ভট্টাচার্য ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ২ অক্টোবর ২০১১। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-10-02&amp;amp;ni=72589"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-1436698718117251298?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/1436698718117251298/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=1436698718117251298&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1436698718117251298'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/1436698718117251298'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/10/blog-post.html' title='পুজোমণ্ডপে আগুন প্রতিমা ভাংচুর, জামায়াত নেতাসহ গ্রেফতার ১০'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5132263833631386160</id><published>2011-09-30T12:45:00.000-07:00</published><updated>2011-10-02T02:35:31.252-07:00</updated><title type='text'>অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের পূজা প্রস্তুতি</title><content type='html'>By Bipul Mohanto&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশে এইবার ১০০০ টি পূজামণ্ডপ বেশী হচ্ছে, খবরটা অনেক আগেই পড়েছিলাম; সকলেই এই খবরে উচ্ছ্বাসিত, আনন্দিত। শুধু আনন্দ হচ্ছিলনা আমার, আমি নরাধম দাস । প্রতিবারের মতো এইবারও পূজার প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে এসেছে, প্রতিমার গায়ে শেষ বারের মতো তুলি দেবার সময় এসেছে,সকল প্রতিমা তা পাবে কিনা আমার জানা নেই,তবে মাটির প্রতিমা যে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে তা আমি হলফ করে বলতে পারি । শেষ সময়ে প্রতিমা ভাঙচুর,মন্দিরে আগুন দেয়া,মন্দিরের সেবাইত-পুরহিতদের মারধর, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ আর কি !&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দেশের কোন প্রান্ত থেকে প্রতিমা ভাঙ্গার গল্প শুরু করবো ঠিক বুঝে উঠতে পারছিনা, আচ্ছা উত্তর প্রান্ত থেকেই যাত্রা শুরু করিঃ দিনাজপুর, নীলফামারী, নওগাঁ, সিরাজগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, বরিশাল, সিলেট, এমন কি দুর্গম পার্বত্য জেলা বান্দরবানের আলিকদম সেখানেও বাদ যায়নাই। মনে করেছিলাম মাত্র কয়েকটা মণ্ডপ আর প্রতিমা ভাঙচুর হয়েছে, এখন দেখছি সমগ্র বাংলাদেশ, কোথায় বাদ আছে ? দেশে ১০০০ টি বেশী মণ্ডপ, আর ১০০০ মণ্ডপ ভাঙচুর, হিসাব তো বরাবর হতে হবে, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ বলে কথা, অসাম্প্রদায়িক হিন্দু সমাজ বলে কথা ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এই ঘটনা আজ আমাদের গা সওয়া হয়ে পরেছে, এখন আর প্রতিমা ভাঙ্গা, মণ্ডপ পোড়ান আমাদের মনে কোন প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে না, চোখের জল তো একদিন শুকিয়ে যায়……কতই আর জল ধরে এই ছোট্ট দুইটা চোখে, কতই বা জোর আছে এই তৃণভোজীর দুই দুর্বল বাহুতে, এর চাইতে ঢের ভালো মাটির প্রতিমা, এসো…… ভাঙ্গ, আগুন লাগাও মণ্ডপে, যা ইচ্ছা কর……&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিটি ঘটনার পর পুলিশ প্রশাসন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছেন, ভাগ্য খুব বেশী প্রসন্ন হলে দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার করা হচ্ছে (বড়জোর ৭ দিন তাদের হাজতে রাখা হবে), এলাকাবাসী মানব বন্ধন করছে, রাজনৈতিক নেতারা নিন্দা জ্ঞাপন করছেন, বুদ্ধিজীবীরা দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির প্রসার ঘটছে বলে বড়বড় কথা বলছেন। Really I am sick for all this nonsense. কুকুরেরও নাকি লজ্জা থাকে, কিন্তু আমাদের সেটুকুও নাই, আমরা এতেই সন্তুষ্ট। শিব একটা বেলপাতাতে সন্তুষ্ট হয়, এর আমদের সেই বেলপাতাটুকুও চাই না।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোথাও কেউ কি শুনেছেন, ঈদের আগে কোন হিন্দু ঈদগাহ ভাঙছে ? মসজিদের দেয়ালে পানের পিক ফেলছে? আগুন দেয়া বা ভাঙচুর করা তো দুরের কথা, আমাদের মনে মসজিদের দেয়ালে পানের পিকটুকুও ফেলার ইচ্ছা কখনো করে না; আর বিনিময়ে আমাদের জন্য এই উপহার! সত্যি অনেক বড় এই উপহার ! অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ। অনেক মানুষের নাকি অন্যদের আনন্দে হিংসা হয়, আমরা তাদের হিংসুক বলে থাকি, এখন আপনারাই ভেবে দেখুন কে এই হিংসুক, কে এই মহান মানব সম্প্রদায় ? শান্তির ধর্ম বললেই তো আর সব কিছু শান্তির হয় না। বাংলাদেশে সকল সম্প্রদায় নিজ নিজ ধর্ম নাকি সঠিক ভাবে পালন করছে, কোন অসাম্প্রদায়িকতা নেই এইখানে, তার নমুমা হচ্ছে এই, প্রতিবার পূজার আগে পূজা প্রস্তুতি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এখন আমি নরাধম দাস যা বলি, কক্সবাজারের হিন্দুরা নাকি এইবারে দুর্গাপূজা পালন করবেনা, কেন? আপনি কি অনুভব করতে পারেন কতটা কষ্টে, কতটা নির্যাতনের ফলে বাঙালি হিন্দু সমাজ এই ধরনের সিদ্ধান্ত গ্রহন করতে পারে, কেন তারা তাদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব পালনকে না করতে পারে ? একজন হিন্দু হিসাবে আপনার কি উচিত নয় এদের পাশে দাঁড়ানো ? আসুন আমরা সবাই এক হয়ে এই ধরণের ঘটনা গুলোকে প্রতিহত করি। কেন এই প্রতিমা ভাঙচুর, কেন এই মণ্ডপে আগুন দেয়া, কেন নিরীহ সেবাইত-পুরহিত নির্যাতন ? এর জন্য দরকার হলে আসুন আমরা সবাই মিলে পূজাকেও বর্জন করি,কক্সবাজারের হিন্দুদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের নৈতিক, সামাজিক, ধর্মীয় দায়িত্ব, তারা পূজা করবেনা, আর আপনি কি করে আনন্দ-উৎসব পালন করবেন? মায়ের পূজা আমরা সেদিনই করবো যেদিন মা আমাদের দেশে সম্পূর্ণ নিরাপদ হবেন……&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসুন, মানব বন্ধন নয়, এই ঘটনার বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলি,সোচ্চার আন্দোলন; যেন এই ঘটনাগুলোর পুনরাবৃত্তি ঘটতে না পারে, আগামী বছর মা যেন নিরাপদে ধরাধামে আসতে পারেন আমাদের মাঝে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;হরে কৃষ্ণ&lt;br /&gt;বিপুল মোহন্ত&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.facebook.com/groups/bjhm.ctg/doc/202698056464530/"&gt;http://www.facebook.com/groups/bjhm.ctg/doc/202698056464530/&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5132263833631386160?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5132263833631386160/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5132263833631386160&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5132263833631386160'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5132263833631386160'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/09/blog-post_30.html' title='অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের পূজা প্রস্তুতি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-2177451154409690938</id><published>2011-09-26T03:51:00.000-07:00</published><updated>2011-09-26T03:53:05.566-07:00</updated><title type='text'>রাজশাহী ও ঝালকাঠিতে প্রতিমা ভাংচুর</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার, রাজশাহী ॥ রাজশাহীর তানোর উপজেলার সমাসপুর গ্রামের একটি মন্দিরে ঢুকে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার রাতে ওই গ্রামের হরিমন্দিরে পুজোমণ্ডপে প্রতিমা ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। দুর্গাপুজোর শুরুর আগে প্রতিমা ভাঙ্গার ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে চরম ক্ষোভ ও উত্তেজনা বিরাজ করছে।&lt;br /&gt;খবর পেয়ে তানোর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা কাজী জিয়াউল বাসেত শনিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। তিনি নতুন করে প্রতিমা তৈরির আশ্বাস দেন। প্রতিমা ভাংচুরের পর থেকেই ওই এলাকায় পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ঘটনায় মন্দির কমিটির সভাপতি অনুকূল চন্দ্র কবিরাজ একই এলাকার ইসমাইল হোসেনসহ ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে তানোর থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। তবে অভিযুক্ত ইসমাইল হোসেন প্রতিমা ভাংচুরের কথা অস্বীকার করে জানান, তাঁর সম্পত্তি দখল করে সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজন মন্দির নির্মাণ করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার সমাসপুর হরিমন্দিরে দীর্ঘদিন থেকে পুজো অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। এ বছরও সেখানে দুর্গাপুজো উদযাপনের জন্য প্রতিমা তৈরির কাজ চলছিল। এরই মধ্যে শুক্রবার রাতে মন্দিরের ছয়টি প্রতিমার মধ্যে দুর্গা ও গণেশ ছাড়া দুটি লক্ষ্মী, একটি কার্তিক ও একটি সরস্বতী প্রতিমা ভাংচুর করা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়েছে।&lt;br /&gt;নিজস্ব সংবাদদাতা ঝালকাঠি থেকে জানান, ঝালকাঠি সদর উপজেলার নবগ্রাম ইউনিয়নের শিমুলিয়া রেজিস্টার্ড প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন দুর্গা মন্দিরের প্রতিমা ভাংচুর হয়েছে। এই ঘটনা জেলায় প্রতিমা ভাংচুরের দ্বিতীয় ঘটনা। শুক্রবার রাত ১২টা থেকে শনিবার ভোর রাতের মধ্যে কে বা কারা এই মন্দিরে প্রবেশ করে সরস্বতী, কার্ত্তিক, গণেশ, লক্ষ্মী ও অসুরের প্রতিমার মাথা ভেঙ্গে ফেলে দিয়েছে। শনিবার সকালে ঝালকাঠির জেলা প্রশাসক অশোক কুমার বিশ্বাস ও পুলিশ সুপার মোঃ মজিদ আলীসহ জেলা ও উপজেলার পূজা উদযাপন কমিটির নেতারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন। জেলা প্রশাসক এই ক্ষতি পুষিয়ে নেয়ার জন্য এই মন্দিরের অনুকূলে ২ মে. টন চাল এবং জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এ্যাডভোকেট খান সাইফুলস্নাহ পনির ১০ হাজার টাকা দিয়েছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ: ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০১১, &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-09-25&amp;amp;ni=71895"&gt;সূত্রলিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-2177451154409690938?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/2177451154409690938/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=2177451154409690938&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2177451154409690938'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/2177451154409690938'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/09/blog-post_26.html' title='রাজশাহী ও ঝালকাঠিতে প্রতিমা ভাংচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7307115187454281180</id><published>2011-09-23T10:03:00.000-07:00</published><updated>2011-09-25T10:04:31.239-07:00</updated><title type='text'>বিরল-বিরামপুরে প্রতিমা ভাংচুর</title><content type='html'>দিনাজপুর, সেপ্টেম্বর ২৩ (বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম)- দুর্গাপূজার দেড় সপ্তাহ আগে দিনাজপুরের বিরল ও বিরামপুরে মন্দিরে প্রতিমা ভাংচুর করেছে দুষ্কৃতিকারীরা। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে এক জনকে আটক করেছে পুলিশ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;শুক্রবার ভোররাতে প্রতিমা ভাঙচুরের এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে মন্দির কমিটির সদস্যরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিরল উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সভাপতি ক্ষেত্র মোহন রায় বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, শুক্রবার ভোরে রেল স্টেশন কালী মন্দিরে নির্মিত দুর্গা প্রতিমাসহ অন্যান্য প্রতিমার মাথা ও হাত খণ্ড খণ্ড অবস্থায় পাওয়া যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্দিরের পাশের একটি বাগানের পাহারাদার সবুজ এ ভাংচুরের ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছে মন্দির কমিটি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ক্ষেত্র মোহন বলেন, বৃহস্পতিবার গাছ কাটার জন্য সবুজকে মন্দির কমিটির লোকজন ভর্ৎসনা করায় তিনি প্রতিমা ভেঙে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিলেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিরল থানার উপপরিদর্শক মোহাম্মদ ফেরদৌস জানান, মন্দির কমিটির অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সবুজকে আটক করা হয়েছে। তবে সবুজ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা অস্বীকার করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে বিরামপুর থানার ওসি আমিনুল ইসলাম বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে জানান, থানার দিউড় ইউনিয়নের শালকুরিয়া গ্রামে স্থাপিত দুর্গা মন্দিরে রাতের কোনো এক সময় অজ্ঞাত দুস্কৃতকারীরা প্রতিমা ভাংচুর করে পালিয়ে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মন্দির কমিটির আভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এ ঘটনা ঘটে থাকতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে জানান ওসি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম/প্রতিনিধি/কিউএইচ/এমআই/১৫৩৬ ঘ.&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;http://bdnews24.com/bangla/details.php?id=171703&amp;amp;cid=2&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7307115187454281180?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7307115187454281180/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7307115187454281180&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7307115187454281180'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7307115187454281180'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/09/blog-post_23.html' title='বিরল-বিরামপুরে প্রতিমা ভাংচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7282444788350085683</id><published>2011-09-19T10:10:00.000-07:00</published><updated>2011-09-22T10:13:24.862-07:00</updated><title type='text'>দুর্গা মণ্ডপে অগ্নিসংযোগ</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, মির্জাপুর, ১৮ সেপ্টেম্বর।&lt;br /&gt;শনিবার রাতে মির্জাপুর উপজেলার ইচাইল গ্রামের সর্বজনীন দুর্গা মণ্ডপে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। তবে দুর্গা-মুর্তি অক্ষত থাকলেও মণ্ডপের প্রায় অর্ধেক অংশ পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তবে অগ্নিকান্ডের কারণ জানা যায় নি। মির্জাপুর থানার ওসি গোলাম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন, বিড়ির আগুনে অথবা কোন দুষ্ট লোক দুর্গা মণ্ডপটিতে আগুন ধরিয়ে দিতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7282444788350085683?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7282444788350085683/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7282444788350085683&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7282444788350085683'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7282444788350085683'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/09/blog-post_2567.html' title='দুর্গা মণ্ডপে অগ্নিসংযোগ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-371989648411890694</id><published>2011-09-19T08:07:00.000-07:00</published><updated>2011-09-22T10:14:18.442-07:00</updated><title type='text'>পুজোমণ্ডপে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা</title><content type='html'>স্টাফ রিপোর্টার ॥ আসন্ন দুর্গা পুজা উপলক্ষে দেশের পুজোমন্ডপগুলোতে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি রাজধানীর মন্ডপগুলোতে সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন থাকবে। রবিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত আসন্ন দুর্গাপুজোর জন্য আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে জানানো হয় এবার সারাদেশে মণ্ডপের সংখ্যা এক হাজার বাড়ছে। বৈঠক শেষে সাহারা খাতুন সাংবাদিকদের বলেন, গত বছর সারাদেশে ২৭ হাজার মণ্ডপে পুজো হয়েছিল। এ বছর তা বেড়ে ২৮ হাজার হচ্ছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আগামী ২ অক্টোবর দুর্গাদেবীর বোধন ও ষষ্ঠী পুজোর মধ্য দিয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ এই ধর্মীয় উৎসব শুরু হবে। ৬ অক্টোবর দশমী পুজো শেষে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে হবে এর সমাপ্তি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বারষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুর্গা পুজোর সময়, বিশেষ করে ২ থেকে ৬ অক্টোবর নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার জন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর পুজোমণ্ডপগুলোতে সব ধরনের সুবিধা নিশ্চিত করতে ফায়ার ব্রিগেড, বিদ্যুত, ওয়াসা, ঢাকা সিটি কর্পোরেশনসহ সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগ ও প্রতিষ্ঠানকে পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;ঢাকার বাইরে জেলা প্রশাসকরা আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে বৈঠক করে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন বলে মন্ত্রী জানান।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে উপস্থিতি ছিলেন, স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, স্বরাষ্ট্র সচিব আবদুস সোবহান শিকদারসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উর্ধতন কর্মকর্তারা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৯ সেপ্টেম্বর, ২০১১। &lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=29&amp;amp;dd=2011-09-19&amp;amp;ni=71314"&gt;লিংক&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-371989648411890694?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/371989648411890694/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=371989648411890694&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/371989648411890694'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/371989648411890694'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/09/blog-post_19.html' title='পুজোমণ্ডপে থাকবে কঠোর নিরাপত্তা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7084068643422367716</id><published>2011-09-17T10:00:00.000-07:00</published><updated>2011-09-22T10:03:58.682-07:00</updated><title type='text'>খুলনা ও ভোলায় প্রতিমা ভাংচুর</title><content type='html'>&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা অফিস ॥ &lt;/span&gt;&lt;br /&gt;খুলনা মহানগরীর প্রাণকেন্দ্রে আর্য্য ধর্মসভা মন্দির প্রাঙ্গণে সাহেবের কবরখানা পুজো কমিটির নির্মাণাধীন দুর্গা প্রতিমাসহ কয়েকটি প্রতিমা ভাংচুর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার গভীর রাতে কে বা কারা আসন্ন দুর্গা পুজো উপলৰে নির্মিতব্য এ প্রতিমা ভাংচুর করে। এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্দির কমিটি ও পুজো উদযাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;খুলনা মহানগরীর সিমেট্রি রোডের সাহেবের কবরখানা পুজো কমিটির সার্বিক তত্ত্বাবধায়ক, মহানগর পুজো উদযাপন পরিষদের সহসভাপতি বীরেন্দ্র নাথ ঘোষ জানান, আসন্ন দুর্গা পুজো উপলৰে প্রতিমা তৈরি করার মতো প্রয়োজনীয় স্থান না থাকায় সাহেবের কবরখানা পুজো কমিটির প্রতিমাগুলো আর্য্য ধর্মসভা মন্দির প্রাঙ্গণে ওই কমিটির কর্মকর্তাদের সার্বিক সহযোগিতায় নির্মাণ করা হচ্ছিল। বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে কবরখানা পুজো কমিটির নেতৃবৃন্দ ধর্মসভা মন্দিরে গিয়ে তাদের নির্মিতব্য প্রতিমা পরিদর্শন করে আসেন। এর পর আর্য্য ধর্মসভা মন্দিরের গেট বন্ধ করে সংশিস্নষ্টরা চলে যান। শুক্রবার সকাল ১০টার দিকে কমিটির লোকেরা গিয়ে প্রতিমা ঢেকে দেয়া ত্রিপল উঁচিয়ে দেখতে পান দেবী দুর্গার বাম পাশের দুটি হাত, লৰীর বাম হাত, গণেশের শুঁড় এবং অসুরের মাথা ভাঙ্গা।&lt;br /&gt;কেন্দ্রীয় পুজো উদযাপন কমিটির উপদেষ্টা শ্যামল হালদার বলেন, খবর পেয়ে নেতৃবৃন্দ ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। ন্যক্কারজনক এ ঘটনায় তারা উদ্বিগ্ন। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুর্বৃত্তদের গ্রেফতার ও শাসত্মি দাবি করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;নিজস্ব সংবাদদাতা ভোলা &lt;/span&gt;থেকে জানান, ভোলার লালমোহন উপজেলার লর্ড হার্ডিঞ্জ এলাকার শারদীয় পুজো মণ্ডপে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে কয়েকটি প্রতিমা ভাংচুর করেছে। এ ঘটনায় হিন্দু সম্প্রদায়দের মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। শুক্রবার সকালে ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে পুলিশ জামাল হোসেন ও তৈয়ব নামের ২ জনকে আটক করে। এদিকে ভোলার সংসদ সদস্য নুরন্নবী চৌধুরী শাওন ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ওই মণ্ডপে ১০ হাজার টাকা আর্থিক অনুদান প্রদান করেন। এ ছাড়া প্রকৃত দোষীদের খুঁজে বের করার পাশাপাশি পুজো মণ্ডপের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেন। এ বিষয়ে চরপ্যায়ারী মোহন পুজো মণ্ডপের পরিচালক তপন কুমার দাস সাংবাদিকদের জনান, প্রতিমা ভাংচুর করায় আমাদের প্রায় অর্ধলক্ষাধিক টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। পুনরায় প্রতিমা তৈরি করে পুজো চালানো সম্ভব হবে না। এ ঘটনায় আমাদের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=14&amp;amp;dd=2011-09-17&amp;amp;ni=71073"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৭ সেপ্টেম্বর ২০১১&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7084068643422367716?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7084068643422367716/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7084068643422367716&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7084068643422367716'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7084068643422367716'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/09/blog-post.html' title='খুলনা ও ভোলায় প্রতিমা ভাংচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-3210069421704761995</id><published>2011-08-27T01:59:00.000-07:00</published><updated>2011-09-22T10:00:42.904-07:00</updated><title type='text'>৩৩ দিন আটকে রেখে কিশোরীকে গণধর্ষণ</title><content type='html'>ধুনট (বগুড়া) প্রতিনিধি&lt;br /&gt;বগুড়ার ধুনট উপজেলার এক কিশোরীকে টানা ৩৩ দিন আটকে রেখে কয়েক দফা গণধর্ষণ করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, তাকে বিদেশে পাচারের চেষ্টাও করা হয়েছে। তবে কৌশলে সে পালিয়ে আসে।&lt;br /&gt;মেয়েটি উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের কান্তনগর উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্রী। এই ঘটনায় আদলতে মামলা করা হয়েছে।&lt;br /&gt;মামলা ও ভুক্তভোগী পরিবারসূত্রে জানা গেছে, উপজেলার কালেরপাড়া ইউনিয়নের হাঁসখালী গ্রামের ওই কিশোরী গত ১২ জুলাই স্থানীয় কান্তনগর বাজারে গোবিন্দ চন্দ্র সরকার নামের এক ব্যক্তির স্টুডিওতে ছবি তুলতে যায়। এ সময় স্টুডিওতে গোবিন্দ চন্দ্র না থাকায় দোকানের কর্মচারী বিলচাপড়ী গ্রামের প্লাবন (১৭) তার ছবি তোলে। প্লাবন তার ছবি বাড়িতে পৌঁছে দেবে জানালে মেয়েটি চলে যায়। পরে সেদিনই রাত আটটার দিকে প্লাবন ও তার সহযোগী আশরাফ আলীসহ বেশ কয়েকজন অপরিচিত যুবক একটি সিএনজি অটোরিকশা নিয়ে মেয়েটির বাড়ির সামনের রাস্তায় যায়। মুঠোফোনে মেয়েটিকে তার ছবি নিতে সেখানে আসতে বলা হয়। রাস্তায় যাওয়ামাত্র প্লাবন ও তার সহযোগীরা কাপড় দিয়ে বেঁধে মেয়েটিকে অটোরিকশায় তুলে বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার মাদলা গ্রামে নিয়ে যায়। সেখানে প্লাবনের সহযোগী আশরাফ আলীর শ্বশুরবাড়িতে আটকে রেখে তাকে গণধর্ষণ করা হয়।&lt;br /&gt;মেয়েটিকে জানায়, গণধর্ষনের পর প্লাবন তাকে ভুয়া বিয়ে করে মাদলা গ্রাম থেকে সাত দিন পর কৌশলে ঢাকায় নিয়ে যায়। সেখানে সাভার থানার জামগড়া বস্তিতে আটকে রেখে প্লাবন ও তার সহযোগীরা মেয়েটির ওপর পাশবিক নির্যাতন চালায়। এক পর্যায়ে ৩৩ দিন পর ১৫ আগস্ট ভোরে সে কৌশলে সেখান থেকে পালিয়ে আসে। পরে তার নাকের ফুল আড়াই শ টাকায় বিক্রি করে সেই টাকা দিয়ে বাড়িতে আসে।&lt;br /&gt;মেয়েটি বলেছে, আসামিরা তাকে শুধু ধর্ষণই করেনি, একটি ঘরে আটকে রেখে দিনে মাত্র একবার খেতে দিয়েছে। এমনকি তাকে বিদেশে পাচার করতেও চেয়েছিল।&lt;br /&gt;এই ঘটনায় গ্রামের মাতব্বরেরা কয়েক দফা সালিশ বৈঠক করেছেন, কিন্তু কোনো সমাধান করতে পারেননি। তা ছাড়া মেয়েটির পরিবার সংখ্যালঘু হওয়ায় ভয়ে এত দিন বিষয়টি প্রশাসনকেও জানায়নি।&lt;br /&gt;অবশেষে মেয়েটির বাবা বাধ্য হয়ে গত বৃহস্পতিবার বগুড়া নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন। বিচারক জেব-উন-নেছা বিষয়টি তদন্ত করে ধুনট থানার পুলিশকে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন।&lt;br /&gt;জানতে চাইলে গ্রাম্য মাতব্ব ও কালেরপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি জুলফিকার আলী গতকাল শুক্রবার প্রথম আলো'কে বলেন, ধর্ষিতা হিন্দু পরিবারের মেয়ে আর ধর্ষকেরা মুসলমান। এ কারণে এলাকার লোকজন বিষয়টি গোপনে মীমাংসার চেষ্টা করেছেন। কিন্তু ধর্ষণকারীদের পক্ষ থেকে কোনো সহযোগিতা না পাওয়া তারা মামলা করতে বাধ্য হয়েছেন।&lt;br /&gt;ধর্ষক প্লাবনের বাবা ময়না মিয়া বলেন, 'বিষয়টি নিয়ে এলাকায় কয়েক দফা সালিস বৈঠক হয়েছে, কিন্তু মীমাংসা হয়নি। তবে মামলা হয়েছে কি না, তা জানি না।'&lt;br /&gt;যোগাযোগ করা হলে ধুনট থানার পরিদর্শক তোজাম্মেল হক বলেন, মেয়েটি বাড়ি থেকে হারিয়ে গেছে মর্মে গত ১৬ জুলাই তার বাবা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছিলেন। তবে আমি তাকে মামলা দিতে বলেছিলাম। কিন্তু তিনি কেন মামলা দিতে ভয় পেয়েছেন তা জানাননি। মামলার নথি হাতে পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ঘটনার পর থেকে প্লাবন পলাতক বলে তিনি জানান।&lt;br /&gt;প্রথম আলো ২৭ আগস্ট, ২০১১&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-3210069421704761995?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/3210069421704761995/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=3210069421704761995&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3210069421704761995'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3210069421704761995'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/08/blog-post.html' title='৩৩ দিন আটকে রেখে কিশোরীকে গণধর্ষণ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-80726322287311620</id><published>2011-06-20T10:11:00.000-07:00</published><updated>2011-06-28T08:16:46.443-07:00</updated><title type='text'>নির্বাচনোত্তর নির্যাতিত ২০ হাজার মানুষ আশ্রয় নেয় রামশীলে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ (৯)&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;তপন বিশ্বাস॥ ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ার রামশীল গ্রাম হয়ে উঠেছিল পার্শ্বববর্তী এলাকার নির্যাতিতদের আশ্রয়স্থল। গ্রামবাসীর তত্ত্বাবধানে সেখানে খোলা হয়েছিল লঙ্গরখানা। নিরাপত্তা বিধানে গঠন করা হয় ২১ সদস্যের কমিটি। নির্যাতিত, ধর্ষিতদের সান্তনা দিয়ে রক্ষা করা হয় আত্মহত্যার হাত থেকে। প্রশাসনের দায়সারা আশ্বাসে বিশ্বাস করে এলাকায় ফেরেনি নির্যাতিতরা। এ সম্পর্কিত কিছু ঘটনা তুলে ধরা হলো ধারাবাহিকের এই পর্বে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়া থানার রামশীল একটি দুর্গম ও প্রত্যনত্ম গ্রাম। কোটালীপাড়া থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১৫ কিঃ মিঃ। রামশীল এলাকায় শতকরা প্রায় ৯৫ ভাগ হিন্দু সম্প্রদায়ের বাস। ২০০১ সালের ১ অক্টোবর নির্বাচনের পরদিন থেকেই রামশীলের প্রায় প্রতিটি বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল পার্শবর্তী থানা/এলাকা থেকে নির্যাতিত সংখ্যালঘুরা। এলাকাটি হিন্দু অধ্যুষিত হওয়ায় সংখ্যালঘু সম্প্রদায় এই এলাকাকে নিরাপদ আশ্রয় হিসেবে বেছে নেয়। নিজ এলাকার ঘরবাড়ি থেকে উচ্ছেদ হওয়ায় শত শত নারী-পুরুষ ও শিশুদের মধ্যে যাদের নির্যাতন করা হয় তাদের কয়েকজন বরিশালের আগৈলঝাড়ার রাজিহাঁড়ি ইউনিয়নের তৎকালীন সদস্য কমলা রানী রায়, শেফালী রানী সরকার, বাবুলাল মুন্সী, হরিহর রায়, রিয়াজ মোহন রায়, মহেন্দ্রনাথ রায়, বাসুদেব রায়, দেবুরাজ রায়, শান্তিরঞ্জন রায়, বিজয় কৃষ্ণ রায়, শচিন্দ্রনাথ রায় প্রমুখ। এখানে আরও আশ্রয় নিয়েছিল গৌরনদী থানার উত্তর চাঁদসী, কাপালী, অশোক কাঠী ও আগৈলঝড়ার কোদালদহ গ্রামের সহস্রাধিক পরিবারের মানুষ। এই রামশীলে আশ্রয় নিয়েছিল উজিরপুর থানা এলাকার নির্যাতিত পরিবারের সদস্যরাও।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, বাগেরহাটের মোল্লারহাট থানার জয়ঘা, চাঁদেরহাট, মাদারতলি, বুড়িগাংনি, বড়গাওলা, চাঘদা গ্রামের নির্যাতনের শিকার সংখ্যালঘু পরিবারের অনেক সদস্য রামশীলে এসে আশ্রয় নিয়েছিল বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। আশ্রয় নিয়েছিল স্থানীয় স্কুল, কলেজ ও বিভিন্ন বাড়িতে। রামশীল কলেজ ভবন ও সামনের মাঠ পরিণত হয়েছিল এক আশ্রয় শিবিরে। সংখ্যালঘু ও আওয়ামী লীগ সমর্থকরা আশ্রয় নিয়েছিল এই আশ্রয় শিবিরে। আশ্রয় নিয়েছিল গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বাগেরহাট থেকে পালিয়ে আসা ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মী সমর্থকরা। রামশীলে আশ্রয় নেয়া আশ্রিতদের অনেকেই চরম দুঃখ কষ্টের মধ্যে দিনাতিপাত করতে হয়েছে। নির্যাতিতদের অনেকেই প্রাণ ভয়ে বাড়িঘর ছেড়ে আসার সময় প্রয়োজনীয় অর্থ-কাপড়চোপড় সঙ্গে আনতে পারেনি। আশ্রিতদের মধ্যে খাবারের অভাব ছিল প্রকট। গ্রামবাসী তাদের সাধ্যানুযায়ী খাবার রান্না করে দিয়েছে, সকলে তা ভাগ করে খেয়ে জীবন বাঁচিয়েছে। প্রায়দিন অনেককে আধাবেলা উপোস করতে হয়েছে। আশ্রিতদের সঙ্গে আশ্রয়দাতাও খাবার ভাগাভাগি করে খেয়েছে। নির্যাতিতদের চিকিৎসাসেবা ছিল না বললেই চলে। সরকারী-বেসরকারী সাহায্যও তারা পায়নি। তদন্ত কমিশন তাদের কর্মকাণ্ডের অংশ হিসেবে বহুল আলোচিত এই রামশীল পরিদর্শন করে। পরিদর্শন কালে তারা স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান বিমল বিশ্বাস, কার্তিক চন্দ্র বাড়ৈ, মেম্বার রামশীল, নিত্যলাল বালা, ডগলাস স্কুলের প্রধান শিক্ষক, স্থানীয় মন্দির সেবায়েত নবীন চন্দ্র রায়, মৃণাল কান্তি হালদার, ইউপি চেয়ারম্যান অসীম বিশ্বাস, প্রাক্তন ইউপি চেয়ারম্যান সচিন্দ্র নাথ, রামশীল কলেজের অধ্যক্ষ, প্রফেসর জয়দেব বালাসহ স্থানীয় বিভিন্ন স্তরের লোকজনের সঙ্গে মতবিনিময় করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মতবিনিময়কালে বিশ্বদেব রায় জানান, তার বাড়িতে প্রায় ৩০ জনের মতো আশ্রয় নিয়েছিল। তিনি তাঁর দোতলা ঘরটি আশ্রিতদের জন্য ছেড়ে দেন এবং সাধ্যমতো খাবার সরবরাহ করেন। নিহার রঞ্জন বাড়ৈ জানান, নির্বাচনের পরদিন হতেই আগৈলঝাড়া এলাকা থেকে নির্যাতিত লোকজন আসতে শুরু করে। ৪ অক্টোবর ঘরবাড়ি ছাড়া নির্যাতিত মানুষের ঢল আশঙ্কাজনক হারে বেড়ে যায়। তার বাড়িতে আশ্রয় নিয়েছিল রাজেন্দ্র চন্দ্র, রাজিহার ইউনিয়নের কমলা দেবীসহ অনেকে। তিনি কমিশনের নিকট কমলা দেবীর বাড়িতে লুটপাট ও নির্যাতনের লোমহর্ষক কাহিনী তুলে ধরেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রাক্তন মেম্বার কার্তিক চন্দ্র রায় সচিন্দ্রসহ কয়েকজন মিলে আশ্রিতদের থাকা, খাওয়া ও নিরাপত্তার বিষয়টি দেখভাল করেন। এজন্য তখন গঠন করা হয় ২১ সদস্যের একটি কমিটি। গ্রামবাসীর সহায়তায় একটি লঙ্গরখানা খোলা হয়। মন্দির সেবায়েত নবীন চন্দ্র রায় জানান, গৌরনদী, আগৈলঝাড়া, উজিরপুর, বাগেরহাটের মোল্লাহাট এলাকা থেকে হিন্দু, মুসলমান, নির্বিশেষে হাজার হাজার নির্যাতিত মানুষ এই রামশীলে আশ্রয় নেয়। আশ্রিতদের মধ্যে অনেক মা-বোনই ধর্ষিত হয়ে এসেছে বলে তিনি নিশ্চিত হয়েছেন। এলাকার সকলে মিলে তাঁদের সাধ্যমতো সাহায্য করেছেন। আওয়ামী লীগ দলীয়ভাবে রামশীলের আশ্রয় গ্রহণকারীদের সাহায্য করে। একপর্যায়ে প্রায় প্রতিদিন ১৫/১৬ মণ করে চাল খরচ হয়েছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাও সে সময় ব্যক্তিগতভাবে টাকা-পয়সা দিয়ে সাহায্য করেন। এলাকাবাসীর ধারণা সব মিলিয়ে প্রায় ১৮ থেকে ২০ হাজার লোক আশ্রয় নিয়েছিল এই রামশীলে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আশোক বৈদ্য কমিশনের সামনে এসে তাঁর অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন এভবে- "আমি ১৯৭১ এর মুক্তিযুদ্ধ দেখিনি তবে শুনেছি পাকহানাদের নির্যাতনের কাহিনী। '৭১-এর নির্যাতন না দেখলেও জোট সরকারের সন্ত্রাসীদের ১ অক্টোবরের নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা দেখেছি। এ নির্যাতন যেন '৭১-এর নির্যাতনকেও অনেক ক্ষেত্রে হার মানিয়েছে। রামশীলে অনেক মা-বোনকে দেখেছি নির্যাতনের পর, অনেক শিশু খেতে পায়নি ঠিকমতো। আমাদের বাড়িতে প্রায় দুই শ' আহত ব্যক্তিকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। অনেক ধর্ষিত মা-বোন আত্মহত্যা করতে চেয়েছিল। আমরা তাদের বুঝিয়ে নিবৃত করেছি। নির্যাতিত মানুষের অসহায় মুখ ও বোবা কান্নার রোল যেন আজও রামশীলের আকাশে-বাতাসে প্রতিধ্বনিত হচ্ছে।"&lt;br /&gt;স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে রামশীলে আশ্রয় গ্রহণকারীদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নিজ নিজ এলকায় ফিরে যাওয়ার জন্য চাপ দেয়া হয়েছিল। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী রামশীল আশ্রয়কেন্দ্র পরির্দশনের কথা ছিল বলে এলাকাবাসী জানায়। কিন্তু তিনি যাননি। ২০০১ সালের ১২ অক্টোবর তৎকালীন গোপালগঞ্জের ডিসি, বরিশালের ডিসি, এসপি আসেন রামশীলের আশ্রিতদের খোঁজখবর নিতে। তাঁরা আশ্রিতদের নিজ গ্রামে ফিরে যেতে বলেন। কিন্তু অবস্থা এতটাই ভয়াবহ ছিল যে কেউই বাড়ি ফিরে যেতে রাজি হয়নি। কারণ এর মধ্যে যাঁরা বাড়ি যাওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল তাঁরা পথিমধ্যে কেউবা মার খেয়েছেন, কেউবা সন্ত্রাসীদের তাড়া খেয়ে প্রাণ নিয়ে পালিয়ে এসেছে। তাই কর্তাব্যক্তিদের আশ্বাসের পরও তারা কেউ বাড়ি ফিরে যেতে রাজি হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-20&amp;amp;ni=62400"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ২০ জুন, ২০১১&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-80726322287311620?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/80726322287311620/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=80726322287311620&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/80726322287311620'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/80726322287311620'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post_20.html' title='নির্বাচনোত্তর নির্যাতিত ২০ হাজার মানুষ আশ্রয় নেয় রামশীলে'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-6252353258204548886</id><published>2011-06-19T03:05:00.000-07:00</published><updated>2011-06-28T08:11:34.872-07:00</updated><title type='text'>ভারতে চলে গেছে অনেকে সম্ভ্রমহারা মেয়েদের নিয়ে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ (৮)&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;তপন বিশ্বাস ॥ অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর চলে অবর্ণনীয় নির্যাতন। এ নির্যাতনের অনেক ঘটনা রয়ে গেছে আড়ালে, অনেকে মামলা করেছে। অনেকে সে সাহসও পায়নি। অনেকে আবার লোকলজ্জা ও সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়ে ধর্ষণের ঘটনাও গোপন রেখেছে। এ জাতীয় অসংখ্য ঘটনা রয়ে গেছে লোকচক্ষুর অন্তরালে। 'মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ' শীর্ষক ধারাবাহিকের এ পর্বে থাকছে ২০০১ নির্বাচনপরবর্তী ভোলার চরফ্যাশনের সহিংসতার কিছু চিত্র।&lt;br /&gt;দ্বীপজেলা ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রায় দুই মাস যাবত চলে আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থক, বিশেষে করে সংখ্যালঘু পরিবারের ওপর অমানুষিক নির্যাতন। তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ থাকায় অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের লোকজন, এমনকি সংবাদ মাধ্যমও নির্যাতনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি। বাড়িঘর লুটপাট, জোরপূর্বক চাঁদাবাজি, এমনকি নারী ধর্ষণের অজস্র ঘটনা ঘটে এ সময়। এসবের অধিকাংশই পুলিশের নথিভুক্ত হয়নি। অধিকাংশ ভুক্তভোগীরা ভয়ে কোন অভিযোগ পর্যন্ত করেনি। প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে লোকলজ্জা ও সামাজিকভাবে হেয় হওয়ার ভয়ে পরিবারের মহিলারা ধর্ষিত হওয়ার পরও আইনের আশ্রয় নেয়নি বা বিষয়গুলো গোপন রেখেছেন। স্থানীয় লোকজন বিষয়টি জানলেও বা অনুমান করলেও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলো অনেক ক্ষেত্রেই তা স্বীকার করেনি বা মৌন ছিল। ঘটনার ৯ বছর পর তদন্ত কমিশন এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে অজানা অনেক নির্যাতনের কাহিনী তুলে এনেছে। ভুক্তভোগীরা অনেকে ঘটনার কথা স্বীকার করলেও কেউ কেউ লিখিত বক্তব্য দিতে অস্বীকার করেছে। এমনকি সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন হবেন বলে অনেকে তাদের নাম-ঠিকানা গোপন রাখতে তদন্ত কমিশনের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অনেকে নির্যাতনের পর এলাকা ছেড়ে অন্যত্র বসবাস করছেন; কেউ বা দেশ ত্যাগ করেছেন। এমন অসংখ্য ঘটনার কয়েকটি মাত্র ঘটনা তুলে ধরা হলো। চরফ্যাশনের ওসমানগঞ্জের উত্তর চরফ্যাশন গ্রামের টিকেন্দ্র চন্দ্র দাস ওরফে আইচা রাম দাসের স্ত্রী অমীয় রাণী দাস বাড়িঘর বিক্রি করে ঢাকায় অবস্থান করছে। নির্বাচনের প্রায় এক মাস পর চারদলীয় জোটের কিছু সন্ত্রাসী রাতে তাদের বাড়িতে দরজা প্রবেশ করে। এ সময় দশম শ্রেণী পড়ুয়া তার কন্যা শিল্পীকে সন্ত্রাসীরা তাদের হাতে তুলে দিতে বলে। নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা শুরু হওয়ার পর শিল্পীর পিতা-মাতা তাকে দাসকান্দি গ্রামে চাচার বাড়ি পাঠায়ে দেয় বলে সন্ত্রাসীরা তাকে সে রাতে পায়নি। তবে সন্ত্রাসীরা তার বাড়িঘর লুটপাট করে মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যায় এবং মেয়েকে ফিরিয়ে এনে তাদের হাতে তুলে দেয়ার হুমকি দিয়ে চলে যায়। এরপর পরিবারটি দুই মাস বাড়িছাড়া ছিল। পরে ভিটেমাটি বিক্রি করে এলাকা ছেড়ে ঢাকায় চলে আসে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর চরফ্যাশনের রঞ্জন কুমার দাসের স্ত্রী শোভা রানী দাস তদন্ত কমিশনকে জানায়, নির্বাচনের পরপরই কিছু সন্ত্রাসী তাদের বাড়িতে প্রবেশ করে নগদ ১৭ হাজার টাকাসহ মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং তাকে মারপিট করে ডান হাত ভেঙ্গে দেয়। শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হলেও ধর্ষণের কথা অস্বীকার করেন তিনি। এ ব্যাপারে তার কোন অভিযোগ নেই এবং অভিযোগ করতে রাজিও নয়। তার কথায় প্রতীয়মান হয় সন্ত্রাসীদের অনেককেই সে চেনে। কিন্তু নাম বলেনি। সে আরও বলে, আশপাশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রায় সকল বাড়িতে লুটপাটের ঘটনা ঘটে এবং অনেক মহিলা এ সময় ধর্ষিত হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উত্তর চরফ্যাশন গ্রামের সুনীল কুমার রায়ের স্ত্রী আরতী বালা রায় জানায়, নির্বাচনের পর লুটপাট ও অত্যাচার শুরু হলে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। ঘরের তেমন কিছু ক্ষতি না হলেও ৩৫টি হাঁস সন্ত্রাসীরা নিয়ে যায়। আরতী আরও জানায়, পরিস্থিতি কিছুটা শান্ত হলে এলাকায় ফিরে জানতে পারে শোভা রানী সন্ত্রাসী দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছিল। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, অবিনাশ কুমার দাসের স্ত্রী সুজলা রানী দাস সম্পর্কে জানা যায়, নির্বাচনের পর সন্ত্রাসী দ্বারা নির্যাতিত হওয়ার কয়েক মাস পর তারা বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে চলে যায়। বর্তমানে তারা ভারতে অবস্থান করছে। তাদের বাড়ি মোট দুই দফায় আক্রমণ হয়। সন্ত্রাসীরা মহিলার নাকের নাকফুল নিয়ে যায়। প্রতিটি ঘরে ঢুকে তারা তল্লাশি চালায় এবং সোনা-গহনা, হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগলসহ মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে। উল্লেখ্য, ওই এলাকায় নাকফুল নেয়ার অর্থ হলো মহিলার সম্ভ্রমহানি। পরিবারের অনেক সদস্য ভয়ে ধানক্ষেতে গিয়ে আশ্রয় নেয় এবং জোঁকের কামড়ের শিকার হয়। সন্ত্রাসীরা মূলত সন্ধ্যার পর বাড়িঘরে আক্রমণ শুরু করত। এ ঘটনায় পরিবারটি ক্ষোভে, লজ্জায় বাড়িঘর ছেড়ে ভারতে চলে যায়। আর ফিরে আসেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই গ্রামের বলরাম দাসের স্ত্রী কণিকা রানী দাসের ব্যাপারে জানা যায় তাদের বাড়িতে ২০০১ সালের ৩ অক্টোবর রাতে একদল সন্ত্রাসী দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আক্রমণ করে মালামাল লুট করে এবং তার সম্ভ্রমহানি ঘটায়। এছাড়া স্বামী-স্ত্রী দু'জনকেও শারীরিক নির্যাতন চালায়। এ ঘটনায় তারা পুলিশকে কিছু জানানোর সাহস পায়নি। অমর চন্দ্র দাসের স্ত্রী কল্যাণী দাস সম্পর্কে জানা যায়, গভীর রাতে সন্ত্রাসীরা তাদের বাড়িতে এসে ধান-চাল, জামাকাপড়সহ বাড়ির সকল মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে। এ সময় তারা তার মেয়ের খোঁজ করে এবং মেয়েকে তাদের হাতে তুলে দিতে বলে। কিন্তু মেয়ের বিয়ে হয়ে গেছে এবং সেখানে নেই এ কথা শুনে সন্ত্রাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে স্বামীর সামনে কল্যাণীকে ধর্ষণ করে। স্বামী বাধা দিতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাকে মারধর করে বেঁধে রেখে তার স্ত্রীকে উপুর্যুপুরি ধর্ষণ করে। এ ঘটনার পরও ভয়ে ও লোকলজ্জার ভয়ে তারা থানায় কোন অভিযোগ করেনি। আসামিদের নাম বলতেও অস্বীকৃতি জানায়। সন্তোষ কুমার দাসের স্ত্রী শেফালী রানী দাস সম্পর্কে জানা যায়, ২০০১ সালের ৩ অক্টোবর দিবাগত রাতে ২০/২৫ জনের একটি সন্ত্রাসী দল তার বাড়িতে প্রবেশ করে। সন্ত্রাসী আক্রমণের বিষয়টি টের পেয়ে পরিবারের লোকজন নিকটবর্তী বাজারে অন্ধকারে লুকিয়ে থাকে। সন্ত্রাসীরা বাড়ির মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করে নিয়ে চলে যায়। সন্ত্রাসীরা চলে গেলে তারা বাড়ি ফিরে আসে। কিন্তু কিছুক্ষণ পর রাতে আর একদল সন্ত্রাসী আক্রমণ করে। এ সময় স্বামী-স্ত্রী দুজনকে তারা বেদম মারপিট করে এবং অবশিষ্ট মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যায়। দ্বিতীয় দফায় সন্ত্রাসীরা মুখে কাপড় বেঁধে আসে। এ ঘটনার কিছুদিন পর তারা সকলে দেশ ছেড়ে ভারতে পালিয়ে গেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এছাড়াও প্রকৃতি রানী দাস, স্বামী লিটন দাস; রীতা রানী দাস, স্বামী-সুব্রত দাস; শোভা রানী দাস, স্বামী নিরঞ্জন দাস; শেফালী রানী দাস, স্বামী সন্তোষ কুমার দাস, সর্বসাং দশনাথ আলীগাঁও, উত্তর চরফ্যাশন, কর্তারহাট; ২০০১ সালের নির্বাচনের পর নির্যাতনের কারণে ক্ষোভে, ভয়ে, লজ্জায় দেশ ছেড়ে পালিয়ে ভারতে আশ্রয় নিয়েছে। বর্তমানে তারা ভারতে অবস্থান করছে। ঝর্ণা রানী দাস, স্বামী-সুনীল কুমার দাস, সাং-দশনাথ আলীগাঁও, বাড়িঘর ছেড়ে বর্তমানে ঢাকায় বসবাস করছে বলে এলাকাবাসী জানিয়েছে। এর কেউই বর্তমানে চরফ্যাশনে বসবাস করে না। স্থানীয়ভাবে জানা যায়, নির্বাচনের পর চারদলীয় জোটের সন্ত্রাসীরা বাড়িতে ব্যাপক লুটপাট ও মারধর করে। বাড়ির মহিলারা নির্যাতনের শিকার হয়েছে বলেও এলাকাবাসী জানায়। এলাকার অনেক পরিবারই রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়েছে। কিন্তু ভয়ে কিংবা পুনরায় রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে আক্রমণের শিকার হতে হবে মনে করে অধিকাংশ ভুক্তভোগী অভিযোগ করছে না, আগেও করেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-19&amp;amp;ni=62248"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৯ জুন, ২০১১&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-6252353258204548886?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/6252353258204548886/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=6252353258204548886&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6252353258204548886'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6252353258204548886'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post_19.html' title='ভারতে চলে গেছে অনেকে সম্ভ্রমহারা মেয়েদের নিয়ে'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-4456170777709714359</id><published>2011-06-18T01:54:00.000-07:00</published><updated>2011-06-28T08:05:13.871-07:00</updated><title type='text'>ইজ্জতের মূল্য ১৯ হাজার টাকা</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ-৭&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;তপন বিশ্বাস ॥ ২০০২ সালের ১৫ ফ্রেব্রুয়ারি রাত ১২টার দিকে মাতুভুঞা ইউনিয়নের উত্তর চানপুর গ্রামের আবুল হোসেনের পুত্র অসংখ্য অভিযোগের আসামি সন্ত্রাসী হারুনের নেতৃত্বে ১৫-২০ জনের বিএনপি-জামায়াতের একটি সশস্ত্র সন্ত্রাসী দল মহেশপুর গ্রামে সংখ্যালঘু দাসপাড়াতে ধর্ষণ, হামলা ও লুটপাট চালায়। রাত ১২টা থেকে ভোর ৪টা পর্যন্ত সন্ত্রাসীদের নারকীয় তাণ্ডবে জয়বিহারী দাসের বাড়ি, ডাক্তারবাড়িসহ বিভিন্ন বাড়ির লোকজন দিগ্বিদিক ছোটাছুটি করতে থাকে। এ সময় সন্ত্রাসীদের একটি গ্রুপ তিন সন্তানের জননী পুতুল রানী দাসকে (৩২) ঘরের দরজা বন্ধ করে তার স্বামী-পুত্রের সামনে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। তদন্ত কমিশনের কাছে পুতুল বলে, ইজ্জত রক্ষার জন্য আমি সন্ত্রাসী হারুনের হাতে এক হাজার টাকা ঘুষ দেই। কিন্তু তাতেও আমার ইজ্জত রৰা হয় না। নরপিশাচরা আমাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। এই রাতে চানপুর গ্রামের ফারুক, শাহআলম ও মোঃ ইউনুস হেমন্ত কুমার দাসের স্ত্রী আলো রানীকেও পালাক্রমে ধর্ষণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;সাকা চৌধুরীর তাণ্ডব ॥&lt;/span&gt; সংখ্যালঘু নির্যাতনে কোন দিনই পিছিয়ে ছিলেন না সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরী (সাকাচৌ)। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সারাদেশে যখন চলছে আওয়ামী লীগ ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নানা নির্যাতন, তখন তিনিও শরিক হলেন এ কর্মকাণ্ডে। জাতীয় সংসদের এই নির্বাচনে বিজয়ী হন সাকাচৌ। এরপর তিনি তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম জিয়ার সংসদ বিষয়ক উপদেষ্টা নির্বাচিত হন। উপদেষ্টা নির্বাচিত হওয়ার পর তিনি তাঁর নিজ গ্রাম গহিরায় যান। গ্রামে যাওয়ার পর তাঁর সন্ত্রাসী ক্যাডার ফজল হক, আবু তাহের ও বিধান বড়ুয়াকে হুকুম দেন নির্বাচনে তাঁর বিপক্ষে প্রচারে অংশ নেয়া মহিলা মেম্বার রত্না ঘোষের বাড়িতে আগুন জ্বালিয়ে ভস্মীভূত করার। সন্ত্রাসীরা সঙ্গে সঙ্গে এলাকায় গিয়ে মহিলা মেম্বারের বাড়িতে আগুন দিলে এই আগুন পার্শবর্তী আরও তিনটি বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে। পাশাপাশি বাড়ি হওয়ায় রত্না ঘোষের বাড়ির সঙ্গে চন্দন ঘোষ, সনজিত ঘোষ ও অজিত ঘোষের বাড়িও আগুনে ভস্মীভূত হয়। এভাবে সাকাচৌর ক্যাডাররা বাড়িঘরসহ ৩৭টি স্থাপনা ধ্বংস করে। নির্বাচনে বিপক্ষে কাজ করার অপরাধে শতকাতুল ইসলামের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গোল্ডেন ফার্নিচার সালাউদ্দিন কাদের চৌধুরীর হুমকির মুখে বন্ধ করতে বাধ্য হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ইজ্জতের মূল্য সাড়ে ১৯ হাজার টাকা ॥ &lt;/span&gt;২০০১-এর নির্বাচন-পরবর্তী ৯ অক্টোবর রাতে মাগুরা জেলার শ্রীপুর উপজেলার সবদালপুর ইউনিয়নের নহাটা গ্রামের পালপাড়ার পাশের গ্রামের বাকি মিয়ার নেতৃত্বে মিজানুর রহমান, জাহাঙ্গীর, বাবলু, আবু সাইদ, কেনালসহ ২০-২৫ জন বিএনপি সন্ত্রাসী একই গ্রামের অনিল পাল, নিখিল পালসহ কয়েকজনের বাড়িতে ভাংচুর, মারপিট ও লুটপাট করার একপর্যায়ে কলেজ ও স্কুল পড়ুয়া দুই তরুণীকে অস্ত্রের মুখে তুলে নিয়ে পার্শ্ববর্তী মাঠে রাতভর পাশবিক নির্যাতন চালায়। পরের দিন সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন ধারায় মামলা হয়। তদন্ত শেষে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জশীট দাখিল করা হয়। ২০০২ সালের ১২ এপ্রিল পার্শবর্তী আমতৈল দাখিল মাদ্রাসায় স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ঘটনাটি আপোস মীমাংসা করার জন্য এক সালিশ বৈঠকে বসে। ওই সালিশ বৈঠকের মোড়লগণ গণধর্ষণের শিকার হওয়া দুই তরুণীর ইজ্জতের মূল্য ১৯ হাজার ৫শ' টাকা নির্ধারণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-18&amp;amp;ni=62184"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৮ জুন&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-4456170777709714359?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/4456170777709714359/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=4456170777709714359&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4456170777709714359'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4456170777709714359'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post_18.html' title='ইজ্জতের মূল্য ১৯ হাজার টাকা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-6289360018655725460</id><published>2011-06-16T09:34:00.000-07:00</published><updated>2011-06-16T09:39:09.099-07:00</updated><title type='text'>কমলার ক্ষতচিহ্ন সেদিন চূর্ণ করে দেয় আলতাফ চৌধুরীর দম্ভ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ (৪)&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;তপন বিশ্বাস &lt;/span&gt;॥ ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশজুড়ে শুরু হয় প্রতিহিংসার রাজনীতি। আওয়ামী লীগকে ভোট দেয়ার অপরাধের দায় মেটাতে হয়েছে অসংখ্য সংখ্যালঘু নারীকে ইজ্জত দিয়ে। এ আঘাত সইতে না পেরে কেউ অপ্রকৃতস্থ হয়েছে সারা জীবনের জন্য। কেউ অাত্মহনন করেছে। কেউ কেউ মুখ বুজে সহ্য করলেও তাদের দীর্ঘ নিশ্বাসে আজও স্মরণ করে ২০০১-এর সেই নির্বাচনকে। এই নারকীয় ঘটনায় অনেকে হাত-পা হারিয়ে চিরতরে পঙ্গু হয়েছে। এ জাতীয় আরও কিছু ঘটনা থাকছে ধারাবাহিকের এই পর্বে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০১ সালের নির্বাচনের পর মুহূর্তেই খুন, লণ্ঠন, অগ্নি সংযোগ, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের পাশাপাশি ধর্ষণ শুরু করে বিএনপি-জামায়াত জোটের নরপিশাচরা। আবাল-বৃদ্ধা-বনিতা, প্রতিবন্ধী কেউ এদের হাত থেকে রক্ষা পায়নি। হায়নারা যেন দল বেঁধে নামে ধর্ষণে। ৯ বছরের শিশু কাজলীও ধর্ষণের শিকার হয়েছে এই নরপশুদের হাতে। মদ খেয়ে ধর্ষণে মাতোয়ার হয়ে ওঠে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা। এ সময়ে ঘটনা শুধু মধ্যযুগীয় নয়, যে কোন সময়ের বর্বরতাকেও হার মানিয়েছে।&lt;br /&gt;গোটা বাঙালী জাতি এ নারকীয় ঘটনার ধিক্কার জানিয়েছিল, জানিয়ে যাচ্ছেও। জাতি চায় মানুষরূপী এই নরপশুদের দৃষ্টানত্মমূলক বিচার হোক। রাজনীতি করা বা বিশেষ কোন দলকে সমর্থন করা মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার। মানুষের গণতান্ত্রিক এই অধিকারকে নস্যাত করতে নারকীয় এই ঘটনা করে উলস্নাস করে এরা । গণতন্ত্রের মানসকন্যা শেখ হাসিনা বর্তমানে দেশের প্রধানমন্ত্রী। তাঁর কাছে বাংলার মানুষের অনেক প্রত্যাশা। ভিন্ন মত থাকবে। কিন্তু দেশের অধিকাংশ মানুষ তাঁকে পছন্দ করে, তাঁকে চায় বলেই তো ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে আওয়ামী লীগ এবার ৰমতায় এসেছে। জাতির আকাঙ্ৰা গণতন্ত্রের মানসকন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মানবতাবিরোধী এই অপরাধীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবেন। এদের দৃষ্টানত্মমূলক শাস্তি দেবেন, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ এ জাতীয় ঘৃণ্য অপরাধ করতে সাহস না পায়।&lt;br /&gt;নির্বাচনের দিন রাতে অর্থাৎ ২০০১ সালের ১ অক্টোবর বরিশালের গৌরনদীর চানসি গ্রামে সাবিত্রী দাস গণধর্ষণের শিকার হয়। মধ্যরাতে ১০/১২ সন্ত্রাসী সাবিত্রী রানী দাসের ঘরে দরজা ভেঙে ঢুকে পড়ে। এ সময় তার স্বামী বাধা দিলে তাকে মারধর করে ঘরে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে রাখে। স্বামী চোখের সামনে স্ত্রী সাবিত্রীকে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র করে একে একে ধর্ষণ শুরু করে। পালাক্রমে রাতভর চলে এই ধর্ষণ প্রক্রিয়া। ভোরে সন্ত্রাসীরা তাদের ফেলে চলে যায়। এ ঘটনায় সাবিত্রী রানী মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে। ঘটনার ১০ বছর পর তদন্ত কমিশন গিয়ে তাকে অপ্রকৃতস্থ দেখতে পায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্বাচনের পরদিন অর্থাৎ ২০০১ সালের ২ অক্টোবর রাতে যুবদল ও ছাত্রদলের সন্ত্রাসীদের লোলুপ দৃষ্টি পড়ে ফরিদপুরে ডিগ্রী পড়ুয়া এক সংখ্যালঘু মেয়ের প্রতি। সবেমাত্র এইচএসসি পাস করে ডিগ্রীতে ভর্তি হওয়া সংখ্যালঘু পরিবারের এই মেয়েটির প্রতি তাদের লোলুপ দৃষ্টি আগে থেকেই ছিল। নির্বাচনের পর দেশজুড়ে খুন, ধর্ষণ, লুটপাট শুরু হলে রাতের অাঁধারে তারাও বাসনা মেটাতে ছুটে আসে মেয়েটির বাড়িতে। মেয়েটিকে তার বাড়িতে ফেলে মা-বাবার চোখের সামনে গণধর্ষণ করে নরপিশাচরা। ১০ বছর পর তদন্ত কমিশন ফরিদপুরে তাদের বাড়ি গেলে মেয়েটির মা-বাবা কমিশনের সদস্যদের পা জড়িয়ে ধরে। এ সময় কমিশনকে তারা জানায় ঘটনাটি তারা ভুলে যেতে চায়। মেয়েটিকে বিয়ে দেয়া হয়েছে। কোন কারণে এ ঘটনা যাতে প্রকাশ না পায় তারা সে অনুরোধ জানায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নাবালিকা কাজলী ধর্ষণ ॥ ২০০২ সালে ২১ মার্চ রাতে রাজশাহীর বাগমারা থানার কোন্দা গ্রামে মোঃ রজব আলী রাতের খাওয়া শেষে তার স্ত্রী অলকজান একটি ঘরে এবং তার ছেলে জুয়েল ও মেয়ে রজুফা ওরফে কাজলী (৯) অপর একটি ঘরে ঘুমিয়ে পড়ে। রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বিএনপি সমর্থিত ১. আশরাফুল আলম, ২. ইসরাফিল, ৩. রহিম উদ্দিন, ৪ মকলেছুর (মকে), ৫ জাকিরম্নল ওরফে সান্টু, ৬. আসকান ওরফে আমিনুল ও আমজাদ হোসেন সর্ব সাং কোন্দা, বাগমারা তালা ভেঙ্গে ঘরে প্রবেশ করে নাবালিকা মেয়ে কাজলীকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে। এ সময় বাধা দিতে এতে কাজলীর ভাইয়ের গলায় এক সন্ত্রাসী চাকু ধরে। অপর এক সন্ত্রাসী চাকু দিয়ে কাজলীর যৌনাঙ্গের কাছে পাজামা কেটে তাকে ধর্ষণ করে। পাজামা কাটার সময় চাকুর আঘাতে কাজলীর যৌনাঙ্গের অংশ বিশেষ কেটে রক্তাক্ত জখম হয়। নরপশুরা ওই অবস্থায় কাজলীকে ধর্ষণ করে। যন্ত্রণায় ছটফট করতে থাকা কাজলীর চিৎকারে তারা মা-বাবা অন্য ঘর থেকে ছুটে এলে সন্ত্রাসীরা তাকে ছেড়ে পালিয়ে যায়। এ সময় মুমূর্ষ অবস্থায় তাকে প্রথমে স্থানীয় ডাক্তারের কাছে পরে ডাক্তারের পরামর্শে রাজশাহীতে সেবা ক্লিনিকে নিয়ে চিকিৎসা করায়। আদালতের নির্দেশ মোতাবেক বাগমারা থানায় মামলা দায়ের করা হয়। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন/২০০০ এর ৯(১)/৩০ রজু হয়। মামলাটি তদনত্ম শেষে সকল আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়। এ মামলায় চার আসামির যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করে আদালত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তৎকালীন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরীর দম্ভোক্তি: ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর দেশজুড়ে ভয়ঙ্কর রূপে চলছে নির্বাচনোত্তর সহিংসতা। খুন, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ, সম্পদ লুট, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বিএনপি-জামায়াত সশস্ত্র ক্যাডার। তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলতাফ হোসেন চৌধুরী নির্দ্বিধায় অস্বীকার করছেন এ সকল ঘটনা। পত্রিকায় প্রকাশিত খবর ও জনমতের চাপে সরকারী কর্মকর্তা ও দলীয় কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে হেলিকপ্টারযোগে বরিশালের আগৈলঝড়ায় যান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখানে আয়োজিত এক মঞ্চে স্থানীয় সংসদ সদস্য জহিরউদ্দিন আহম্মেদ স্বপন বলেন, 'সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর কোন নির্যাতন না হওয়া সত্ত্বেও পত্রিকায় মিথ্যা প্রতিবেদন ছাপিয়ে সরকারকে হেয় করা হচ্ছে।' স্বপনের এই উক্তির সঙ্গে সঙ্গে মঞ্চে উপস্থিত আলতাফ হোসেন চৌধুরীর সামনে হাজির হয় রাজিহার ইউপি সদস্য কমলা রানী ওরফে কালা বউ। কমলা রানী মঞ্চে উঠে উপস্থিত জনতার সামনে শাড়ি খুলে তার ওপর বিএনপি সন্ত্রাসীদের নির্যাতনের বর্ণনা দেন। পিনপতনের স্তব্ধতা ভেঙ্গে উপস্থিত জনতা ধিক্কার ধ্বনি দিয়ে মিথ্যাচারের প্রতিবাদ করে। কমলা রানী স্থানীয় আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে পোলিং এজেন্ট ছিল বলে নির্যাতন করে তার বাড়ি সম্পূর্ণরূপে ভস্মীভূত করে দেয়া হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-15&amp;amp;ni=61848"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ&lt;/a&gt; ১৫ জুন, ২০১১&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-6289360018655725460?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/6289360018655725460/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=6289360018655725460&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6289360018655725460'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/6289360018655725460'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post_16.html' title='কমলার ক্ষতচিহ্ন সেদিন চূর্ণ করে দেয় আলতাফ চৌধুরীর দম্ভ'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-4153515782154662160</id><published>2011-06-14T06:44:00.000-07:00</published><updated>2011-06-14T06:50:23.140-07:00</updated><title type='text'>পূর্ণিমা ছবিরানী মহিমা_এভাবেই সেদিন বাড়ে সম্ভ্রমহারাদের সারি</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ (৩)&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;তপন বিশ্বাস &lt;/span&gt;॥ ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর বিএনপি-জামায়াত জোটের নরপিশাচরা প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে ধর্ষণে মেতে ওঠে। প্রতিহিংসার রাজনীতিতে মানবতা লাঞ্ছিত হয়। এদের সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ, সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, সম্পদ লুণ্ঠন, জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, শারীরিক নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের মতো অসংখ্য ঘটনায় মানবতা ক্রন্দনরত। এ জাতীয় আরও কিছু ঘটনা তুলে ধরা হলো ধারাবাহিকের এই সংখ্যায়।&lt;br /&gt;২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনোত্তর খুন, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অগ্নিসংযোগসহ সব মানবতাবিরোধী সহিংসতায় আক্রান্ত নিরীহ ব্যক্তি ও পরিবারের শোক, দুঃখ ও বেদনার সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন। অনেকে তদন্ত কমিশনের সামনে এসে বর্ণনা করেছে লোমহর্ষক কাহিনী। আবার কেউবা ভয়ে এখনও মুখ খুলতে সাহস পায়নি। নাম প্রকাশ না করেও কেউ কেউ ঘটনার বর্ণনা দিয়েছে তদন্ত কমিশনের সামনে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;এক পরিবারের তিন সংখ্যালঘু নারীর সম্ভ্রমহানি&lt;/span&gt; ॥ বরিশাল সদর থানার চরমোনাই ইউনিয়নের রাজারচর গ্রামে তিন সংখ্যালঘু নারীকে ধর্ষণ করে নরপিশাচরা। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, রাজারচর গ্রামের পবিত্র কুমার মিস্ত্রি হোগলাপাতার ব্যবসা করত। দুই ছেলে, দুই মেয়ে, বোন আর স্ত্রীকে নিয়ে সে বসবাস করত। নির্বাচনের পর গ্রামে সন্ত্রাসীদের দাপট বেড়ে যাওয়ায় বড় মেয়ে গৌরীকে শহরে পাঠিয়ে দেয়। এতে বড় মেয়ে রক্ষা পেলেও সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারেনি পরিবারের অন্য নারীরা। ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর সকাল ১১টার দিকে বিএনপি সন্ত্রাসী বজলু, পিতা- মকবুল হাওলাদার, আতাহার তালুকদার, পিতা অজ্ঞাত উভয় সাং রাজারচর, থানা-কোতোয়ালি, বরিশালসহ ১০-১২ অজ্ঞাতনামা সন্ত্রাসী পবিত্র কুমারের বাড়িতে এসে তাকে না পেয়ে স্ত্রী-সন্তানদের পরনের কাপড় ছাড়া বাকি মালামাল লুট করে নিয়ে যায় এবং পবিত্রকে দেখা করতে বলে। কিন্তু প্রাণভয়ে পবিত্র দেখা না করলে সন্ত্রাসীরা ১৩ অক্টোবর রাত সোয়া ১টার দিকে সিঁধ কেটে তার ঘরে প্রবেশ করে দরজা ভেঙ্গে ফেলে। এ সময় সন্ত্রাসীরা ঘরে ঢুকে পবিত্রর স্ত্রী পারুল বালা (৪০), মেয়ে প্রিয়ঙ্কা রানী মিস্ত্রি (পুষ্প) (১৪), চাচাত বোন সোমা রানী মিস্ত্রিকে গণধর্ষণ করে। ঘটনার দীর্ঘ ৯ বছর পর ভিকটিমরা তদন্ত কমিশনের কাছে এ ঘটনা প্রকাশ করেছে। ঘটনার সময় থানায় মামলা দায়ের করা হলেও আসামিরা থেকে যায় ধরা ছোঁয়ার বাইরে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;কিশোরী পূর্ণিমাকে গণধর্ষণ&lt;/span&gt; ॥ পনেরো বছর বয়সের দশম শ্রেণীর ছাত্রী পূর্ণিমা গণধর্ষণের শিকার হয়ে অনেকটা বাকরুদ্ধ হয়ে পড়েছিল। সিরাজগঞ্জের উলস্নাপাড়া থানার দেলুয়া গ্রামের অনিল কুমার শীলের পরিবারের ওপর ২০০১ সালের নির্বাচন পরবর্তী অক্টোবর মাসের ৮ তারিখ রাতে চালানো হয় বর্বরতম অত্যাচার-নির্যাতন-নিপীড়ন। রাতে জোরপূর্বক বাড়িতে ঢুকে অত্যাচার-নির্যাতনের এক পর্যায়ে সন্ত্রাসীরা অনিল শীলের ছোট মেয়েকে তুলে নিয়ে সম্পূর্ণ বিবস্ত্র করে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ঘটনার ৩/৪ দিন পর ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটি ধর্ষিত ছাত্রী ও তার পরিবারকে সাংবাদিদের সামনে হাজির করলে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সালের ৮ অক্টোবর বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসী মোঃ খলিল মিয়া, মোঃ আঃ জলিল মিয়া, মোঃ লিটন মিয়া, মোঃ আলতাফ হোসেন, মোঃ আনোয়ার হোসেন, মোঃ রেজাউল হক, মোঃ আঃ মালেক, মোঃ হোসেন আলী, মোঃ ছাবেদ আলী, মোঃ আঃ রউফ, মোঃ আঃ মান্নান, মোঃ মজনু, মোঃ ইউসুফ আলী মোঃ মমিন হোসেন, মোঃ মনসুর আলী, মোঃ জহুরুল ইসলাম, মোঃ মেভেন মিয়া, মোঃ ইয়াসিন আলী, মাঃ আব্দুল মিয়া, মোঃ বাবুল মিয়াসহ ২৫-৩০ জনের একটি সন্ত্রাসী দল রাতের অাঁধারে অনিল শীলের বাড়িতে হানা দেয়। তারা অনিলের ছোট মেয়ে পূর্ণিমা রাণী শীলকে অপহরণ করতে গেলে তার স্ত্রী বাধা দিতে আসে। কিন্তু সন্ত্রাসীদের হামলায় পূর্ণিমার মা অজ্ঞান হয়ে পড়ে। বাড়ির সবাইকে মারধর করে তারা পুর্নিমাকে তুলে নিয়ে পালাক্রমে ধর্ষণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;উল্লাপাড়া হামিদা উচ্চ বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীৰার্থিনী পূর্ণিমা ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন নিজ গ্রাম দেলুয়া ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ প্রার্থী আব্দুল লতিফ মির্জার নির্বাচনী এজেন্ট ছিল। তার মা বাসনা অন্য ভোটকেন্দ্র মহিলা আনসারের দায়িত্ব পালন করছিলেন। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার কারণে এই পরিবারের ওপর নেমে আসে বিএনপি-জামায়াত জোটের সন্ত্রাসীদের এই পাশবিক অত্যাচার। অবশ্য এ ঘটনায় কয়েকজনের শাস্তিও হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ছবি রানী ধর্ষণ&lt;/span&gt; ॥ তদন্ত কমিশন সরেজমিন তদনত্ম করতে গেলে বাগেরহাট সার্কিট হাউসে এসে নির্মম নির্যাতনের কাহিনী বর্ণনা করে গণধর্ষণের শিকার হওয়া ছবি রানী। ধর্ষণের সময় তার বয়স ছিল ২০ বছর। ছবি রানী কমিশনের সামনে বলে, ২০০২ সালের ২১ আগস্ট বিএনপি নেতা মল্লিক মিজানুর রহমান ওরফে মজনু ও বাশার কাজীর নির্দেশে সন্ত্রাসী মজনু রহমান (বিএনপি থানা আহ্বায়ক), আবুল বাসার, তায়েব নুর, কামাল শিকারী, কামাল ইজারাদার, বজলুর রহমান, পলাশ, মাঝে শিকদার, ইল ফরাজী, হিমু কাজী, জিন্না নুর প্রহরী, ইমদাদ, এমএ মান্নান, হারুন মল্লিক, মোসত্মাফিজুর রহমান, হাফিজ উদ্দিন, আলতাফরা সন্ধ্যা আনুমানিক ৭টা থেকে সাড়ে ৭টায় তাকে বিএনপি অফিসে ডেকে নিয়ে গণর্ধষণ করে। পরে মাথার চুল কেটে দেয়। পরে নগ্ন ছবি করে যৌনাঙ্গে বালু ও কাঁচের গুঁড়া ঢুকিয়ে দেয়। পানি খেতে চাইলে প্রসাব করে তা খেতে দেয়। জবানবন্দী দেয়ার সময় তার শরীরের কয়েকটি চিহ্ন কমিশনের সদস্যদের দেখান। এ সময় ছবি রানী তদন্ত কমিশনকে জানায়, বাগেরহাট আদালতে এ মামলা চলাকালে বিএনপির তখনকার সভাপতি ও বাগেরহাট-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এমএএইচ সেলিম তাঁর বাগেরহাটের বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোর করে মামলা মীমাংসাপত্রে স্বাক্ষর করিয়ে নেয় এবং সন্ত্রাসীর হুমকির মুখে সাক্ষী হাজির করতে না পারায় বাধ্য হয়ে মামলাটি প্রথমে ঢাকা, পরে খুলানা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে স্থানান্তর করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;ধর্ষিত কিশোরী মহিমার আত্মহনন&lt;/span&gt; ॥ ঘটনাস্থল রাজশাহীর পুঠিয়া। কাঁঠালবাড়ীয়া গ্রামের আঃ হান্নানের ১৪ বছরের মেয়ে মোছাঃ মহিমা খাতুন। ২০০২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি বিকেলে নিজ বসতবাড়ির পূর্বপাশ্বের একটি কাঁঠাল গাছ থেকে পাতা পেড়ে ছাগলকে খাওয়ানোর সময় বিএনপি সমর্থিত সন্ত্রাসী ফরিদ, পিতা- সেকেন্দার, ফারুক, পিতা-মোতালেব, সেলিম, পিতা- খলিল, সাং সেনবাগ, উজ্জল, পিতা-মোশারফ, সাং-পীরগাছা, মোশারফ হোসেন, পিতা-জবেদ আলী, সেকেন্দার আলী, পিতা- মৃত মাহাতাব, আঃ মোতালেব, পিতা- মৃত সৈয়দ আলী উভয় সাং কাঁঠালবাড়ীয়া ও খলিল, পিতা- লোকমান, সাং বড় সেনবাগ পুঠিয়া তাকে জোরপূর্বক পার্শবর্তী আবু বক্করের আখক্ষেতে নিয়ে যায় এবং আসামিরা তাকে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। পরে সন্ত্রাসীরা মহিমা খাতুনের বিবস্ত্র অবস্থায় ছবি তোলে। ঘটনাটি প্রথমে আপোস মীমাংসার চেষ্টা চলে। কিন্তু স্থানীয়ভাবে আপোস মীমাংসা না হওয়ায় মহিমা খাতুন সম্ভ্রমহানির অপমানে ঘটনার চারদিনের মাথায় ১৯ ফেব্রুয়ারি বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিষপান করে । সঙ্গে সঙ্গে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-14&amp;amp;ni=61721"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ ১৪ জুন ২০৩৩&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-4153515782154662160?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/4153515782154662160/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=4153515782154662160&amp;isPopup=true' title='1 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4153515782154662160'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/4153515782154662160'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post_14.html' title='পূর্ণিমা ছবিরানী মহিমা_এভাবেই সেদিন বাড়ে সম্ভ্রমহারাদের সারি'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>1</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-8138375597976713836</id><published>2011-06-13T09:08:00.001-07:00</published><updated>2011-06-13T09:18:17.157-07:00</updated><title type='text'>ভোলার 'ভেণ্ডারবাড়ী' এক অভিশপ্ত রাতের ভয়াবহ সাক্ষী</title><content type='html'>মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ (২)&lt;br /&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;তপন বিশ্বাস ॥&lt;/span&gt; ২০০১ সালে ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীদের ওপর নেমে আসে অমানিশার অন্ধকার। চরমভাবে মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে। ধর্ষণের শিকার হয়েছে যত্রতত্র। খুন, লুণ্ঠন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অগ্নিনসংযোগসহ সব মানবতাবিরোধী সহিংসতায় আক্রান্ত নিরীহ ব্যক্তি ও পরিবারের শোক, দুঃখ ও বেদনা মিলেমিশে একাকার হয়ে যায়। তারই কিছু কাহিনী তুলে ধরা হলো ধারাবাহিকের এ পর্বে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশব্যাপী সহিংস ঘটনা ঘটলেও সকল মাত্রা ছাড়িয়ে শীর্ষে অবস্থান করে ভোলা জেলার লালমোহন থানার লর্ড হার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের অন্নদা প্রসাদ গ্রামের ভোন্ডারবাড়ীর ঘটনা। নির্বাচনের পর পরই শুরু হয় দেশব্যাপী আওয়ামী লীগ কর্মী-সমর্থক বিশেষ করে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর নির্যাতন-নিপীড়ন। যোগাযোগ ব্যবস্থা খারাপ এবং ভেন্ডারবাড়ী থেকে থানা প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে হওয়ার কারণে অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনের লোকজন এমনকি সংবাদকর্মীরাও নির্বাচনে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি। বাড়িঘর লুটপাট, চাঁদা দাবি, এমনকি নারী ধর্ষণের অজস্র ঘটনা ঘটে। এর মধ্যে অধিকাংশ ঘটনাই পুলিশের নথিভুক্ত হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০১ সালের ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ১ অক্টোবর রাতে হামলা, ধর্ষণ, নির্যাতন, অগ্নিসংযোগ ইত্যাদি ঘটনায় লালমোহনের বিভিন্ন এলাকার সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের লোকেরা আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। নির্বাচনের পরদিন ২ অক্টোবর অন্নদা প্রসাদ গ্রামের আশপাশের গ্রামের সংখ্যালঘু মহিলারা নিরাপদ স্থান হিসেবে বেছে নিয়েছিল গ্রামের চার পাশের ধানক্ষেত ও জলাভূমি পরিবেষ্টিত ভেন্ডারবাড়ী। অর্ধশতাধিক মহিলা তাদের সম্ভ্রম রৰার জন্য সেখানে আশ্রয় নেয়। কিন্তু সে বাড়িটিও সন্ত্রাসীদের নজর এড়ায়নি। নরপিশাচদের আগুনে আত্মাহুতি দিল শত নারী। শত শত বিএনপি সন্ত্রাসী ৮/১০টি দলে বিভক্ত হয়ে অত্যনত্ম পরিকল্পিতভাবে ওই রাতে হামলা চালায়। একের পর এক দল হামলা চালিয়ে অসহায় সংখ্যালঘু পরিবারের মেয়ের ধর্ষণ করতে থাকে। শত চেষ্টা করেও মহিলা তাদের সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারেনি। অনেক সম্ভ্রম হারানোর ভয়ে, প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়ে আশপাশের জলাশয়ের ধানক্ষেতে। মহিলারা পানিতে ঝাঁপিয়ে সম্ভ্রম রক্ষার চেষ্টা চালালে রাজনৈতিক মদদপুষ্ট এ সন্ত্রাসীরা তাদের সন্তানদের পানিতে ফেলে দেয়ার হুমকি দিলে সন্তানদের জীবন রক্ষায় তারা উঠে আসতে বাধ্য করে। আর উঠে আসলেই তারা গণধর্ষণের শিকার হয়। এভাবে ধর্ষিত হয় আট বছরের শিশু, লাঞ্ছিত হয়েছে ৬৫ বছরের বৃদ্ধা, মা, মেয়ে, শাশুড়ি, পুত্রবধূকে ধর্ষণ করা হয়েছে এক সঙ্গে। এ সময় ছেলের চেয়েও ছোট বয়সী সন্ত্রাসী ধর্ষণ করেছে মায়ের চেয়েও বেশি বয়সের নারীকে। সন্ত্রাসীরা ছাড়েনি পঙ্গু নারী শেফালী রানী দাসকেও। পঙ্গু হওয়া সত্ত্বেও অন্যদের মতো সন্ত্রাসীদের কবল থেকে সম্ভ্রম বাঁচাতে শেফালী রানীও পালানোর চেষ্টা করে। কিন্তু নিয়তির নির্মম পরিহাস। পঙ্গু শেফালী পালানোর চেষ্টাকালে পুকুর পাড়ে হলুদ ক্ষেতে পড়ে যায়। তখন দুই সন্ত্রাসী তাকে ধরে ফেলে এবং তার পরনের কাপড় ছিঁড়ে তাকে বিবস্ত্র করে দুই সন্ত্রাসী পালাক্রমে ধর্ষণ করে। সন্ত্রাসীদের পাশবিক অত্যাচারে এক পর্যায়ে শেফলী জ্ঞান শূন্য হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে পলফ্যাশন হাসপাতালে তার চিকিৎসা করানো হয়। সম্ভ্রম হারিয়ে অনেকেই লজ্জায়, ভয়ে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যায়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ভেন্ডারবাড়ীতে নারকীয় এ পাশবিক ঘটনার বিএনপি সন্ত্রাসীদের মধ্যে অন্যতম ছিল অন্নপ্রসাদ গ্রামের আবু, সেলিম, দুলাল, জাকির পিং আঃ খালেক। এছাড়া ওই সন্ত্রাসীদের মধ্যে ছিল দুলাল পিতা-কব্বর আলী সাং চাঁদপুর, আলমগীর পিতা- আঃ মুন্নাফ সাং অন্নদাপ্রসাদ, সোহাগ মিয়া সাং অন্নদাপ্রসাদ, নজরম্নল পিতা- মৃত বদিউজ্জামান সাং চাঁদপুর, মোঃ আক্তার পিতা-আঃ হাই সাং ফাতেমাবাদ গং জোর পূর্বক গংগাচরণ দাস পিতা- মৃত বৈকুন্ঠ কুমার দাস সাং অন্নপ্রসাদের বাড়িতে প্রবেশ করে তার বিভিন্ন মালামাল লুট করে নিয়ে যায়। আসামিরা তার স্ত্রী শেফালী বালা দাস ও কন্যা সুষমা রানী দাসকে ধর্ষণ করে। ওই গ্রামের অনেকে এখন ভারতে অবস্থান করছে। এখানে বিভিন্ন এলাকা থেকে এসে আশ্রয় নেয়া ৬০/৭০ মহিলা ধর্ষণের শিকার হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত কমিশন লালমোহনের ভেন্ডারবাড়ী নারকীয় পৈশাচিক ঘটনায় জড়িত কিছু সন্ত্রাসীদের নাম উল্লেখ করেছে তাদের প্রতিবেদনে। এর মধ্যে ১. দুলাল, পিতা- আলী আকবর, সাং চাঁদপুর। ২. ইব্রাহিম খলিল, পিতা-মৃত মৌলভী মোহাম্মদ, সাং অন্নদাপ্রসাদ। ৩. আকতার (৩৫) পিতা-জাফর উল্যাহ, সাং চাঁদপুর। ৪. সাইফুল (৪০) পিতা-ওসমান গনি, সাং-অন্নদাপ্রসাদ। ৫. শাহাবুদ্দিন পিতা- আঃ হাই সাং-চাঁদপুর। ৬. মোতাহার (৩৫), পিং- সামছুল হক, সাং-ফাতেমাবাদ, ৭. ভুট্টো, পিতা- মোসত্মফা, সাং-অন্নদাপ্রসাদ, ৮.নান্নু (৩৭), পিতা- লুৎফর রহমান, সাং ফাতেমাবাদ। ৯. আলমগীর, পিতা-আবুল হাশেম, সাং-সৈয়দাবাদ, ১০ সেলিম, পিতা-ইয়াসিন মাস্টার, সাং-অন্নদাপ্রসাদ। ১১. জাকির, পিতা- আঃ মালেক। ১২. নজরম্নল, পিতা বদিউজ্জামান, ১৩. আবু, পিতা- জলিল, ১৪. মিজান, পিতা-ইসহাক, ১৫. ইদ্রিস, পিতা-আঃ কাদের ১৬. মোশারফ, পিতা- শাহাবুদ্দিন মিয়া, ১৭. বাবলু, পিতা-নুরম্নজ্জামান, ১৮. কামরুল, পিতা-নুরম্নজ্জামান, সর্ব সাং অন্নাদপ্রদান লালমোহন বোলা। অজ্ঞাতনামা ২০/২৫ জন যাদের নাম ঠিকানা তদনত্মের সময় কেউ বলেনি বা বলতে পারেনি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অন্তঃসত্ত্বা জয়ন্তী-সংগ্রামের কাহিনী ॥&lt;br /&gt;৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পরদিন ২ অক্টোবর অষ্টাদশী গ্রাম্য গৃহবধূ জয়ন্তী যখন প্রথম সনত্মানের জন্মমুহূর্তে প্রসব বেদনায় কাতরাচ্ছে, ঠিক সে সময় দিন দুপুরেই বেলা আনুমানিক ৩টায় ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার সাত নন্বর পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের জাহাজমারা গ্রামে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়, স্থানীয় বিএনপি নেতা ইলিশা কান্দি গ্রামের জাহাঙ্গীর মাতবরের নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক সশস্ত্র সন্ত্রাসী দা, ছুরি, লাঠি ও বল্লমসহ তাদের কুঁড়েঘরে হামলা চালায়। হামলায় গ্রামবাসী ভয়ে পালিয়ে যেতে থাকে। গ্রামের বিভিন্ন ঘরে ঢুকে সন্ত্রাসীরা হামলা চালাতে থাকে। জয়ন্তীর শাশুড়ি মুক্তিরানী একজন স্থানীয় ধাত্রীকে দিয়ে তার শিশু প্রসব করাচ্ছিল। শিশু প্রসবের মুহূর্তে সন্ত্রাসীরা দা ও ছুরি দিয়ে জয়ন্তীর কুঁড়ে ঘরের বেড়ায় কোপ মারতে থাকে। ধাত্রী সন্ত্রাসীদের ভয়ে ও আতঙ্কে পালিয়ে যায়। ঘরে শুধু অসহায় জয়ন্তী ও তার শাশুড়ি। সন্ত্রাসীরা তখনও ঘরের বেড়া ভাঙার চেষ্টা চালাচ্ছে। এ মুহূর্তে জন্ম নেয় একটি পুত্র সন্তান। হতবুদ্ধি মুক্তিরানী কোন উপায় না দেখে জয়ন্তীকে ভালভাবে জড়িয়ে ধরে নবজাতককে পরনের শাড়ি দিয়ে পেঁচিয়ে ঘরে নিয়ে অপর দিকের বেড়া ভেঙে জয়ন্তীকে টেনেহিঁচড়ে বের করে আনে। পরবর্তীতে ওই অবস্থায় দৌড়ে পালায় পাশের ধানক্ষেতে নিরাপদ আশ্রয়ের আশায়। সদ্যপ্রসূতি মা জয়ন্তীর তখন দৌড়ে পালানোর মতো অবস্থা ছিল না। কিন্তু মৃত্যু ভয়ে ভীত মুক্তি রানী তাকে জোর করে টেনে নিয়ে যাচ্ছিল। তখনও পর্যনত্ম সদ্যজাত শিশুটিকে মায়ের নাড়ি থেকে বিচ্ছিন্ন করার সময় পায়নি মুক্তি রানী। তাদের মতো অনেকেই সেই ধানক্ষেতের মধ্যে অপেক্ষাকৃত উঁচু একটি জায়গায় নিরাপদ আশ্রয়ের আশায় এসে জড়ো হয়েছিল। সেখানে একজনের কাছ থেকে একটি ব্লেড নিয়ে শিশুটির নাড়ি কাটে মুক্তি রানী। রাত নয়টা পর্যন্ত সেখানে থেকে সন্ত্রাসীদের চলে যাওয়ার খবর নিশ্চিত করে তারা পুনরায় ঘরে ফিরে যায়। এ ঘটনার কারণে সদ্য ভূমিষ্ঠ সন্তানের নাম রাখা হয় সংগ্রাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;গ্যাং রেপ ॥ নির্বাচনের পরদিন বিভিন্ন স্থানে চলে গ্যাংরেপ। ঝালকাঠির নলছিটিতে একই পরিবারের চম্পা রানী, পুতুল রানী, মিনতী রানী, মালতী রানীকে এক সঙ্গে ধর্ষণ করে এ নরপিশাচরা। বিএনপির সন্ত্রাসীরা নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার অপরাধে রাতে বাড়িতে এসে লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে দল বেঁধে একই পরিবারের চার মা-মেয়ে ধর্ষণ করে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দুই সন্তানের সামনে মাকে ধর্ষণ ॥ ঘটনাটি ঘটে সাতক্ষীরার আশাশুনিতে। গ্রামের নাম খালিয়া। আওয়ামী লীগের প্রার্থীর পক্ষে প্রচারে অংশ নেয়ায় একই গ্রামের বিএনপি ক্যাডার শাহাজাহান, বটু, ইসমাইল ও সোবহানের লোলুপ দৃষ্টি থেকে সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারেনি তারামন বিবি। ১৫ অক্টোবর রাতে স্বামী ও পুত্র-কন্যার সামনে গণধর্ষণের শিকার হয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মায়ের সামনে মেয়েকে ধর্ষণ ॥ নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার অপরাধে ফরিদপুরের ভাংগায় আজিমনগর গ্রামে একটি সংখ্যালঘু পরিবার বর্বরতম নির্যাতনের শিকার হয়। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর বিএনপি মৌলবাদী সমর্থকরা ওই পরিবারের বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে মূল্যবান জিনিসপত্র লুট করেই ক্ষান্ত হয়নি। ঘরের মধ্যে সারারাত মদ খেয়ে পৈশাচিক উল্লাসে মায়ের সামনেই নকুল মালোর কলেজ পড়ুয়া মেয়েকে ধর্ষণ করে। কমিশনের রিপোর্টে বলা হয় ২০০১ সালের ৬ অক্টোবর রাত ৯টায় ভাংগায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেনের ভাই পলাশ, মোঃ সেকেন, জামাল, এসকেন, কামাল ও টেক্কা নামে সাত বিএনপি সমর্থক ও সন্ত্রাসী আজিমনগর গ্রামে ওই সংখ্যালঘুর বাড়িতে হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা নৌকায় ভোট দেয়ার মজা দেখাচ্ছি বলে পরিবারের কর্তাকে খুঁজতে থাকলে প্রাণভয়ে তিনি ঘরের পেছনের দরজা খুলে পালিয়ে যায়। এসময় সন্ত্রাসীরা ঘরের মধ্যে প্রবেশ করে মদ খেয়ে মাতাল অবস্থায় মায়ের সামনেই ওই পরিবারের কলেজ পড়ুয়া কন্যাকে সম্পূর্ণ উলঙ্গ করে ধর্ষণ করতে শুরু করে। মা সন্ত্রাসীদের হাতে পায়ে ধরে মেয়ের ইজ্জত ভিৰা চাইলে সন্ত্রাসীরা তাকেও বেদম মারপিট করে। রাত ১টা পর্যন্ত এ পৈশাচিক নির্যাতন শেষে সন্ত্রাসীরা ঘরের দামি জিনিসপত্র লুট করে কলেজ পড়ুয়া ওই মেয়েকে অন্যত্র তুলে নিয়ে পুনরায় ধর্ষণ করে এবং ভোরে তাকে গুরুতর আহত অবস্থায় বাড়ির সামনে ফেলে যায়। ভোরে ওই পরিবারটি ধর্ষিতা মেয়েসহ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় পালিয়ে যায়। ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ গোপালগঞ্জ থেকে পরিবারটিকে এলাকায় ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করে। লোকলজ্জার ভয়ে মেয়েটিকে তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেয়। সন্ত্রাসীরা ঘটনার পর থেকে ওই পরিবারসহ অন্যান্য সংখ্যলঘু পরিবারকে হুমকি দেয় এবং এ ঘটনা কাউকে না বলার হুমকি দেয়।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-13&amp;amp;ni=61667"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ১৩ জুন&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-8138375597976713836?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/8138375597976713836/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=8138375597976713836&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8138375597976713836'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/8138375597976713836'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post.html' title='ভোলার &apos;ভেণ্ডারবাড়ী&apos; এক অভিশপ্ত রাতের ভয়াবহ সাক্ষী'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-7021627619985742172</id><published>2011-06-12T11:50:00.000-07:00</published><updated>2011-06-14T08:32:17.411-07:00</updated><title type='text'>পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে নিথর দেহ ভাসিয়ে দেয় নদীতে</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;মানবতার বিরুদ্ধে অপরাধ (১)&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;তপন বিশ্বাস &lt;/span&gt;॥ ২০০১ সাল, নির্বাচন পরবর্তী ঘটনা বাংলাদেশে নতুন কলঙ্কের জন্ম দেয় । সারা দেশে একযোগে সামপ্রদায়িক সম্প্রীতি লণ্ড ভণ্ড, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী শক্তির নারকীয় তাণ্ডব, হত্যা, ধর্ষণ, উচ্ছেদ, লুণ্ঠন, জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগসহ এমন কোন হীন কাজ নেই যা ঘটেনি। পাশবিক। জান্তব আক্রোশ। হিংস্রতা। প্রতিটি ঘটনা যেন মথিত হৃদয়ের বেদনার্থ সমগ্রতা নিয়ে জীবন্ত অসহায় চিৎকারে বলেছিল_ এই কি আমাদের জন্মভূমি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;আসলে কি ঘটেছিল ওই সময়ে। এই ঘটনা তদন্তের লক্ষে গঠিত তদন্ত কমিশনের অনুসন্ধানে তার চিত্র ফুঁটে উঠেছে। ধারাবাহিক পর্বে চাঞ্চল্যকর এ সব ঘটনার বর্ণনা থাকছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;অবশ্য ইতোমধ্যে ওই সময়ের ঘটনা তদন্ত প্রতিবেদন মন্ত্রণালয়ে পেশ করেছে কমিশন। অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে প্রধানকরে গঠিত তিন সদস্যের কমিশন মর্মস্পর্শী তদন্ত রিপোর্ট জমা দেয়ার পর দেড়মাস মাস অতিবাহিত হলেও রহস্যজনকভাবে সরকার রয়েছে নীরব। সরকারের রহস্যজনক এই ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অথচ এ ঘটনা প্রতিহিংসার রাজনীতিতে মানবতা হয়েছিল লাঞ্ছিত। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি হয়েছিল লণ্ডভণ্ড। মহান মুক্তিযুদ্ধের অবিনাশী চেতনাবিরোধী শক্তি বাংলাদেশ জুড়ে শুরু করে নারকীয় তা-ব। এদের সংঘটিত হত্যা, ধর্ষণ, সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ, সম্পদ লুণ্ঠন, জোরপূর্বক চাঁদা আদায়, শারীরিক নির্যাতন ও অগ্নিসংযোগের মতো অসংখ্য ঘটনা মানবতা ক্রন্দনরত। বিদীর্ণ বাংলাদেশ। নির্মম। পাশবিক। জান্তব আক্রোশ। হিংস্রতা। প্রতিটি ঘটনা যেন মথিত হৃদয়ের বেদনার্থ সমগ্রতা নিয়ে জীবন্ত অসহায় চিৎকারে বলছে: এই কি আমাদের জন্মভূমি। এই প্রতিবেদন অশ্রু, আর্তনাদ, নীরব বেদনা, হৃদয়ানুভূতি ও উপলব্ধির বিবেক যন্ত্রণায় বিদ্ধ রুদ্ধকালের ঘটনাপঞ্জি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত কমিশন ৮ম জাতীয় সংসদ ২০০১ নির্বাচনোত্তর খুন, ধর্ষণ, লুণ্ঠন, শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন, অগ্নি সংযোগসহ সকল মানবতাবিরোধী সহিংসতায় আক্রান্ত নিরীহ ব্যক্তি ও পরিবারের শোক, দুঃখ ও বেদনার কাহিনী তুলে ধরেছে। এ সময় চারদলীয় জোটের নেতাকর্মীরা সারা দেশে যে সহিংসতা চালিয়েছে তা মধ্যযুগীয় নির্যাতনকেও হার মানিয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত রিপোর্টে বলা হয়েছে, ৮ম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের রাত অর্থাৎ ২০০১ সালের ১ অক্টোবর মধ্যরাত থেকে শুরম্ন হয় সংখ্যালঘুদের ওপর নির্যাচন। সংখ্যালঘুর পাশাপাশি দেশের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের ওপরও শুরু হয় এই নির্যাতন। নৌকা মার্কায় ভোট দেয়ার অভিযোগে নির্যাতন শুরু হলেও মুহূর্তে এতে নতুন মাত্রা যোগ হয় অসহায় সংখ্যালঘু নারী ধর্ষণ। যুবদল-ছাত্রদলের এই মিশন থেকে রেহাই পায় না বৃদ্ধা। গর্ভবতী মহিলারাও এমনকি সম্ভ্রম রক্ষা করতে গিয়ে পাট ক্ষেতে বাচ্চা প্রসব করার ঘটনাও ঘটে এ সময়। জোট সরকারের পৈচাশিক চেহারা মুহূর্তে প্রকাশ পায় তাদের অনুসারীদের কর্মকাণ্ডে। রাতভর ধরে চলে ধর্ষণ। গ্রাম ঘিরে ধর্ষণে মাতোয়ারা হয়ে ওঠে এই নরপিচাশরা। এ সময়ে বাগেরহাটে এক কিশোরীকে পালাক্রমে ধর্ষণকালে তার মা উচ্চস্বরে বিলাপ করতে করতে বলেছিল, বাবারা তোমরা একজন করে আস, আমার মেয়ে ছোট। এতেও ক্ষান্ত হয়নি নরপিচাশরা। কিশোরী মেয়ের ওপর হায়নার দল যেন আছড়ে পড়ে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;একই পরিবারের তিন থেকে পাঁচ সংখ্যালঘু নারী এক সঙ্গে ধর্ষিত হওয়ার ঘটনাও ঘটে। কোথাও মা মেয়ে এক সঙ্গে, কোথাও মা মেয়ের সঙ্গে পুত্রবধু এবং পুত্রবধুর মাও ধর্ষণের শিকার হয়েছে। আবার কোথাও স্বামীকে বেঁধে তার ও সন্তানদের সামনে মাকে ধর্ষণ করেছে তারা। অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী থেকে ডিগ্রী পড়ুয়া সংখ্যালঘু মেয়েদের প্রতি বেশি আকৃষ্ট হয় যুবদল ও ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। সংখ্যালঘু পরিবারের মেয়েদের তুলে নিয়ে এরা মদ খেয়ে পালক্রমে ধর্ষণ করে। ভোলার লাল মোহনে অন্নদাপ্রসাদ গ্রামের চার পাশের ধানক্ষেত ও জলাভূমি পরিবেষ্টিত ভেন্ডার বাড়িতে অর্ধশতাধিক মহিলারা তাদের সম্ভ্রম রক্ষার লৰ্যে আশ্রয় নেয়। কিন্তু সে বাড়িটিও এই নরপিচাশদের নজর এড়ায়নি। শত শত বিএনপি সন্ত্রাসীরা ৮/১০টি দলে বিভক্ত হয়ে অত্যনত্ম পরিকল্পিতভাবে ওই রাতে হামলা চালায়। মহিলারা তাদের সম্ভ্রম রৰা করতে পারেনি। সম্ভ্রম রৰায় অনেকে, প্রাণের মায়া তুচ্ছ করে অন্ধকারে ঝাঁপিয়ে পড়ে আশেপাশের ধানৰেত ও জলাশয়ে। কিন্তু তাদের শিশুদের পানিতে ফেলে দেয়ার হুমকি দিয়ে পানি থেকে ওঠে আসতে বাধ্য করায়। সেখানে ধর্ষিত হয় ৮ বছরের শিশুও। মা, মেয়ে, পুত্রবধূকে ধর্ষণ করা হয় এক সঙ্গে। ছেলের চেয়েও ছোট বয়সী সন্ত্রাসী কর্তৃক মায়ের বয়সী নারী ধর্ষিত হয়। এদের কবল থেকে রক্ষা পায়নি পঙ্গু, অন্ধ, প্রতিবন্ধী নারীরাও। কোন কোন ক্ষেত্রে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়াসহ লোমহর্ষক অনেক ঘটনার বর্ণনা রয়েছে এতে ।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;নির্বাচনে আওয়ামী লীগ প্রার্থী জয়লাভ করায় যশোরের চৌগাছায় এক আওয়ামী লীগ ভক্ত আব্দুল বারিক মণ্ডলকে তার বাড়িতে এনে গাছের সঙ্গে বেঁধে দিনে দুপুরে রামদা দিয়ে কোপ দিয়ে দুপা কেটে ফেলে। বড় ছেলে বাধা দিতে গেলে তার দুপায়ে গরম রড ঢুকিয়ে দেয়। এর পর তার বাড়িতে তারই গরু জবাই করে ভোজের আয়োজন করে। নির্বাচনের পর কয়েকদিন ধরে চলে এই নারকীয় অত্যাচার। কিন্তু প্রশাসন থাকে নীরব। কোথাও কোথাও বরং এই নরপিচাশদের সহযোগিতা করেছে। তদন্ত কমিটির রিপোর্টে এ বিষয়গুলো স্পষ্ট ফুটে উঠেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত প্রতিবেদনে সহিংস ঘটনার প্রকৃতি অনুযায়ী ছয়টি সুপারিশ করে। এর মধ্যে ওই সময়ের অনেক ঘটনা রয়েছে, যা মামলা দায়ের করা সম্ভব হয়নি। এ জাতীয় সকল বিষয়ে সুনির্দিষ্ট মামলা দায়ের করা, কোন কোন মামলা পুনুজ্জীবিত করা, তদন্ত না করে যে সকল মামলা চূড়ান্ত রিপোর্ট প্রদান করা হয়, সে সকল মামলার পুর্নতদন্ত করা, কিছু মামলা রিভিউ করা, কিছু মামলা আপীল করা এবং সহিংস প্রতিটি ঘটনা তদন্ত করে বের করতে প্রতিটি জেলায় ছোট আকারে তদন্ত কমিশন বা কমিটি গঠন করা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পরবর্তী করণীয় কী এমন এক প্রশ্নের জবাবে তদন্ত কমিশনের সভাপতি অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পু জনকণ্ঠকে বলেছিলেন, যে রায়ের আলোকে তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়েছে, সে রায়ের আলোকে পরবর্তী পদৰেপের জন্য সরকারই উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ। এ ব্যাপারে নতুন করে আদালতের নির্দেশনা নেয়ার প্রয়োজন নেই। তবে সরকার কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন মনে করলে আদালতের কাছে পরবর্তী নির্দেশনা চাইতে পারে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ব্যাপারে স্বরাষ্ট্র সচিব বলেছিলেন, কিছু কিছু ক্ষেত্রে আদালতের নির্দেশনার প্রয়োজন হতে পারে। ২০০১ সালের অনেক ঘটনায় তখন মামলা দায়ের করা হয়নি বা করতে পারেনি। এ ঘটনার প্রেক্ষিত্রে এখন মামলা দায়ের করতে আদালতের নিদের্শনার প্রয়োজন হতে পারে। তবে আমরা বিষয়টি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দ্রুত বিধি মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করব। কিন্তু তদন্ত কমিশন রিপোর্ট প্রদানের পর ৪৯ দিন অতিবাহিত হলেও এখনও কোন প্রকার উদ্যোগ নেয়া হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কমিশনের সদস্য মনোয়ার হোসেন আখন্দ জনকণ্ঠকে বলেছিলেন, ২০০১ নির্বাচন পরবর্তী সহিংস ঘটনার তদন্ত করতে গিয়ে দেখতে পাই জনকণ্ঠ পত্রিকা দায়িত্বশীল ভূমিকা রেখেছে। জনকণ্ঠ পত্রিকার রিপোর্ট আমাদের সহায়ক হয়েছে। রিপোর্টে যে ঘটনাগুলো তুল ধরা হয়েছে, তদন্ত করতে গিয়ে প্রতিটি ক্ষেত্রে তার সুস্পষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। ওই সময়ের প্রতিদিনের নির্যাতনের চিত্র জনকণ্ঠের পাতায় ফুটে ওঠে। তিনি বলেন, এ ছাড়া দায়িত্বশীল একটি ইংরেজী পত্রিকাতে মাত্র দুটি লেখা ছাপা হয়েছে। এ সময় বাকি মিডিয়া রহস্যজনকভাবে নীরব ছিল। তবে রাষ্ট্রীয় টেলিভিশন প্রচার না করলেও তাদের ধারণকৃত দুটি ফুটেজ পেয়েছি। কমিশনের সভাপতিও একই কথা বলেছেন জনকণ্ঠ সম্পর্কে। তিনি বলেন, কাজ করতে গিয়ে দেখেছি, জনকণ্ঠ কতবড় দায়িত্বলীল পত্রিকা। পত্রিকাটি সকল সময়ে নির্যাতিত মানুষের পার্শে দাঁড়ায়। অপর এক কর্মকর্তা বলেন, জনকণ্ঠ নির্যাতিত সংখ্যালঘু এই জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছিল বলে তাকেও কম মাসুল গুনতে হয়নি। এতে রীতিমতো সরকারের রোষানলে পড়তে হয়। তৎকালীন সরকার পত্রিকাটির সকল বিজ্ঞাপন বন্ধ করে দিয়েই ক্ষান্ত হয়নি। কোম্পানির সকল ব্যবসায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সরকার।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রতিবেদনে বলা হয়, অষ্টম জাতীয় সংসদ নির্বাচন পরবর্তী সহিংসতায় সংখালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি কিছু আওয়ামী নেতাকর্মীদের ওপর নেমে আসে মধ্যযুগীয় বর্বরতা। বিশেষ করে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকের বাড়ি লুট, মায়ের সামনে কন্যাকে ধর্ষণ, স্বামীকে বেঁধে তার সামনে স্ত্রীকে ধর্ষণ, কোন কোন ক্ষেত্রে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেয়াসহ লোমহর্ষক অনেক ঘটনার বর্ণনা রয়েছে এতে। সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের ওপর একের পর এক হামলা হতে থাকে। ঘরবাড়ি জ্বালিয়ে দেয়া, বসতবাড়ি থেকে উচ্ছেদ, জমি দখল করা, হাত-পা কেটে নেয়া এবং খুন-ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;দলীয় আনুগত্যের কারণে সে সময়কার তত্ত্বাবধায়ক সরকার নির্যাতন বন্ধ করতে প্রশাসনিকভাবে কোন ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারেনি বলে উলেস্নখ করা হয় প্রতিবেদনে। আবার জনগণের কাছে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের কোন জবাবদিহি না থাকায় খেয়ালখুশিমতো প্রশাসন চালিয়েছে। বিশেষ করে, ২০০১ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা প্রশাসনে রদবদলের মাধ্যমে সহিংস ঘটনার জন্য পথ সৃষ্টি করে গেছেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এ ধরনের নৃশংস ঘটনার কারণ উদ্ঘাটন এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের চিহ্নিত করতে 'হিউম্যান রাইট ফর পিস' নামের একটি মানবাধিকার সংগঠন হাইকোর্টে রিট আবেদন করে। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৯ সালের ৬ মে এসব নির্যাতনের অভিযোগ তদনত্মের জন্য সরকারকে নির্দেশ দেন আদালত। এরপর ২০১০ সালের ২৭ ডিসেম্বর অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মুহাম্মদ সাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে প্রধান করে তিন সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের দুই সদস্য হলেন উপসচিব মনোয়ার হোসেন আখন্দ ও ঢাকা মহানগর পুলিশের যুগ্ম কমিশনার মীর শহিদুল ইসলাম।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;তদন্ত কমিশনের সুপারিশে ২০০১ সালের নির্বাচনোত্তর ঘটনার জন্য দায়ী অপরাধীদের বিচারের আওতায় আনার কথা বলা হয়েছে। অপরাধীদের বিরুদ্ধে দ্রুত মামলা করারও সুপারিশ করা হয়েছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে, ২০০১ সালের নির্বাচনের পরপরই যেসব নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে, তার সঙ্গে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা ছিল। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতিহিংসার কারণেই এসব ঘটনা ঘটেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;পাঁচ খণ্ডের তদন্ত প্রতিবেদনটি এক হাজার ৭৮ পৃষ্ঠার। তদন্তকালে কমিশন মোট অভিযোগ পেয়েছে পাঁচ হাজার ৫৭১টি। ২০০১ সালের অক্টোবর থেকে ২০০২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যনত্ম পাওয়া অভিযোগের সংখ্যা তিন হাজার ৬২৫। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ৩৫৫টি এবং লুটপাট, অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ, গণধর্ষণ, পঙ্গুত্ব, গুরুতর আঘাত, সম্পত্তি দখল ও অন্যান্য গুরুতর অভিযোগ তিন হাজার ২৭০টি। অভিযোগ বাতিল করা হয়েছে এক হাজার ৯৪৬টি। কমিশনের তদনত্ম করা তিন হাজার ৬২৫টি ঘটনায় ১৮ হাজারেরও বেশি লোক জড়িত। কমিশনের প্রতিবেদনে সহিংস ঘটনার কিছু উদাহরণ, কারণ ও পটভূমি, সহিংসতার ধরন, সারসংক্ষেপ, প্রাসঙ্গিক মতামত ও সুপারিশ তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে ভোলা, বরিশাল, ঝালকাঠি, পিরোজপুর, খুলনা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, সিলেট ও ঢাকা বিভাগের বিবরণ আলাদাভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের আমলে রাজনৈতিক বিবেচনায় নেতাকর্মীদের পাঁচ হাজার ৮৯০টি মামলা প্রত্যাহার করা হয়েছে উল্লেখ করে তদন্ত কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সালের নির্বাচনের পর সংখ্যালঘু সম্প্রদায় ও বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালানো হয়। রাজনৈতিক আক্রোশের কারণে কারও হাত-পা কেটে ফেলা হয়, কারও চোখ তুলে ফেলা হয়, অনেক নারীকে ধর্ষণ করা হয় মায়ের সামনেই।&lt;br /&gt;কমিশন জানায়, ২০০১ সালে নির্বাচনোত্তর সহিংসতার ঘটনায় যেসব ব্যক্তির ওপর আক্রমণ করা হয়েছিল, লুটপাট চালানো হয়েছিল, গণধর্ষণ করা হয়েছিল, তাঁরা থানায় বা আদালতে অভিযোগ দায়ের পর্যন্ত করতে পারেননি। আবার কেউ কেউ অভিযোগ করতে পারলেও রাজনৈতিক কারণে তদন্ত করা হয়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;কোন মামলা হয়ে থাকলে দ্রম্নত বিচারের ব্যবস্থা করার জন্য প্রতিবেদনে সুপারিশ করা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, রাষ্ট্রপক্ষ এ ব্যাপারে প্রয়োজনীয় সহায়তা করবে। অন্যান্য সুপারিশের মধ্যে রয়েছে এ ধরনের সহিংস ঘটনা তদারকি করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে একটি সেল গঠন করা, ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের আর্থিক সহায়তা করা, রাজনৈতিক দলগুলোর আচরণে পরিবর্তন আনা, নির্বাচনে জয়লাভের পর পরাজিতদের প্রতি ইতিবাচক মনোভাব, জয়লাভের পর তাৎক্ষণিক বিজয়োল্লাস পরিহার করা, জনগণের রায়কে স্বীকৃতি দেয়া, স্থানীয় প্রশাসনকে দলীয়করণ ও রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত রাখা, এ সব ঘটনা তদন্তের জন্য প্রতিজেলায় একটি করে স্বল্পমেয়াদি কমিটি বা কমিশন গঠন করা ইত্যাদি।&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=15&amp;amp;dd=2011-06-12&amp;amp;ni=61515"&gt;জনকণ্ঠ ১২ জুন ২০১১&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-7021627619985742172?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/7021627619985742172/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=7021627619985742172&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7021627619985742172'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/7021627619985742172'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/06/blog-post_12.html' title='পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে নিথর দেহ ভাসিয়ে দেয় নদীতে'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-311747584280323896</id><published>2011-05-28T02:10:00.000-07:00</published><updated>2011-06-01T10:41:22.303-07:00</updated><title type='text'>কালীমন্দিরে মূর্তি ভাংচুর</title><content type='html'>নিজস্ব সংবাদদাতা, মাগুরা, ২৬ মেঃ জেলার শালিখা উপজেলার হাটবাড়িয়া গ্রামের মন্দিরের মূর্তি ভাংচুরের ঘটনায় পুলিশ ৪ জনকে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠায়। গ্রেফতারকৃতরা হচ্ছে শিমুল হোসেন, কিসলু মোল্লা, কামরুল শিকদার এবং রহিম মোল্লা। জানা গেছে শালিখা উপজেলার হাটবাড়িয়া গ্রামে বুধবার বিকালে উক্ত চার কিশোর ডাক্তার দেখানোর জন্য যায়। এর পর তারা হাটবাড়িয়া কালীমন্দিরের বারান্দায় রক্ষিত রাস পূজার ১০টি মূর্তি ভাংচুর করে।&lt;br /&gt;&lt;span style="font-style: italic;"&gt;জনকণ্ঠ, ২৭ মে, ২০১১&lt;/span&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-311747584280323896?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/311747584280323896/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=311747584280323896&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/311747584280323896'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/311747584280323896'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/05/blog-post_28.html' title='কালীমন্দিরে মূর্তি ভাংচুর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-5103958962794172116</id><published>2011-05-18T08:49:00.000-07:00</published><updated>2011-05-20T08:50:57.226-07:00</updated><title type='text'>আক্কেলপুরে প্রতিমা ভাঙচুর, মামলা</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;আক্কেলপুর (জয়পুরহাট)প্রতিনিধি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জয়পুরহাটের আক্কেলপুর পৌর শহরের বিহারপুরে শ্রীশ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরের গদাধর প্রতিমা গত রোববার রাতে ভাঙচুর করা হয়েছে।&lt;br /&gt;থানা পুলিশ সোমবার সকালে আক্কেলপুর-আওয়ালগাড়ী সড়কের রাজকান্দা তিনমাথা মোড় থেকে হাতভাঙা অবস্থায় প্রতিমাটি উদ্ধার করেছে। এ ঘটনায় ওই মহল্লার বন্দনারানী বাগচি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের আসামি করে মামলা করেছেন।&lt;br /&gt;পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বিহারপুর মৌজার ৫৩ শতক দেবোত্তর সম্পত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত শ্রী শ্রী রাধাগোবিন্দ মন্দিরটি সেবায়েত নিরঞ্জন গোস্বামী দেখভাল করতেন। তিনি গোপনে ওই সম্পত্তির মধ্যে ১৬ শতক পৌর শহরের সারফুল ইসলামের কাছে বিক্রি করে দেন। পরে সারফুল ইসলাম সেখানে ইটের দেওয়াল নির্মাণ করতে গেলে মহল্লাবাসী বাধা দেয় এবং দেবোত্তর সম্পত্তি বিক্রির ঘটনা জানতে পারে। কিন্তু তিনি বাধা উপেক্ষা করে সেখানে দেওয়াল নির্মাণ করেন। সম্প্রতি সারফুল ইসলাম ওই সম্পত্তি রবিউল ইসলামের কাছে বিক্রি করেন। রবিউল ইসলাম ৮ মে রাতে ওই সম্পত্তিতে স্থঅপনা নির্মাণ করেন। পরদিন সকালে মহল্লার হিন্দু ধর্মাবলম্বী নারীরা ওই স্থাপনা ভেঙে দেবোত্তর সম্পত্তি মন্দিরের দখলে নেন। তাঁরা সেখানে প্রতিমা স্থাপন করেন।&lt;br /&gt;মহল্লার হিন্দুধর্মাবলম্বীরা জানান, রোববার মন্দিরে আরতিপূজা ও প্রসাদ বিতরণ উপলক্ষে রাত ১০টা পর্যন্ত লোকজন ছিল। এরপর ঝড়-বৃষ্টি হয়। রাত তিনটার দিকে মন্দিরসংলগ্ন বাড়ির বাসিন্দা মর্ণিলা ও তাঁর স্বামী দিলীপ মন্দির দেখতে যান। তাঁরা গদাধর প্রতিমাটি দেখতে না পেয়ে লোকজনকে জানান। অনেক খোঁজাখুঁজি করেও ওই রাতে তাঁরা প্রতিমাটির সন্ধান পাননি।&lt;br /&gt;সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (সার্কেল) আল-মামুন বলেন, তদন্ত সাপেক্ষে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ১৮ মে, ২০১১&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-5103958962794172116?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/5103958962794172116/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=5103958962794172116&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5103958962794172116'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/5103958962794172116'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/05/blog-post_18.html' title='আক্কেলপুরে প্রতিমা ভাঙচুর, মামলা'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-614502927803298399</id><published>2011-05-17T01:48:00.000-07:00</published><updated>2011-05-20T08:49:18.275-07:00</updated><title type='text'>নাটোরে তারকেশ্বর শিবমন্দিরে হামলা সেবাইতকে মারধর</title><content type='html'>&lt;span style="font-style: italic;"&gt;নাটোর প্রতিনিধি&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;সন্ত্রাসীরা নাটোর রাজবাড়ির তারকেশ্বর শিবমন্দিরের সেবাইতকে গত রোববার রাতে মারধর করেছে। এ সময় তারা সেবাইতকে মন্দির থেকে বের করে দেয় এবং প্রতিমা ভাঙচুর করে।&lt;br /&gt;সদর থানা সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার রাত সাড়ে নয়টায় শহরের ওপর বাজার মহল্লার আরিফুর রহমান ও দুলু ঘোষ নামের দুই যুবক রাজবাড়ির তারকেশ্বর শিবমন্দিরে ঢুকে মন্দিরের সেবাইত গোবিন্দ চন্দ্র দাস ওরফে সাধুবাবাকে চড় মারেন এবং মন্দির থেকে বের করে দেন। এ সময় সন্ত্রাসীরা তাঁর কাছ থেকে মন্দিরের চাবি নিয়ে নেন এবং প্রতিমা ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে ওই রাতেই সদর থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে।&lt;br /&gt;ততক্ষণে সন্ত্রাসীরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যান। গতকাল সোমবার দুপুরে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্লাহ আল মামুন ঘটনাস্থলে আসেন এবং হিন্দু সন্প্রদায়ের লোকজনের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় তিনি ভবিষ্যতে এ ধরেনর ঘটনা ঘটবে না বলে আশ্বাস দেন। গত সোমবার দুপুর পর্যন্ত ওই মন্দিরে পূজা বন্ধ ছিল।&lt;br /&gt;গোবিন্দ চন্দ্র বলেন, 'কেন সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে, তা বলতে পারব না।' অভিযুক্ত ব্যক্তিরা পলাতক থাকায় তাঁদের মতামত জানা যায়নি।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;প্রথম আলো, ১৭ মে, ২০১১&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-614502927803298399?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/614502927803298399/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=614502927803298399&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/614502927803298399'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/614502927803298399'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/05/blog-post.html' title='নাটোরে তারকেশ্বর শিবমন্দিরে হামলা সেবাইতকে মারধর'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-3060848172875088856</id><published>2011-05-02T11:23:00.000-07:00</published><updated>2011-06-02T10:27:47.499-07:00</updated><title type='text'>২০০১-এর সহিংসতা : প্রমাণ মিলল এবার বিচার হবে তো?</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;দেবব্রত চক্রবর্তী বিষ্ণু&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;&lt;br /&gt;সত্যবাবু মরে গেছেন বটে কিন্তু 'সত্য' যে কখনো মরে না, 'সত্য' তার উপস্থিতি কোনো না কোনোভাবে বিলম্বে হলেও তুলে ধরে, এর প্রমাণ পুনর্বার মিলল ২০০১ সালের নির্বাচনপরবর্তী সহিংসতা সম্পর্কে বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন প্রকাশের মধ্য দিয়ে। প্রায় এক দশকের মাথায় সেসব সহিংস ঘটনা তদন্তে তিন সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন উত্থাপিত অভিযোগের তদন্ত করে একটি বিশদ প্রতিবেদন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কাছে জমা দিয়েছে ২৪ এপ্রিল ২০১১ তারিখে। বিএনপি এই প্রতিবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে। কিন্তু তখনকার বাস্তবতা কী বলে? ২০০১ সালে জাতীয় নির্বাচনোত্তর ১ অক্টোবর থেকে ২০০২ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত খুন, ধর্ষণ, হাত-পা কেটে নেওয়াসহ অগ্নিসংযোগের মতো বহু গুরুতর অপরাধ সংঘটিত হয়েছিল চারদলীয় জোটের মানবতাবিরোধীদের মাধ্যমে। তখন ওই দুষ্কর্ম নির্বাচনে 'বিজয়োল্লাসের' সহিংস প্রদর্শনী হিসেবে আখ্যায়িত হয়েছিল। দেশ-বিদেশের মিডিয়ায় (কিছুসংখ্যক পত্রপত্রিকা বাদে) এসব ধারাবাহিকভাবে উপস্থাপিত হয়ে আসছিল এবং তখনকার ক্ষমতাসীনরা ওই পৈশাচিকতা, বর্বরতা, নিষ্ঠুরতা বন্ধে কোনো রকম পদক্ষেপ তো নেনইনি, উপরন্তু তাঁরা বলছিলেন, এ সবই হচ্ছে মিডিয়ার 'অতিরঞ্জন'। ওই ক্ষমতাবানরা এ কারণে তখন প্রশাসনের কিছু পদলেহী কর্মকর্তার যোগসাজশে শুধু অনেক সাংবাদিকের ওপরই কৌশলে তাঁদের হিংস্রতার বহিঃপ্রকাশ ঘটাননি, তাঁদের রোষানল থেকে বাদ যাননি সুশীল সমাজেরও অনেকেই, যাঁরা তখন মানবতার পক্ষে দাঁড়িয়েছিলেন। ওই নির্বাচনে পরাজিত আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ, এমনকি সংখ্যাগুরু শ্রেণীর প্রতিবাদকারীরাও বিএনপি এবং তার নেতৃত্বাধীন চারদলীয় জোটের শরিক দলগুলোর ক্ষমতাবান হিংস্রদের নিষ্ঠুর কর্মকাণ্ডের শিকার হয়েছিলেন এবং আক্রান্তদের প্রতিকার চাওয়ার ক্ষেত্রটুকুও পর্যন্ত ছিল না। একটি গণতান্ত্রিক দেশে তথাকথিত গণতান্ত্রিক ও মানবতার বুলি কপচানো মানবতাবিরোধীদের উন্মাদনা সব কিছু স্তব্ধ করে দিয়েছিল। ওই সময় দায়িত্বরত প্রথমে তত্ত্বাবধায়ক সরকার এসব প্রত্যক্ষ করেও উটপাখির মতো বালিতে মুখ গুঁজে ছিল, তারপর তথাকথিত বিজয়ী চারদলীয় জোট ওই উন্মাদনা চালানোর পথটি আরো প্রশস্ত্ত করে দিয়েছিল, যা স্বাধীন বাংলাদেশের ইতিহাসে একটি কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০৯ সালের ৬ মে উচ্চ আদালত ২০১১ সালের নির্বাচনোত্তর এসব ঘটনার জন্য বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠনে সরকারকে নির্দেশ দেন 'হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ' নামের একটি সংগঠনের রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে। এ অনুযায়ী ১৯৫৬ সালের 'দ্য কমিশন অব ইনক্যুয়ারি অ্যাক্ট' অনুযায়ী সরকার একজন অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন গঠন করে। কমিশন সরেজমিন সাক্ষ্যগ্রহণ ও আলামত সংগ্রহ এবং সে সময়ের পত্রপত্রিকার কাটিং ও আনুষ্ঠানিক বিষয়াদি পর্যালোচনা করে পাঁচ খণ্ডে মোট এক হাজার আটাত্তর পৃষ্ঠার প্রতিবেদন দাখিল করেন। এই প্রতিবেদনে পাঁচ হাজার পাঁচ শ একাত্তরটি অভিযোগ রয়েছে, যার মধ্যে খুনের অভিযোগ ৩৫৫টি। অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণের ঘটনার উল্লেখ আছে তিন হাজার ২৭০টি। রয়েছে আরো গুরুতর অভিযোগও। তদন্ত কমিশনের একজন সদস্য যথার্থভাবেই সেসব ঘটনাকে 'মানবিক দুর্যোগ' হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন। প্রতিবেদনে চারদলীয় জোটের কিছু নেতাকে সেই সময়ের (ওই নেতাদের কেউ কেউ মন্ত্রীর চেয়ারেও অধিষ্ঠিত ছিলেন!) সহিংস ঘটনার জন্য দায়ী করে তাঁদের নাম-পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুন তদন্ত প্রতিবেদনটি হাতে পেয়ে বলেছেন, দোষীদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো হবে। এ দেশে 'হবে', 'হচ্ছে', 'করব', 'করছি' ইত্যাদি শব্দের জটাজালের এক অদ্ভুত সংস্কৃতি চালু আছে। প্রতিকার কবে কিংবা কতটা কী হবে তা ভবিষ্যৎ জানে, কিন্তু বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিশন মুখোশধারীদের চিহ্নিত করে জাতির সামনে তাদের পরিচয় তুলে ধরতে পেরেছেন_এটি বিলম্বে হলেও বড় কাজ হয়েছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০১ সালের অক্টোবর মাসের জাতীয় নির্বাচনের আগে ও পরে ধর্মীয় সংখ্যালঘুরা কিভাবে নির্বিচার অত্যাচার-নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, তা সচেতন মহলের অজানা নয়। বরিশাল, বাগেরহাট, ভোলা, ঝালকাঠি, খুলনা, সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, মুন্সীগঞ্জ, ফেনী, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, কুমিল্লা_কোথায় ঘটেনি সহিংসতা? এমন একটি জনপদও বাকি ছিল না, যেখানে ভিন্নমতাবলম্বী সাধারণ মানুষ নির্যাতনের শিকার হননি, যেখানে তাঁদের ঘরবাড়ি, মন্দির, প্রতিমা ভাঙেনি। নির্বাচনের তাণ্ডবতা কেবল রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মধ্যে সীমিত থাকলেও একটি খোঁড়া যুক্তি খুঁজে পাওয়া যেত। যাঁরা গরিব, নিজেদের ভিটামাটিও নেই, অন্যের বাড়িতে আশ্রিত, যাঁরা দুই বেলা দু'মুঠো অন্ন জোটাতে পারেন না, তাঁদের আবার রাজনীতি কী? কিন্তু এসব মূঢ়-ম্লান মুখই সবচেয়ে বেশি নির্যাতিত হয়েছিলেন। ওই সময় পেশাগত দায়িত্ব পালন এবং পরে একটি মানবাধিকার সংগঠনের পক্ষে কাজ করতে গিয়ে লালমোহন, রামশীলসহ কয়েকটি জনপদে বিপন্ন মানবতার যে চিত্র দেখেছি, তা ভাবলে আজও গায়ে কাঁটা দেয়। তখন একটি প্রশ্নই সারাক্ষণ তাড়া করছিল, এই আমাদের দেশ! গফরগাঁওয়ের জ্যোৎস্না রানী, মনি বাইন, আগৈলঝাড়ার সাবিত্রী, মধু, শেফালী সরকার, ভোলার শেফালী রানী, রীতা রানী, চিলতামারীর হাসিনা, মধুরানী দাশ, চম্পা, জয়পুরহাটের সুজাতা, রেনুকা অধিকারী, রাউজানের প্রভা দাশ, মিরসরাইয়ের সম্বি, কুটন দাশ, চন্দনাইশের বনিতাসহ অগণিত নারী ওই দুঃসময়ের দুঃসহ স্মারক। আর বেশির ভাগ পুরুষই হয় নির্যাতিত, না হয় ঘরবাড়ি থেকে বিতাড়িত হয়েছিলেন এবং অভিযোগ আছে, যাঁদের অনেকেই শেষ পর্যন্ত দেশত্যাগ করতেও বাধ্য হন। আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশে ক্ষমতাকে কেন্দ্র করে দুর্বৃত্তরা কিভাবে লালিত হয়, এসব তারই জ্বলন্ত প্রমাণ। সাম্প্রদায়িকতাকে নিন্দা করলে, এর বিরুদ্ধে অবস্থান নিলে তা মানবতার পক্ষেই যায়_এ ধারণাটাও তখন ভেঙে গিয়েছিল।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;বাংলাদেশে একসময় ভয়ানক কিছু রোগের আধিপত্য ছিল। যেমন_বসন্ত, পোলিও অথবা যক্ষ্মা। এর কিছু নির্মূল হয়েছে, কিছু নির্মূলের পথে। এসব ভয়ংকর রোগের তালিকায় আছে আরেকটি অনিরাময়যোগ্য রোগ, যার নাম সাম্প্রদায়িকতা। কোনো সরকার যদি এ রোগ নির্মূলের সহায়ক শক্তি না হয়ে জীবাণু ছড়ানোর বাহন হয়, তবে এর পরিণাম কতটা ভয়ংকর হতে পারে, এর দৃষ্টান্ত হতে পারে ২০০১ সালের নির্বাচনোত্তর বাংলাদেশ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতা, ক্ষমতার অপব্যবহার, মানবাধিকার লঙ্ঘন ও জঙ্গিবাদের কারণে বাংলাদেশের ভাবমর্যাদা অতীতে বহুবার হয়েছে কলিমালিপ্ত। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে যদি একজনকে রেসিস্ট হিসেবে (বর্ণবিদ্বেষী) অভিযুক্ত করা হয়, তাহলে সে লজ্জায় অধোবদন হয়। অনস্বীকার্য যে এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ অসাম্প্রদায়িক এবং এর সবচেয়ে বড় প্রমাণও একাত্তরেই আমরা পেয়েছি; কিন্তু স্বাধীন বাংলাদেশ কিছু স্বার্থান্বেষী ব্যক্তির হিংসা-বিদ্বেষের শানিত ছুরিতে ক্ষত-বিক্ষত, রক্তাক্ত হয়েছে কয়েকবার। আমরা সেই বাংলাদেশে ফিরে যেতে চাই, যে বাংলাদেশে শুভ বুদ্ধিসম্পন্ন মানুষের জন্য যা কিছু অকল্যাণকর, তা কবর দিয়ে অভ্যুদয় ঘটেছিল বাঙালির জাতিরাষ্ট্রের। একজন নাগরিকের পরিচয় তার রাষ্ট্রসত্তায়, কোন ধর্মে সে জন্মগ্রহণ করেছে তাতে নয়। এ বিষয়টির মীমাংসা হয়ে গেছে একাত্তরেই। কিন্তু ২০০১ সালের জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশ আবার পড়ে মধ্যযুগের পচা দুর্গন্ধময় অন্ধগলিতে। হিন্দু, বৌদ্ধ, এমনকি আহমদিয়া সম্প্রদায়ের লোকজনও নিপীড়ন-নির্যাতনের শিকার হন নির্বিচারে। ২০০১ সালে জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে-পরে গণমাধ্যম, বিশেষ করে পত্রপত্রিকায় নির্যাতিত-নিপীড়িত মানুষের আর্তনাদের প্রতিধ্বনি মূর্ত হয়ে উঠেছিল বলেই অস্তিত্ব বিলীন হয়ে যায়নি তাঁদের। তা না হলে তথাকথিত বিজয়ের পর বিজয়োল্লাসীদের উন্মত্ততা এ জনপদের আরো অনেককেই হয়তো নিশ্চিহ্ন করে দিত।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;২০০১ সালের নির্বাচনোত্তর নির্যাতন দূর-অতীত ও সাম্প্রতিককালের সব মাত্রা অতিক্রম করে যায় পরিমাপে-বিস্তৃতিতে। ঘটনাগুলো স্থানিক বা বিচ্ছিন্ন ছিল না। প্রায় গোটা দেশই মানুষ নামধারী নরপশুদের অবাধ বিচরণ ক্ষেত্র কিংবা চারণভূমি হয়ে উঠেছিল। তিল তিল করে দীর্ঘ সময়ের পথ ধরে যে মানবিক মূল্যবোধ, অসাম্প্রদায়িক সমসমাজ গড়ার অনলস চেষ্টা, ধর্ম-সম্প্রদায়-জনগোষ্ঠী অনপেক্ষ রাষ্ট্রব্যবস্থা নির্মাণ, জাতি ধর্ম বর্ণ গোষ্ঠী নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সমান অধিকার প্রতিষ্ঠার সব অর্জন, আমাদের সব সাফল্য, পরম যত্নে লালিত স্বপ্নগুলো একেবারেই বিলীন করার পথ যারা প্রশস্ত করেছিল, তাদের বিরুদ্ধে কোনোই প্রতিকারমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি! ২০০১ সালের নির্বাচনের আগে-পরে তখনকার সরকার ও প্রশাসনের দায়িত্বশীলরা যেসব বিষয়কে 'মিডিয়ার অতিরঞ্জন', কিছুসংখ্যক মানুষের 'গণ্ডগোল'_এসব বলে উড়িয়ে দিতে চেয়েছেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কেন এত দিন সরকার পদক্ষেপ নিল না_এ প্রশ্নও উঠবেই।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;রাষ্ট্রশক্তি যদি তার চরিত্র ঠিক রাখে, তবে উদ্ধত ক্ষমতামদমত্ত, বলবান কিংবা জ্ঞানহীন কুচক্রী মানুষ নামের অপশক্তি কি বেশি দূর যেতে পারে? রাষ্ট্র কাঠামোর কিংবা দেশ চালানোর শাখা-উপশাখায় যাঁরা সম্পৃক্ত, তাঁরা যদি নিষ্ঠ থাকেন, দায়বদ্ধ থাকেন, জবাবদিহিতার পাট না চুকিয়ে ফেলেন, তাহলে মানুষের সব অধিকার রক্ষা পাবে, মানুষ বাঁচবে, শঙ্কামুক্ত থাকবে এবং সে রকম উদ্বেগজনক পরিস্থিতির আর সৃষ্টি হবে না। এ দেশে মানবতার বিরুদ্ধে সংঘটিত অপরাধের যে পর্যন্ত না সুষ্ঠু বিচার হবে, সে পর্যন্ত কখনো লর্ড হার্ডিঞ্জ, কখনো রামশীল, কখনো আগৈলঝাড়া কিংবা অন্য কোনো জনপদ আতঙ্কজনক বার্তা নিয়ে সংবাদ শিরোনাম হবেই। একটা কথা তো সত্য, প্রবলের স্বার্থ থেকে উৎপত্তি ব্যাধি ক্যান্সার বিষের মতো সমাজে ছড়িয়ে পড়েছে। এ দেশের সিংহভাগ সাধারণ মানুষ যে অদৃশ্য শিকলে বাঁধা, তা তাদেরই ছিঁড়তে হবে। তবে রাষ্ট্রশক্তি তার দায় এড়াতে পারে না। কেউই আইনের ঊর্ধে নন। অন্যায়কে অবশ্যই অন্যায়ের দৃষ্টিতে দেখতে হবে। অন্যায়কারীর দলীয় বা রাজনৈতিক পরিচয় যাই হোক না কেন, সমাজ ও আইনের দৃষ্টিতে সে বা তারা শুধুই অন্যায়কারী এবং তাদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো রাষ্ট্রের অবশ্যই দায় রয়েছে। বিলম্ব অনেক হয়েছে। আমরা প্রত্যাশা করব, রাষ্ট্রশক্তি আর বিলম্ব না করে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসনের পথ প্রশস্ত করে তদন্ত প্রতিবেদন মোতাবেক এসব ঘটনার জন্য অভিযুক্তদের বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড় করাবে। আমাদের ভবিষ্যৎ হচ্ছে বাংলাদেশ। সব ধর্মের, সব মানুষের সমান অধিকার নিয়ে বেঁচে থাকার দেশ, বাংলাদেশ। রাষ্ট্র হোক সবার অর্থাৎ জনগণের, কিন্তু রাষ্ট্র কোনোভাবেই যেন দুর্বৃত্তদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল না হয়।&lt;br /&gt;লেখক : সাংবাদিক&lt;br /&gt;&lt;a href="http://www.dailykalerkantho.com/?view=details&amp;amp;type=gold&amp;amp;data=University&amp;amp;pub_no=507&amp;amp;cat_id=2&amp;amp;menu_id=20&amp;amp;news_type_id=1&amp;amp;index=1&amp;amp;archiev=yes&amp;amp;arch_date=01-05-2011"&gt;দৈনিক কালের কন্ঠ, ১ মে, ২০১১&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-3060848172875088856?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/3060848172875088856/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=3060848172875088856&amp;isPopup=true' title='0 Comments'/><link rel='edit' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3060848172875088856'/><link rel='self' type='application/atom+xml' href='http://www.blogger.com/feeds/5496644399891416966/posts/default/3060848172875088856'/><link rel='alternate' type='text/html' href='http://bdhindu.blogspot.com/2011/05/blog-post_02.html' title='২০০১-এর সহিংসতা : প্রমাণ মিলল এবার বিচার হবে তো?'/><author><name>Gopal</name><email>noreply@blogger.com</email><gd:image rel='http://schemas.google.com/g/2005#thumbnail' width='16' height='16' src='http://img2.blogblog.com/img/b16-rounded.gif'/></author><thr:total>0</thr:total></entry><entry><id>tag:blogger.com,1999:blog-5496644399891416966.post-4001663313629983076</id><published>2011-04-06T11:03:00.002-07:00</published><updated>2011-04-06T11:07:50.144-07:00</updated><title type='text'>মানিকগঞ্জে সংখ্যালঘু পরিবারকে ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদ</title><content type='html'>&lt;div style="text-align: center;"&gt;&lt;span style="font-weight: bold;"&gt;মন্দির ভাংচুর ॥ সন্ত্রাসী হামলায় সাংবাদিক আহত, শহরে মিছিল&lt;/span&gt;&lt;br /&gt;&lt;/div&gt;নিজস্ব সংবাদদাতা, মানিকগঞ্জ, ৫ এপ্রিল ॥&lt;br /&gt;মঙ্গলবার সকালে মানিকগঞ্জের উকিয়ারা গ্রামের এক সংখ্যালঘু পরিবারকে ভিটেমাটি থেকে উচ্ছেদসহ ওই বাড়ির মন্দির ভেঙ্গে ফেলা হয়েছে। এ ঘটনার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত হয়েছেন সাংবাদিক বিপ্লব চক্রবর্তী এবং পালিয়ে আত্মরক্ষা করেছেন সাংবাদিক আবুল কালাম আজাদ। সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় তাৎক্ষণিক প্রতিবাদ জানিয়ে শহরে মিছিল সমাবেশ' করেছে মানিকগঞ্জের সাংবাদিকরা।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;জানা গেছে, মঙ্গলবার সকাল ১০টায় স্থানীয় আওয়ামী লীগের কয়েকশ কর্মী উকিয়ারা গ্রামের আপন দুই ভাই গোসাই মণ্ডল এবং শরৎ মন্ডলকে তাদের ভিটেবাড়ি থেকে উচ্ছেদের জন্য হামলা চালায়। সন্ত্রাসীরা এ সময় ওই বাড়ির ৪টি টিনের ঘরবাড়ির আঙিনার একটি মন্দির ও একটি দোকানঘর ভেঙ্গে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। সন্ত্রাসীরা ঘরের আসবাবপত্রে অগ্নিসংযোগও করে। এ সময় পুরো এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। উকিয়ারা বাজারের সকল দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়। আহত সাংবাদিক বিপ্লব চক্রবর্তী জানান, জেলা আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক ইসরাফিল হোসেনের নির্দেশে তাঁর ওপর হামলা হয়েছে। সংখ্যালঘুর বাড়ি উচ্ছেদ এবং সাংবাদিকদের ওপর হামলার সময় সদর থানা পুলিশের কাছ থেকে কোন সাহায্য পাওয়া যায়নি, পুলিশ ঘটনা ঘটে যাবার তিন ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছে। সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে মানিকগঞ্জের সাংবাদিকরা জেলা শহরে তাৎক্ষণিকভাবে বিক্ষোভ মিছিল ও প্রতিবাদসভার আয়োজন করে। প্রতিবাদসভা থেকে অবিলম্বে সাংবাদিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলায় জড়িতদের শাস্তি দাবি এবং এ ঘটনার নেপথ্য মদদদাতা হিসেবে সদর থানার ওসি আবু তাহেরের অপসারণ দাবি করেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;মানিকগঞ্জ প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ সাংবাদিক সমিতি, হিন্দু বৌদ্ধ খ্রীস্টান ঐক্য পরিষদ, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদ, জাতীয় হিন্দু মহাজোট এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জ্ঞাপন করেছে।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;এদিকে ঘটনা প্রসঙ্গে মানিকগঞ্জের জেলা প্রশাসক মুনশী শাহাবুদ্দিন আহমেদ বলেন, জমিটি নিয়ে আদালতে মামলা চলছে, নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যনত্ম যে কোন ধরনের উচ্ছেদ সম্পূর্ণ বেআইনী। পুলিশ সুপার মাসুদ করিম সাংবাদিকের ওপর হামলার ঘটনায় নিন্দা জানিয়ে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আশ্বাস দেন।&lt;br /&gt;&lt;br /&gt;সূত্র: &lt;a href="http://dailyjanakantha.com/news_view.php?nc=27&amp;amp;dd=2011-04-06&amp;amp;ni=54938"&gt;দৈনিক জনকণ্ঠ, ৬ এপ্রিল, ২০১১&lt;/a&gt;&lt;div class="blogger-post-footer"&gt;&lt;img width='1' height='1' src='https://blogger.googleusercontent.com/tracker/5496644399891416966-4001663313629983076?l=bdhindu.blogspot.com' alt='' /&gt;&lt;/div&gt;</content><link rel='replies' type='application/atom+xml' href='http://bdhindu.blogspot.com/feeds/4001663313629983076/comments/default' title='Post Comments'/><link rel='replies' type='text/html' href='http://www.blogger.com/comment.g?blogID=5496644399891416966&amp;postID=4001663313629983076&amp;isPopup=true' title='0 Com
